ঢাকা ০১:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চীনের সঙ্গে গভীরতর শিল্প অংশীদারত্বে আগ্রহী বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যায় লক্ষ্যবস্তু শিশুরা: জাতিসংঘের তদন্ত কমিশন চীন সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিনিয়োগ, কৌশলগত অংশীদারত্ব ও রাজনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত খোলার আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আন্তর্জাতিক বাজারে ইলিশ রপ্তানির সক্ষমতা বাড়ানোর তাগিদ ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণ মালয়েশিয়া ও চীন সফরে বাংলাদেশের কূটনৈতিক অগ্রযাত্রা পলাশীর ইতিহাস বাংলাকে শ্মশানে পরিণত করার ইতিহাস দুর্যোগকবলিত উপকূল সুরক্ষায় জাতীয় বাজেটে বিশেষ বরাদ্দের দাবি সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক স্থগিত

বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৪০:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬ ৪২ বার পড়া হয়েছে

ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং চীনের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি) প্রথমবারের মতো একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। দুই দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

বৃহস্পতিবার সকালে বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক দিয়াওইউতাই স্টেট গেস্টহাউসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষর করা হয়।

বিএনপির পক্ষে দলটির যুগ্ম মহাসচিব (আন্তর্জাতিক সম্পর্ক) এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং চীনের কমিউনিস্ট পার্টির পক্ষে আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইক্সিং সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, এই সমঝোতা দুই দলের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা বিনিময়, নেতৃত্ব উন্নয়ন, নীতিগত সংলাপ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে এটি বাংলাদেশ ও চীনের সামগ্রিক সম্পর্ককে আরও গভীর ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি দিতে অবদান রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত উল্লেখযোগ্য। এছাড়া ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত এবং দুই দেশের কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক পর্যায়ের প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপি ও সিপিসির মধ্যে এই সমঝোতা স্মারক শুধু দলীয় পর্যায়ের যোগাযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রেই নয়, বরং বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের রাজনৈতিক ও কৌশলগত মাত্রাকে আরও সুসংহত করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চলমান চীন সফরের প্রেক্ষাপটে এ সমঝোতাকে দুই দেশের সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

আপডেট সময় : ১০:৪০:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং চীনের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিসি) প্রথমবারের মতো একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। দুই দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

বৃহস্পতিবার সকালে বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক দিয়াওইউতাই স্টেট গেস্টহাউসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষর করা হয়।

বিএনপির পক্ষে দলটির যুগ্ম মহাসচিব (আন্তর্জাতিক সম্পর্ক) এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং চীনের কমিউনিস্ট পার্টির পক্ষে আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইক্সিং সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, এই সমঝোতা দুই দলের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা বিনিময়, নেতৃত্ব উন্নয়ন, নীতিগত সংলাপ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে এটি বাংলাদেশ ও চীনের সামগ্রিক সম্পর্ককে আরও গভীর ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি দিতে অবদান রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত উল্লেখযোগ্য। এছাড়া ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত এবং দুই দেশের কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক পর্যায়ের প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপি ও সিপিসির মধ্যে এই সমঝোতা স্মারক শুধু দলীয় পর্যায়ের যোগাযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রেই নয়, বরং বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের রাজনৈতিক ও কৌশলগত মাত্রাকে আরও সুসংহত করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চলমান চীন সফরের প্রেক্ষাপটে এ সমঝোতাকে দুই দেশের সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।