Bengali New Year : মুক্তবাতাসে পহেলা বৈশাখের বর্ণাঢ্য আয়োজন
- আপডেট সময় : ০৮:১২:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ এপ্রিল ২০২২ ২৯৭ বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব ছবি
‘জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘নববর্ষের শুভেচ্ছা’ জানালেন আহ্বান স্বাস্থ্যবিধি মানার’
আমিনুল হক, ঢাকা
হাজার বছর ধরে বাঙালির সাংস্কৃতির ঐতিহ্যের সঙ্গে মিশে আছে পহেলা বৈশাখ বাংলানববর্ষ। বিগত দুই বছরের গ্লানি মুছে সবাই যেন আগামীর সুন্দর প্রত্যাশা করতে পারে, তারই বন্দনার সুরে সুরে হলুদ আভা ছড়িয়ে বাংলার আকাশে উঁকি দেবে বর্ষবরণের প্রথম সূর্য। রমনা রটমূলে ছায়ানটের শিল্পীদের শতকণ্ঠে উচ্চারিত হবে ‘এসো হে বৈশাখ এসো এসো’। এযেন প্রাণের আহ্বান।
করোনার শিকলমুক্ত হয়ে বাঙলার রং ছড়িয়ে যাবে আকাশে-বাতাসে। প্রাণের উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠবে লাখো প্রাণ। মঙ্গল শোভাযাত্রায় হাজারো কণ্ঠে উচ্চারিত হবে মানুষের মঙ্গলবারতা। এর নামইতো সম্প্রীতির বাংলাদেশ। যেখানে ধর্ম কোন বাধা নয়। প্রাণের সুরে দু’বাহু বাড়িয়ে সম্মিলিত পথ চলার দেশ বাংলাদেশ। মঙ্গলশোভাযাত্রা ইউনেস্কো স্বীকৃত। দু’বছর যে আবেগ বন্দী হয়েছিলো, পহেলা বৈশাখে তা রং ছড়াবে মুক্ত বাতাসে। রমনাবটমূল, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শাহবাগ বিশাল এলাকা জুড়ে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সকাল থেকে শুরু হয়ে বেলা দুটো পর্যন্ত চলবে বৈশাখের নানা আয়োজন। এবারে বৈশাখে বাংলাদেশে একশ’ কোটি টাকার ফুল বিক্রির টার্গেট নিয়েছে ব্যবসায়ীরা।

রমজান মাস হলেও প্রাণের ছোঁয়ার কোম কমতি থাকবে না সকল আয়োজনে। কতটা সাজানো হলে বাংলায় রং ছড়ায়, ততটাই করা হয়েছে। দু’বছরের পর আয়োজন কেন ঘাটতি থাকবে। উৎসব প্রিয় বাঙলি পান্তা খেতে না পারুক, তাতে কি? মনের আনন্দে বসৃবরণের ছন্দে হেটে বেড়াবে মুক্ত বাতাসে, তাতেই বা কম কিসের।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলা নববর্ষ ১৪২৯ উপলক্ষে আজ এক বাণীতে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে সারা বছরের দুঃখ-জরা, মলিনতা ও ব্যর্থতাকে ভুলে সবাইকে নব-আনন্দে জেগে ওঠার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক ভাষণে বলেছেন, ‘পহেলা বৈশাখ বাঙালির সম্প্রীতির দিন, বাঙালির মহামিলনের দিন। এদিন ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমগ্র জাতি জেগে ওঠে নবপ্রাণে, নব-অঙ্গীকারে। সারা বছরের দুঃখ-জরা, মলিনতা ও ব্যর্থতাকে ভুলে সবাইকে আজ নব-আনন্দে জেগে ওঠার উদাত্ত আহ্বান জানাই।’ যদিও করোনাভাইরাস সংক্রমণে বর্তমান বিশ্ব বিপর্যস্ত। করোনা মহামারির কারণে গত দু’বছর উৎসবপ্রিয় বাঙালি জাতিকে পহেলা বৈশাখ উদযাপন করতে হয়েছে ঘরবন্দি অবস্থায়। আশা করছি এ বছরের পহেলা বৈশাখ আবার আনন্দঘন পরিবেশে উদ্যাপিত হবে।




















