Bangladesh-India-tourist-visa : চালু হলো বাংলাদেশ-ভারত ভ্রমণ ভিসা
- আপডেট সময় : ০৭:২৫:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ মার্চ ২০২২ ২৭৮ বার পড়া হয়েছে
ফাইল ছবি সংগ্রহ
‘পহেলা বৈশাখ থেকে দু’দেশের মধ্যে চালু হতে যাচ্ছে রেলপরিষেবা। এদিন ঢাকা-নিউজলপাইগুড়ির পথে সূচনা হবে মিতালী ট্রেন সার্ভিস, প্রাথমিক অবস্থায় সপ্তাহে দুদিন করে উভয় দিকে চলাচল করবে মিতালী’
বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা
চিনের উহান প্রদেশ থেকে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর সাধারণ মানুষকে রক্ষায় ২০২০ সালের ১৩ মার্চ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলো ভারত। করোনা যেহেতু মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায়, সেহেতু দুনিয়া জুড়েই লকডাউনসহ নানা রকমের প্রতিরোধী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। সম্প্রতি সময়ে করোনায় আক্রান্ত কোন তথ্য নেই বাংলাদেশে। এমন পরিস্থিতিতে ভারত-বাংলাদেশে পর্যটন ভিসা চালু করে। এর আগে সীমিত পরিসরে চিকিৎসা, ব্যবসা এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে ভিসা চালু ছিলো। মঙ্গলবার থেকে পর্যটন ভিসা চালু করায় ভ্রমণ পিপাসুদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।
গত বৃহস্পতিবার ঢাকার ইন্ডিয়া হাউসে ‘মিডিয়া রিসিপশনে’ ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী জানিয়েছিলেন, খুব শিগগির পর্যটন ভিসা চালু করতে যাচ্ছেন তারা। দু’দেশের মধ্যে সরাসরি সড়ক ও ট্রেন পরিষেবা বন্ধ থাকায় স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ১০ গুণ বেশি ভাড়া গুণে বাংলাদেশিরা ভ্রমণ করেছেন। সড়ক পথের পর আসছে বাংলা নববর্ষে হুইসেল বাজবে ট্রেনের। সেই সঙ্গে স্বাভাবিক হবে বিমান ভাড়া। ঢাকাসহ বাংলাদেশের বিভাগীয় শহরগুলোতে ভারতের ১৫টি ভিসা অ্যাপলিকেশন সেন্টার রয়েছে। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে প্রতিবছর একমাত্র বেনাপোল বন্দর দিয়ে প্রায় ১৮ লাখ পাসপোর্টধারী যাত্রী ভারত-বাংলাদেশে যাতায়াত করত।
২০২০ সালের জানুয়ারিতে ঢাকায় নিযুক্ত তৎকালীন ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলী দাস জানিয়েছিলেন, ২০১৯ সালে ১৫ লাখ বাংলাদেশিকে ভারতীয় ভিসা দেওয়া হয়েছিল। যাত্রী সেবা বাড়াতে খুলনা-বেনাপোল-কলকাতা রুটে বন্ধন এবং ঢাকা-কলকাতা, খুলনা-কলকাতা ও ঢাকা-কলকাতা-আগরতলা রুটে একাধিক মৈত্রী বাস চালু করে বাংলাদেশ। ২০২০ সালের ১৩ মার্চ ভারত সরকার বাংলাদেশিদের সব ধরনের ভিসা বাতিলের পর ২৬ মার্চ থেকে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি ট্রেন ও বাস পরিষেবা বন্ধ হয়।
ভারতের কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রকের তথ্যানুযায়ী, ২০১৯ সালে ১ কোটি ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩৫৫ বিদেশি ভারতে ভ্রমণ করেছেন। তার মধ্যে শীর্ষে থাকা বাংলাদেশির সংখ্যা ছিল ২৫ লাখ ৭৭ হাজার ৭২৭ জন। তাদের মধ্যে বেড়াতে আসেন ৭৭ শতাংশ এবং ১৫ দশমিক ৪০ ভাগ চিকিৎসার জন্য। সে বছর ১৫ লাখ বাংলাদেশিদের ভিসা দিয়েছিল ভারত। ভারতে আসা বিদেশিদের ৫৪ শতাংশই ছিল বাংলাদেশি। দ্বিতীয় ইরাক ৯ শতাংশ এবং আফগানিস্তান থেকে ৮ শতাংশ।




















