ঢাকা ০৯:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সফল দেশের স্বীকৃতি ফল উৎপাদনে নতুন উচ্চতায় বাংলাদেশ, বিশ্বে গড়ছে দৃষ্টান্ত দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেইজিং থেকে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুমের শিকার পরিবারের ভাতা বরাদ্দ এই বাজেটেই প্রতিশ্রুতি মির্জা ফখরুলের হামে মৃত্যু ৭০০ ছাড়াল, বাড়ছে উদ্বেগ তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস চীনের: মাহদী আমিন বাংলা কিউআর চালু হলে বদলে যাবে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্প ধ্বংসস্তূপে চাপা শত শত প্রাণ, উদ্ধার ২৩৫ মরদেহ চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক তিয়েনআনমেন চীনের বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর

বাংলাদেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম কমলো

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৪৫:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২০৬ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম কমলো: ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দরপতনের প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারেও। ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য বাংলাদেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২ টাকা কমানো হয়েছে। নতুন এ মূল্য রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকে কার্যকর হবে।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য ওঠানামার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতির আওতায় প্রতি মাসে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা হচ্ছে। সংশোধিত প্রাইসিং ফর্মুলার আলোকে ফেব্রুয়ারি মাসে তুলনামূলক সাশ্রয়ী দামে জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতেই এ মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি মাসে ডিজেলের বিক্রয়মূল্য প্রতি লিটার ১০২ টাকা থেকে কমিয়ে ১০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একইভাবে অকটেনের দাম ১২২ টাকা থেকে কমিয়ে ১২০ টাকা, পেট্রলের দাম ১১৮ টাকা থেকে কমিয়ে ১১৬ টাকা এবং কেরোসিনের দাম ১১৪ টাকা থেকে কমিয়ে ১১২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, জানুয়ারি মাসে দেশে ডিজেল বিক্রি হয়েছে প্রতি লিটার ১০২ টাকায়, অকটেন ১২২ টাকা, পেট্রল ১১৮ টাকা এবং কেরোসিন ১১৪ টাকায়। ফেব্রুয়ারিতে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম একযোগে কমায় ভোক্তা পর্যায়ে স্বস্তি ফিরবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কিছুটা কমেছে। মধ্যপ্রাচ্য ও বৈশ্বিক সরবরাহ পরিস্থিতি তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকায় এবং চাহিদা বৃদ্ধির চাপ কম থাকায় বিশ্ববাজারে তেলের দর নিম্নমুখী রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সরকার স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতির মাধ্যমে দেশে জ্বালানি তেলের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সরকার আশা করছে, জ্বালানি তেলের এই মূল্যহ্রাস পরিবহন ব্যয় ও উৎপাদন খরচ কমাতে সহায়ক হবে এবং সামগ্রিকভাবে বাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ কিছুটা হলেও প্রশমিত করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাংলাদেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম কমলো

আপডেট সময় : ১২:৪৫:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দরপতনের প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারেও। ফেব্রুয়ারি মাসের জন্য বাংলাদেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ২ টাকা কমানো হয়েছে। নতুন এ মূল্য রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) থেকে কার্যকর হবে।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাতে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য ওঠানামার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতির আওতায় প্রতি মাসে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা হচ্ছে। সংশোধিত প্রাইসিং ফর্মুলার আলোকে ফেব্রুয়ারি মাসে তুলনামূলক সাশ্রয়ী দামে জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতেই এ মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারি মাসে ডিজেলের বিক্রয়মূল্য প্রতি লিটার ১০২ টাকা থেকে কমিয়ে ১০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একইভাবে অকটেনের দাম ১২২ টাকা থেকে কমিয়ে ১২০ টাকা, পেট্রলের দাম ১১৮ টাকা থেকে কমিয়ে ১১৬ টাকা এবং কেরোসিনের দাম ১১৪ টাকা থেকে কমিয়ে ১১২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, জানুয়ারি মাসে দেশে ডিজেল বিক্রি হয়েছে প্রতি লিটার ১০২ টাকায়, অকটেন ১২২ টাকা, পেট্রল ১১৮ টাকা এবং কেরোসিন ১১৪ টাকায়। ফেব্রুয়ারিতে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম একযোগে কমায় ভোক্তা পর্যায়ে স্বস্তি ফিরবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম কিছুটা কমেছে। মধ্যপ্রাচ্য ও বৈশ্বিক সরবরাহ পরিস্থিতি তুলনামূলক স্থিতিশীল থাকায় এবং চাহিদা বৃদ্ধির চাপ কম থাকায় বিশ্ববাজারে তেলের দর নিম্নমুখী রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ সরকার স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতির মাধ্যমে দেশে জ্বালানি তেলের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

সরকার আশা করছে, জ্বালানি তেলের এই মূল্যহ্রাস পরিবহন ব্যয় ও উৎপাদন খরচ কমাতে সহায়ক হবে এবং সামগ্রিকভাবে বাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ কিছুটা হলেও প্রশমিত করবে।