Edible oil : তেল নিয়ে তেলেস মাতি! নিয়ন্ত্রণহীন পণ্যবাজার
- আপডেট সময় : ১০:৫৬:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ মার্চ ২০২২ ৩১৪ বার পড়া হয়েছে
ভোজ্যতেল
‘রমজান আসন্ন। ভোজ্যতেলের দাম ডাবল সেঞ্চুরি হাকিয়েছে বেশ ক’দিন আগেই, রমজানে গোটা বিশ্বে পণ্যমূল্যের দাম কমলেও বাংলাদেশে বৃদ্ধি পায়, সাধারণ মানুষের আবেগকে জিম্মি করে রমজান মাসে অধিক মুনাফার করতে একশ্রেণীর ব্যবসায়ী ওৎ পেতে থাকেন,
আমিনুল হক, ঢাকা
ভোজ্যতেলের দাম ডাবল সেঞ্চুরি হাকিয়েছে ক’দিন আগেই। হঠাৎ দাম বাড়ার কারণ কি? এরই মধ্যে বাজারে সয়াবিনতেলের সরবরাহ কমে গিয়েছে। কেন? তাহলে কি তেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সব বন্ধ হয়ে গিয়েছে? নাকী প্রতিষ্ঠানগুলো কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে?
যদি তা না হয়, তবে কেন ভোজ্যতেলের সরবরাহ কম এবং এক লিটার ওজনের (সঠিক মাফ নিয়ে সন্দেহ) তেলের মূল্য ২০০ টাকা ছাড়িয়ে যাবে? দুটো বছর করোনার অতিমারির কবলে মানুষ। আয়রোজগাগে টান। অনেকে কর্মহীন! ধারদেনার ওপরে চলছে অনেকের সংসার! অনেকে বাড়ি ভাড়ার সংকটের কারণে পরিবারকে গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দিতে হয়েছে। তাতে করে এক একটি পরিবারের সন্তানের লেখাপড়া এবং পরিবেশ নিয়ে শঙ্কিত অভিভাবক!

এমন পরিস্থিতিতেও চালসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের দাম কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছে। কাঁচামালের হাতের নাগালের বাইরে। বছরের এই সময়টিতে কাঁচাবাজারে প্রতি কেজি টমেটো মিলতো ১০-১৫ টাকায়। কিন্তু সেখানে ভরমৌসুমে প্রতিকেজি টমোটো বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকায়। পণ্য মূল্যের লাগামহীন অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না কেন? এই প্রশ্নের উত্তর হাওয়ায় মিলিয়ে যাচ্ছে। হঠাৎ পণ্যের পাগলা ঘোড়া ছুটে বেড়াচ্ছে তা কিন্তু নয়! এই বিষয়টি যে ইচ্ছেকৃত এবং সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের কব্জায় তা কিন্তু বাজারে চাউর।
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রহীন আর সংশ্লিষ্টদের নিরব দর্শক কেন, এমন কথাবার্তা অসহায় মানুষের মুখে মুখে। অসহনীয় পণ্যমূল্যের সঙ্গে লড়তে গিয়ে মানুষ ক্লান্ত। এরপরও ঘুম ভাঙ্গছে না সংশ্লিষ্টদের। যেখানে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ১৪৩ টাকা নির্ধারণ করা রয়েছে। সেখানে প্রতি লিটারে ২০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। কাদের কারসাজিতে বাড়লো ভোজ্যতেলের দাম?

গেলো শনিবার ভোজ্যতেলের দাম কতটুকু বেড়েছে তা খতিয়ে দেখতে বাণিজ্য মন্ত্রকের দু’জন কর্মকর্তাকে পাইকারি ডিলার ‘আবুল খায়ের ট্রেডার্স’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে পাঠান। সেখানে প্রথমে প্রতি লিটার খোলা তেলের দাম চাওয়া হয় ১৭৬ টাকা। দর কষাকষির পর তিন টাকা কমিয়ে ১৭৩ টাকায় বিক্রি করতে রাজি হয়।
পরবর্তীতে বাণিজ্য মন্ত্রকের উপসচিব মো. আবুল কালাম আজাদের নেতেৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত বেশ কিছু মজুতকৃত তেলের ড্রাম জব্দ এবং ১ লাখ টাকা জরিমানা করেন।



















