ঢাকা ০২:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪০২, দুর্ঘটনার শীর্ষে মোটরসাইকেল মতিঝিলে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৭ হাজার ডলার ছিনতাই বাজেট অধিবেশন ৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে, চারদিন দুই বেলা বসবে সংসদ সন্তানহারা পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা: প্রশাসনিক তৎপরতায় দায় স্বীকারে বাধ্য আদ-দ্বীন রামিসা হত্যা মামলার রায়, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রের দৃঢ় অবস্থান বজ্রপাত দেশের বিভিন্ন জেলায় ১১ জনের প্রাণহানি এটি বাংলাদেশের ও গণতন্ত্রের জয় সভাপতি নির্বাচিত হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই, জাতিসংঘের সভাপতি পদে জয়ী হয়ে আশ্বস্ত করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বক্তব্যের জেরে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতার বিরুদ্ধে মামলা আদ-দ্বীনে  ৬ নবজাতকের মৃত্যু: হাসপাতালের অবহেলার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি

Antibiotics : ব্যবস্থাপত্র ছাড়া এন্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধ করতে হবে : শেখ হাসিনা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০০:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ২২২ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক টিমোথি ই ওয়ালশ : সংগৃহীত ছবি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া ওষুধের দোকানে এন্টিবায়োটিক বিক্রি করা হয়ে থাকে। চিকিৎসকের পরামর্শ বা ব্যবস্থা ছাড়া ইচ্ছে করলে যে কোন ব্যক্তি নিজের মতো এন্টিবায়োটিক কিনতে পারেন। এতে করে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এই বিষয়টি বন্ধের ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের যত্রতত্র অ্যান্টিবায়োটিক কিনতে পাওয়া যায় এবং এটা বন্ধ করতে হবে। চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া যাতে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি না হয় এবং ওষুধটির যথাযথ প্রয়োগ হয়, সে হিসেবে ওষুধ দিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ব্যবস্থাপত্র ছাড়া এন্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধ করতে হবে। অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের (এএমআর) ভয়াবহতার কথা উল্লেখ করে এই বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী। চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি করা যাবে না এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে হবে।

রবিবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনিওস ইনস্টিটিউট অব অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রিসার্চের বায়োলজি ডিপার্টমেন্টের পরিচালক অধ্যাপক টিমোথি ই ওয়ালশ। এ সময় বাংলাদেশে অ্যান্টিবায়োটিকের অপপ্রয়োগ বিষয়ে এ কথা বলেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

অ্যান্টিবায়োটিকের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতে তার সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, বাংলাদেশ যাতে যত্রতত্র অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি না হয় চেষ্টা করা হচ্ছে। আগে কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হতো, সেটা এখন বন্ধ করা হয়েছে।

এ সময় অধ্যাপক টিমোথি ই ওয়ালশ বলেন, বর্তমান বিশ্বে অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স-এএমআর মহামারি আকার ধারণ করেছে। এটা এখনই প্রতিরোধ করা না গেলে আগামীতে আরো ভয়াবহ রূপ নেবে এবং লাখ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটাবে।

এএমআর বিষয়ক গ্লোবাল লিডার্স গ্রুপের কো-চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিভিন্ন কাজের প্রশংসা করেন সাক্ষাতে আসা অক্সফোর্ডের এই অধ্যাপক।

জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতাল, হৃদরোগ, বক্ষব্যাধি, ক্যান্সার ও নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের মতো বিশেষায়িত হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠাসহ দেশে স্বাস্থ্য খাতের সার্বিক উন্নয়নে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওষুধের পাশাপাশি সরকার কৃষি, বেসিক সায়েন্স এবং মেডিক্যালসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গবেষণায় বিশেষ জোর দিয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি-উপবৃত্তি দেওয়ার পাশাপাশি উচ্চশিক্ষার জন্য বিশেষ করে পিএইচডি, পোস্ট ডক্টোরাল এবং গবেষণার ক্ষেত্রে ২০০টি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফেলোশিপ দেওয়া হয়।

সাক্ষাতে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অধ্যাপক ইনিওস ইনস্টিটিউট অব অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রিসার্চ থেকে বঙ্গবন্ধু আইওআই ফেলোশিপের অধীনে মেডিক্যাল এবং বেসিক সায়েন্সে গবেষণায় বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদেরকে স্কলারশিপ দেওয়ার প্রস্তাব দেন।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ ধরনের ফেলোশিপ দেওয়ার ক্ষেত্রে নীতিগতভাবে তার সম্মতি দেন। ব্রিটিশ পার্লামেন্টের কোকেসাসের সঙ্গে এএমআর বিষয়ে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের অংশীদারত্বের একটি প্রস্তাবও দেন অধ্যাপক টিমোথি ই ওয়ালশ। এই প্রস্তাবটির বিষয়েও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতিবাচক বিবেচনার কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া ও প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক প্রফেসর ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Antibiotics : ব্যবস্থাপত্র ছাড়া এন্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধ করতে হবে : শেখ হাসিনা

আপডেট সময় : ০৬:০০:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৩

অনলাইন ডেস্ক

চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া ওষুধের দোকানে এন্টিবায়োটিক বিক্রি করা হয়ে থাকে। চিকিৎসকের পরামর্শ বা ব্যবস্থা ছাড়া ইচ্ছে করলে যে কোন ব্যক্তি নিজের মতো এন্টিবায়োটিক কিনতে পারেন। এতে করে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এই বিষয়টি বন্ধের ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের যত্রতত্র অ্যান্টিবায়োটিক কিনতে পাওয়া যায় এবং এটা বন্ধ করতে হবে। চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া যাতে অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি না হয় এবং ওষুধটির যথাযথ প্রয়োগ হয়, সে হিসেবে ওষুধ দিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ব্যবস্থাপত্র ছাড়া এন্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধ করতে হবে। অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের (এএমআর) ভয়াবহতার কথা উল্লেখ করে এই বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী। চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি করা যাবে না এবং এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে হবে।

রবিবার গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনিওস ইনস্টিটিউট অব অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রিসার্চের বায়োলজি ডিপার্টমেন্টের পরিচালক অধ্যাপক টিমোথি ই ওয়ালশ। এ সময় বাংলাদেশে অ্যান্টিবায়োটিকের অপপ্রয়োগ বিষয়ে এ কথা বলেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

অ্যান্টিবায়োটিকের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতে তার সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, বাংলাদেশ যাতে যত্রতত্র অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি না হয় চেষ্টা করা হচ্ছে। আগে কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হতো, সেটা এখন বন্ধ করা হয়েছে।

এ সময় অধ্যাপক টিমোথি ই ওয়ালশ বলেন, বর্তমান বিশ্বে অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স-এএমআর মহামারি আকার ধারণ করেছে। এটা এখনই প্রতিরোধ করা না গেলে আগামীতে আরো ভয়াবহ রূপ নেবে এবং লাখ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটাবে।

এএমআর বিষয়ক গ্লোবাল লিডার্স গ্রুপের কো-চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিভিন্ন কাজের প্রশংসা করেন সাক্ষাতে আসা অক্সফোর্ডের এই অধ্যাপক।

জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতাল, হৃদরোগ, বক্ষব্যাধি, ক্যান্সার ও নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের মতো বিশেষায়িত হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠাসহ দেশে স্বাস্থ্য খাতের সার্বিক উন্নয়নে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওষুধের পাশাপাশি সরকার কৃষি, বেসিক সায়েন্স এবং মেডিক্যালসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গবেষণায় বিশেষ জোর দিয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি-উপবৃত্তি দেওয়ার পাশাপাশি উচ্চশিক্ষার জন্য বিশেষ করে পিএইচডি, পোস্ট ডক্টোরাল এবং গবেষণার ক্ষেত্রে ২০০টি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফেলোশিপ দেওয়া হয়।

সাক্ষাতে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অধ্যাপক ইনিওস ইনস্টিটিউট অব অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রিসার্চ থেকে বঙ্গবন্ধু আইওআই ফেলোশিপের অধীনে মেডিক্যাল এবং বেসিক সায়েন্সে গবেষণায় বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদেরকে স্কলারশিপ দেওয়ার প্রস্তাব দেন।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ ধরনের ফেলোশিপ দেওয়ার ক্ষেত্রে নীতিগতভাবে তার সম্মতি দেন। ব্রিটিশ পার্লামেন্টের কোকেসাসের সঙ্গে এএমআর বিষয়ে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের অংশীদারত্বের একটি প্রস্তাবও দেন অধ্যাপক টিমোথি ই ওয়ালশ। এই প্রস্তাবটির বিষয়েও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতিবাচক বিবেচনার কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া ও প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক প্রফেসর ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।