Crowds of tourists in Kuakata: ‘মুখরিত কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত’
- আপডেট সময় : ০৯:১৪:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ জুলাই ২০২২ ৩০৯ বার পড়া হয়েছে
‘পদ্মাসেতু খুলে দিয়েছে দক্ষিণের ‘সম্ভাবনার দুয়ার’
মুখরিত ‘সাগরকন্যা’ কুয়াকাটা। সূর্যোদয় আর সূর্যাস্তের অপরূপ লীলা দেখতে আসা পর্যটকে এখানের সবগুলো হোটেল-মোটেল কানায়-কানায় পরিপূর্ণ। কোভিড মহামারীর মন্দা কাটিয়ে ব্যবসায় ঘুরে দাঁড়ানোর আশা দেখছেন এখানের ব্যবসায়ীরা। অথচ একমাস আগেও এই কুয়াকাটায় আসতে একদিন চলে যেতো।
পদ্মা সেতুর সুফল
ঢাকা-কুয়াকাটা দূরত্ব প্রায় ৩০০ কিলোমিটার। এখন ঢাকা থেকে কোন বাস যাত্রা করে মাত্র ৬ ঘণ্টার মধ্যেই কুয়াকাটা পৌঁছে যেতে পারছে। পদ্মা সেতু চালুর হওয়ায় এই স্বাচ্ছন্দ যাত্রা সম্ভব হয়েছে। আগে সময় লাগতো ১৪ থেকে ১৫ ঘণ্টা । তারপরও মানুষের সেকি ভোগান্তি! সরাসরি কোন লঞ্চও ছিলো না। যাত্রীদের পটুয়াখালী নেমে প্রাইভেট কারে বা লোকাল বাসে করে সৈকতে পৌছাতে হতো।
পদ্মার সেতু চালু হবার পর সময় সাশ্রয়ী যাতায়তের কারণে কুয়াকাটায় ঝুঁকছে মানুষ। এখানের হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. মোতালেব শরীফের মতে শতাধিক হোটেল-মোটেলে ২০ হাজারের মতো লোকের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। ঈদ পরবর্তী সময়ে অন্তত ৫০ হাজার পর্যটকের সমাগম হওয়ার আশা তাদের।
সৈকতে পর্যটকদের ভিড়
ঈদের তৃতীয় দিন থেকে পর্যটকদের আনাগোনা বাড়তে শুরু করে। রাতে ঢাকাসহ অন্যান্য স্থান থেকে আরও পর্যটক আসছে। এরই মধ্যে হোটেল-মোটেল, কটেজ বুকিং হয়ে গেছে।
কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশের ওসি হাসনাইন পারভেজ মতে পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর এই প্রথম ঈদ। একারণে পর্যটকদের ভীড় বাড়বে, তা মাথায় রেখেই ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন করা হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে স্থানীয় থানা পুলিশও।
বিদেশি অনেক পর্যটকও রয়েছেন। সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা, চিকিৎসক দল, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের একটি টিম মাঠে রয়েছে।



















