ঢাকা ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন প্রত্যেকটি অন্যায়ের বিচার চাইলে গণতান্ত্রিক সরকার অপরিহার্য, তারেক রহমান গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জন’ দেওয়া হয়েছিল: ডা. এফ এম সিদ্দিকীর গুরুতর অভিযোগ কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ: রংপুরে বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় সমাবেশ ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস: ঋণ-বিবাদে নৃশংসভাবে খুন মা ও কিশোরী মেয়ে

CTG Port : প্রধান সমুদ্র বন্দর দিয়ে আমদানি কমেছে ২.৫%

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৯:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৩ ৩৪৯ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম বন্দর : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর দিয়ে আমদানি কমেছে ২.৫%। করোনা পরবর্তী রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে ডলারের উচ্চমূল্যের কারণে যে সংকট উঁকি দিয়েছে, তারই জেরে আমদানি কমেছে

 

অনলাইন ডেস্ক

দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর দিয়ে আমদানি কমেছে ২.৫%। করোনা পরবর্তী রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে ডলারের উচ্চমূল্যের কারণে যে সংকট উঁকি দিয়েছে, তারই জেরে আমদানি কমেছে।

চট্টগ্রাম বন্দরে টানা সাত বছর কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের যে রেকর্ডটা জ্বল জ্বল করছি, তাতে আঘাত পড়েছে। নেপথ্যের কারণ একটাই ডলার সংকটে আমদানি কমে যাওয়া। তাতে গেল বছর বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিং কমেছে প্রায় আড়াই শতাংশ।

অবশ্য চট্টগ্রাম বন্দর সচিব ওমর ফারুক করোনা পরবর্তী রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে বিশ্ব অর্থনীতি মন্দার কারণে আমদানি-রপ্তানি কমেছে। পাশাপাশি ডলার সংকট এবং বিলাসী পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সব মিলিয়ে আমদানি কমে যাওয়ায় বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিংও কম হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশে আমদানি-রপ্তানি বৃদ্ধি পাওয়ায় গত সাত বছর ধরেই কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের একের পর এক রেকর্ড ভঙ্গ করে আসছিল চট্টগ্রাম বন্দর। করোনা প্রাদুর্ভাব চলাকালীন সময়েও ঊর্ধ্বগতি ছিল এ যাত্রা।

চট্টগ্রাম বন্দর : ছবি সংগ্রহ

অথচ বিগত চট্টগ্রাম বন্দর বিশ্বের ব্যস্ততম বন্দরের সেরা ১০০-এর মধ্যে রয়েছে। আর শিপিং সংক্রান্ত সংবাদমাধ্যম লন্ডনভিত্তিক ‘লয়েডস লিস্টে’র সর্বশেষ তালিকায় ৬৪তম অবস্থানে ছিল চট্টগ্রাম বন্দর।

পরিসংখ্যান বলছে, ২০২১ সালে লয়েডস লিস্টের তালিকায় চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান ছিল ৬৭তম স্থানে। ২০২২ সালে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে ৩১ লাখ ৪২ হাজার ৫০৪ টিইইউএস।

অথচ ২০২১ সালে এ সংখ্যা ছিল ৩২ লাখ ১৪ হাজার ৫৪৮ টিইইউএস। চলতি বছর চট্টগ্রাম বন্দরে অন্যান্য বছরের চেয়ে জাহাজ ভিড়েছে ৪ হাজার ৩৬১টি। যা আগের বছর এ সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ২০৯টি। কিন্তু কনটেইনার হ্যান্ডলিং সংখ্যা কমেছে প্রায় আড়াই শতাংশ।

এর আগে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ২২ লাখ ৬১ হাজার ৩০২ টিইইউএস, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ২৫ লাখ ৪ হাজার ৪৭৬ টিইইউএস, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ২৮ লাখ ৯ হাজার ৩৫৪ টিইইউএস, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ২৯ লাখ ১৯ হাজার ২৩ টিইইউএস, ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৩০ লাখ ৪ হাজার ১৪২ টিইইউএস এবং ২০২০-২১ অর্থবছরে ৩০ লাখ ৯৭ হাজার ২৩৬ টিইইউএস কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে চট্টগ্রাম বন্দরে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

CTG Port : প্রধান সমুদ্র বন্দর দিয়ে আমদানি কমেছে ২.৫%

আপডেট সময় : ০৭:৪৯:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৩

দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর দিয়ে আমদানি কমেছে ২.৫%। করোনা পরবর্তী রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে ডলারের উচ্চমূল্যের কারণে যে সংকট উঁকি দিয়েছে, তারই জেরে আমদানি কমেছে

 

অনলাইন ডেস্ক

দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর দিয়ে আমদানি কমেছে ২.৫%। করোনা পরবর্তী রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে ডলারের উচ্চমূল্যের কারণে যে সংকট উঁকি দিয়েছে, তারই জেরে আমদানি কমেছে।

চট্টগ্রাম বন্দরে টানা সাত বছর কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের যে রেকর্ডটা জ্বল জ্বল করছি, তাতে আঘাত পড়েছে। নেপথ্যের কারণ একটাই ডলার সংকটে আমদানি কমে যাওয়া। তাতে গেল বছর বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিং কমেছে প্রায় আড়াই শতাংশ।

অবশ্য চট্টগ্রাম বন্দর সচিব ওমর ফারুক করোনা পরবর্তী রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে বিশ্ব অর্থনীতি মন্দার কারণে আমদানি-রপ্তানি কমেছে। পাশাপাশি ডলার সংকট এবং বিলাসী পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। সব মিলিয়ে আমদানি কমে যাওয়ায় বন্দরে কনটেইনার হ্যান্ডলিংও কম হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশে আমদানি-রপ্তানি বৃদ্ধি পাওয়ায় গত সাত বছর ধরেই কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের একের পর এক রেকর্ড ভঙ্গ করে আসছিল চট্টগ্রাম বন্দর। করোনা প্রাদুর্ভাব চলাকালীন সময়েও ঊর্ধ্বগতি ছিল এ যাত্রা।

চট্টগ্রাম বন্দর : ছবি সংগ্রহ

অথচ বিগত চট্টগ্রাম বন্দর বিশ্বের ব্যস্ততম বন্দরের সেরা ১০০-এর মধ্যে রয়েছে। আর শিপিং সংক্রান্ত সংবাদমাধ্যম লন্ডনভিত্তিক ‘লয়েডস লিস্টে’র সর্বশেষ তালিকায় ৬৪তম অবস্থানে ছিল চট্টগ্রাম বন্দর।

পরিসংখ্যান বলছে, ২০২১ সালে লয়েডস লিস্টের তালিকায় চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থান ছিল ৬৭তম স্থানে। ২০২২ সালে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে ৩১ লাখ ৪২ হাজার ৫০৪ টিইইউএস।

অথচ ২০২১ সালে এ সংখ্যা ছিল ৩২ লাখ ১৪ হাজার ৫৪৮ টিইইউএস। চলতি বছর চট্টগ্রাম বন্দরে অন্যান্য বছরের চেয়ে জাহাজ ভিড়েছে ৪ হাজার ৩৬১টি। যা আগের বছর এ সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ২০৯টি। কিন্তু কনটেইনার হ্যান্ডলিং সংখ্যা কমেছে প্রায় আড়াই শতাংশ।

এর আগে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ২২ লাখ ৬১ হাজার ৩০২ টিইইউএস, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ২৫ লাখ ৪ হাজার ৪৭৬ টিইইউএস, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ২৮ লাখ ৯ হাজার ৩৫৪ টিইইউএস, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ২৯ লাখ ১৯ হাজার ২৩ টিইইউএস, ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৩০ লাখ ৪ হাজার ১৪২ টিইইউএস এবং ২০২০-২১ অর্থবছরে ৩০ লাখ ৯৭ হাজার ২৩৬ টিইইউএস কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে চট্টগ্রাম বন্দরে।