ঢাকা ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি ও এপার-ওপার যাতায়তে আয় জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি এখনও তাজা, শহীদ ও আহতরা শুধু সংখ্যার অংশ নয় পোস্টাল ব্যালট নিয়ে পক্ষপাতের অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের সামনে ছাত্রদলের অবস্থান বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন সন্তান হারা মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ যেন হাজারো গুমের শিকার পরিবারের নীরব চিৎকার গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা

Ceramic industry : সম্ভাবনাময় সিরামিক শিল্প, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে হাতছানি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৯:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ এপ্রিল ২০২২ ২৮৪ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বক্তব্য রাখছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি : ছবি বাণিজ্য মন্ত্রক

 দ্রুত বিকশিত হচ্ছে সিরামিক শিল্প, এই শিল্প বর্তমানে অন্যতম সম্ভাবনাময় খাতে পরিণত হয়েছে, দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো সিরামিক শিল্পে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে, যাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রপ্তানিতেও  অবদান প্রচুর’ ‘উন্নতমানের বাংলাদেশের সিরামিক পণ্য বিশ্ব বাজারে বিপুল চাহিদা রয়েছে, রপ্তানি বৃদ্ধিতে সরকার সবধরনের সহযোগিতা দেবে’

আমিনুল হক, ঢাকা 

বাংলাদেশের রপ্তানির ৮০ শতাংশই আসে তৈরি পোষাকখাত থেকে। পাশাপাশি চামড়া, চা, পাটজাত দ্রব্যসহ নানা পণ্য রয়েছে। এবারে রপ্তানিখাতে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের হাতছানি দিচ্ছে বিকাশমান বাংলাদেশের সিরামিক শিল্প। বাংলাদেশের তৈরি উন্নতমানের সিরামিক পণ্যের বিপুল চাহিদা রয়েছে বিশ্ব বাজারে। পণ্যটি রপ্তানি ক্ষেত্রে সবধরনের সহযোগিতা দেবে হাসিনা সরকার। এজন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

 

ঢাকার তারকা হোটেলে বাংলাদেশ সিরামিক ম্যান্যুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের এলডিসি গ্রাজুয়েশনের পরিপ্রেক্ষিতে সিরামিক শিল্প ঃ সম্ভাবনা এবং চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসাবে এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডি’র রিসার্স ডাইরেক্টর ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।

দেশের রপ্তানি বৃদ্ধি করতে পণ্য সংখ্যা বৃদ্ধির বিকল্প নেই উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, তৈরী পোষাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। এ অবস্থায় আসতে আমাদের প্রতিকুল পরিবেশ অতিক্রম করতে হয়েছে। রপ্তানির ক্ষেত্রে একটি খাতের উপর নির্ভর করা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। রপ্তানি পণ্য সংখ্যা বৃদ্ধি করাটাও জরুরি।

সিরামিক তৈজসপত্র

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার তৈরী পোশাকের পাশাপাশি সিরামিক পণ্য, পাট পণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, আইসিটি পণ্য, মেডিকেল পণ্য, প্লাস্টিক পণ্য এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য রপ্তানির উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী প্রতি বছর একটি পণ্যকে প্রোডাক্ট অফ দ্যা ইয়ার ঘোষণা দিয়ে থাকেন। এ বছর তিনি লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্যকে প্রোডাক্ট অফ দ্যা ইয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

সিরামিক পণ্য খুবই সম্ভাবনাময়। বাংলাদেশে প্রায় ৭০টি প্রতিষ্ঠান সিরামিক পণ্য তৈরী করছে। দেশের অভ্যন্তরিক চাহিদা আগের যে কোন সময়ের চেয়ে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বিপুল চাহিদা মিটিয়ে সিরামিক পণ্য বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। এক সময় দেশের চাহিদা মিটাতে সিরামিক পণ্য ব্যাপক ভাবে আমদানি করতে হতো। বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এখন বিশ্বের অনেক উন্নত দেশ বাংলাদেশের সিরামিক পণ্য ব্যবহার করছে। প্রশংসা কুড়িয়েছে বাংলাদেশের পণ্য। বিশ্বে সিরামিক পণ্যের বড় বাজার রয়েছে। যা আমাদের পণ্য রপ্তানি করতে হবে। বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশের সিরামিক পণ্য তুলে ধরতে যা যা প্রয়োজন তার সবটাই করবে সরকার। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ববাজারে রপ্তানি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে করনীয় ঠিক করতে ব্যবসায়ী মহলকে এগিয়ে আসতে হবে।

বাংলাদেশের নান্দনিক তৈজসপত্র

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, বাংলাদেশ এলডিসি গ্রাজুয়েশন করবে ২০২৬ সালে। এর পর আরও তিন বছর এলডিসিভুক্ত দেশের বাণিজ্য সুবিধা ভোগ করার সুযযোগ থাকবে। পরবর্তীতে বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করে বিশ্ববাণিজ্য ক্ষেত্রে টিকে থাকতে হবে। বিভিন্ন দেশের সাথে এফটিএ বা পিটিএ এর মতো চুক্তি স্বাক্ষর করে রপ্তানি বাণিজ্যে এগিয়ে যেতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এধরনের চুক্তি স্বাক্ষরের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন। সাময়িক ভাবে আমাদের জন্য কিছু ক্ষতিকর হলেও দীর্ঘমেয়াদে আমরা এতে বেশি লাভবান হবো। এজন্য এখন থেকে আমাদের তৈরী হতে হবে। বিদেশী দক্ষ জনবলের উপর আমাদের নির্ভরতা কমিয়ে নিজেদের দক্ষ জনশক্তি তৈরী করতে হবে। চুক্তি স্বাক্ষরে ন্যাগোসিয়েশনের বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে হবে।

বাংলাদেশ সিরামিক ম্যান্যুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট এবং সাবেক সংসদ সদস্য মো. সিরাজুল ইসলাম মোল্লার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড টেরিফ কমিশনের চেয়ারম্যান (সবিচ) মো. আফজাল হোসেন, ন্যাশনাল স্কিল ডেভেলপমেন্ট অথরিটির নির্বাহী চেয়ারম্যান (সচিব) দুলাল কৃঞ্চ সাহা, এফবিসিসিআই এর প্রেসিডেন্ট মো. জসিম উদ্দিন, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস-চেয়ারম্যান এ এইচ এম আহসান, আইসিএমএবি’র প্রেসিডেন্ট মো. মামুনুর রশিদ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Ceramic industry : সম্ভাবনাময় সিরামিক শিল্প, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে হাতছানি

আপডেট সময় : ১০:১৯:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ এপ্রিল ২০২২

বক্তব্য রাখছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি : ছবি বাণিজ্য মন্ত্রক

 দ্রুত বিকশিত হচ্ছে সিরামিক শিল্প, এই শিল্প বর্তমানে অন্যতম সম্ভাবনাময় খাতে পরিণত হয়েছে, দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো সিরামিক শিল্পে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে, যাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং রপ্তানিতেও  অবদান প্রচুর’ ‘উন্নতমানের বাংলাদেশের সিরামিক পণ্য বিশ্ব বাজারে বিপুল চাহিদা রয়েছে, রপ্তানি বৃদ্ধিতে সরকার সবধরনের সহযোগিতা দেবে’

আমিনুল হক, ঢাকা 

বাংলাদেশের রপ্তানির ৮০ শতাংশই আসে তৈরি পোষাকখাত থেকে। পাশাপাশি চামড়া, চা, পাটজাত দ্রব্যসহ নানা পণ্য রয়েছে। এবারে রপ্তানিখাতে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের হাতছানি দিচ্ছে বিকাশমান বাংলাদেশের সিরামিক শিল্প। বাংলাদেশের তৈরি উন্নতমানের সিরামিক পণ্যের বিপুল চাহিদা রয়েছে বিশ্ব বাজারে। পণ্যটি রপ্তানি ক্ষেত্রে সবধরনের সহযোগিতা দেবে হাসিনা সরকার। এজন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

 

ঢাকার তারকা হোটেলে বাংলাদেশ সিরামিক ম্যান্যুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত ‘বাংলাদেশের এলডিসি গ্রাজুয়েশনের পরিপ্রেক্ষিতে সিরামিক শিল্প ঃ সম্ভাবনা এবং চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসাবে এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডি’র রিসার্স ডাইরেক্টর ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।

দেশের রপ্তানি বৃদ্ধি করতে পণ্য সংখ্যা বৃদ্ধির বিকল্প নেই উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, তৈরী পোষাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। এ অবস্থায় আসতে আমাদের প্রতিকুল পরিবেশ অতিক্রম করতে হয়েছে। রপ্তানির ক্ষেত্রে একটি খাতের উপর নির্ভর করা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। রপ্তানি পণ্য সংখ্যা বৃদ্ধি করাটাও জরুরি।

সিরামিক তৈজসপত্র

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার তৈরী পোশাকের পাশাপাশি সিরামিক পণ্য, পাট পণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, আইসিটি পণ্য, মেডিকেল পণ্য, প্লাস্টিক পণ্য এবং লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য রপ্তানির উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী প্রতি বছর একটি পণ্যকে প্রোডাক্ট অফ দ্যা ইয়ার ঘোষণা দিয়ে থাকেন। এ বছর তিনি লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্যকে প্রোডাক্ট অফ দ্যা ইয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

সিরামিক পণ্য খুবই সম্ভাবনাময়। বাংলাদেশে প্রায় ৭০টি প্রতিষ্ঠান সিরামিক পণ্য তৈরী করছে। দেশের অভ্যন্তরিক চাহিদা আগের যে কোন সময়ের চেয়ে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বিপুল চাহিদা মিটিয়ে সিরামিক পণ্য বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। এক সময় দেশের চাহিদা মিটাতে সিরামিক পণ্য ব্যাপক ভাবে আমদানি করতে হতো। বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এখন বিশ্বের অনেক উন্নত দেশ বাংলাদেশের সিরামিক পণ্য ব্যবহার করছে। প্রশংসা কুড়িয়েছে বাংলাদেশের পণ্য। বিশ্বে সিরামিক পণ্যের বড় বাজার রয়েছে। যা আমাদের পণ্য রপ্তানি করতে হবে। বিশ্ববাসীর কাছে বাংলাদেশের সিরামিক পণ্য তুলে ধরতে যা যা প্রয়োজন তার সবটাই করবে সরকার। বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্ববাজারে রপ্তানি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে করনীয় ঠিক করতে ব্যবসায়ী মহলকে এগিয়ে আসতে হবে।

বাংলাদেশের নান্দনিক তৈজসপত্র

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, বাংলাদেশ এলডিসি গ্রাজুয়েশন করবে ২০২৬ সালে। এর পর আরও তিন বছর এলডিসিভুক্ত দেশের বাণিজ্য সুবিধা ভোগ করার সুযযোগ থাকবে। পরবর্তীতে বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতা করে বিশ্ববাণিজ্য ক্ষেত্রে টিকে থাকতে হবে। বিভিন্ন দেশের সাথে এফটিএ বা পিটিএ এর মতো চুক্তি স্বাক্ষর করে রপ্তানি বাণিজ্যে এগিয়ে যেতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এধরনের চুক্তি স্বাক্ষরের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন। সাময়িক ভাবে আমাদের জন্য কিছু ক্ষতিকর হলেও দীর্ঘমেয়াদে আমরা এতে বেশি লাভবান হবো। এজন্য এখন থেকে আমাদের তৈরী হতে হবে। বিদেশী দক্ষ জনবলের উপর আমাদের নির্ভরতা কমিয়ে নিজেদের দক্ষ জনশক্তি তৈরী করতে হবে। চুক্তি স্বাক্ষরে ন্যাগোসিয়েশনের বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে হবে।

বাংলাদেশ সিরামিক ম্যান্যুফ্যাকচারার্স এন্ড এক্সপোর্টার্স এ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট এবং সাবেক সংসদ সদস্য মো. সিরাজুল ইসলাম মোল্লার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড টেরিফ কমিশনের চেয়ারম্যান (সবিচ) মো. আফজাল হোসেন, ন্যাশনাল স্কিল ডেভেলপমেন্ট অথরিটির নির্বাহী চেয়ারম্যান (সচিব) দুলাল কৃঞ্চ সাহা, এফবিসিসিআই এর প্রেসিডেন্ট মো. জসিম উদ্দিন, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস-চেয়ারম্যান এ এইচ এম আহসান, আইসিএমএবি’র প্রেসিডেন্ট মো. মামুনুর রশিদ।