ঢাকা ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চাউলের দাম বৃদ্ধির খবরে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রথানমন্ত্রীর নির্দেশ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে হাই কোর্টের রুল সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দূতাবাসের ঈদযাত্রা ঘিরে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু, টার্মিনাল ও স্টেশনে ভিড় দুবাই ছাড়তে ধনকুবেরদের হুড়োহুড়ি, প্রাইভেট জেটের ভাড়া কয়েক গুণ বৃদ্ধি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে গতি আনতে একমত ঢাকা-দিল্লি চাঁদাবাজি-ছিনতাই দমনে জিরো টলারেন্স: মাঠ পর্যায়ে কঠোর বার্তা আইজিপির কুয়েতে তিন মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত, কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের ‘নাম্বার ওয়ান প্রায়োরিটি’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি জাহানারা আরজু আর নেই

EDUCATION : শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা

ভয়েস রিপোর্ট, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৪:৩৫:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২ ৩২৪ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক

করোনার প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়লে ১৮ মাস বন্ধ থাকার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরলে গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেওয়া হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এরমধ্যে পরীক্ষা গ্রহণ ফলাফল, ভর্তি এবং বিনামূল্যে বই বিতরণ সম্পন্ন হয়। এরই মধ্যে ১২ বছর থেকে শিক্ষার্থীদের টিকা কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

কিন্তু এরপরও শেষ রক্ষা হয়নি। করোনা পরিস্থিতি ফের ঊর্ধমুখি বিস্তারে ফের ২১ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা দেয় হাসিনা সরকার। ইদানিং শিক্ষার্থীদের একটা বড় অংশ করোনা আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। এনিয়ে চিকিৎসকরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। এনিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে করেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের পাশাপাশি অর্ধেক লোকবল দিয়ে চলবে সরকারী-বেসরকারী অফিস। সামাজিক অনুষ্ঠানে ১০০ জনের বেশি উপস্থিতি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। উপস্থিত ব্যক্তিদের অবশ্যই করোনা সনদ থাকতে হবে।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতরে জরুরি সাংবাদিক বৈঠকে এসব তথ্য তুলে ধরেন বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। এ বিষয়ে শিঘ্রই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গণপরিবহনে ভোগান্তি কমাতে অর্ধেক লোক দিয়ে অফিস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

এর আগে সরকার যে ১১ দফা বিধিনিষেধ জারি করা হলে তা মান্যতায় তেমন সফলতা আসেনি উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা আগেও বিধিনিষেধ দিয়েছি, এগুলো কার্যকরের চেষ্টা চলছে।

স্বাস্থ্যবিধি মান্যতায় জনগণের দায়িত্ব অনেক বেশি উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার বিধিনিষেধ দিতে পারে, কিন্তু মানার দায়িত্ব জনগণের। জনগণই পারবে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি চালিয়ে নিতে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

EDUCATION : শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা

আপডেট সময় : ০৪:৩৫:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ জানুয়ারী ২০২২

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক

করোনার প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়লে ১৮ মাস বন্ধ থাকার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরলে গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেওয়া হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এরমধ্যে পরীক্ষা গ্রহণ ফলাফল, ভর্তি এবং বিনামূল্যে বই বিতরণ সম্পন্ন হয়। এরই মধ্যে ১২ বছর থেকে শিক্ষার্থীদের টিকা কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

কিন্তু এরপরও শেষ রক্ষা হয়নি। করোনা পরিস্থিতি ফের ঊর্ধমুখি বিস্তারে ফের ২১ জানুয়ারি থেকে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা দেয় হাসিনা সরকার। ইদানিং শিক্ষার্থীদের একটা বড় অংশ করোনা আক্রান্ত হয়ে পড়ছে। এনিয়ে চিকিৎসকরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। এনিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে করেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের পাশাপাশি অর্ধেক লোকবল দিয়ে চলবে সরকারী-বেসরকারী অফিস। সামাজিক অনুষ্ঠানে ১০০ জনের বেশি উপস্থিতি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। উপস্থিত ব্যক্তিদের অবশ্যই করোনা সনদ থাকতে হবে।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতরে জরুরি সাংবাদিক বৈঠকে এসব তথ্য তুলে ধরেন বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। এ বিষয়ে শিঘ্রই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, গণপরিবহনে ভোগান্তি কমাতে অর্ধেক লোক দিয়ে অফিস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

এর আগে সরকার যে ১১ দফা বিধিনিষেধ জারি করা হলে তা মান্যতায় তেমন সফলতা আসেনি উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা আগেও বিধিনিষেধ দিয়েছি, এগুলো কার্যকরের চেষ্টা চলছে।

স্বাস্থ্যবিধি মান্যতায় জনগণের দায়িত্ব অনেক বেশি উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার বিধিনিষেধ দিতে পারে, কিন্তু মানার দায়িত্ব জনগণের। জনগণই পারবে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি চালিয়ে নিতে।