ঢাকা ০৬:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কৃষিপণ্যের আমদানি কমিয়ে উৎপাদন  বাড়ানোর তাগিদ  প্রধানমন্ত্রীর সংযুক্ত আরব  আমিরাতে ৪,৮০০ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক রিসেট চায় বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় সফর হওয়া উচিত হুমায়ুন ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফর বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন ভিশন অগ্রাধিকার তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ রামপালের এক ইউনিট বন্ধ বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে অর্ধেক শেরপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযান ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ শেরপুরে ৫ লাখ টাকার ভারতীয় ওষুধের চালান জব্দ ‘আমেরিকানরা যোদ্ধা হলে ইরানের বীর বাহিনীর মুখোমুখি হোক’: পেজেশকিয়ান আসুন এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি’: প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎকেন্দ্রে একের পর এক কারিগরি ত্রুটি, নাশকতার আশঙ্কা রিজভীর

রাষ্ট্র পরিচালনায় সুশাসন ও জবাবদিহি নিশ্চিতের আহ্বান দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৪:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬ ২২০ বার পড়া হয়েছে

ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাষ্ট্র পরিচালনায় সুশাসন, স্বচ্ছতা ও গণতান্ত্রিক জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর যে সরকার গঠিত হবে, তাদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হবে রাষ্ট্রকে জবাবদিহিমূলক ও নাগরিকবান্ধব কাঠামোয় রূপান্তর করা।

মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের কার্নিভাল হলে অনুষ্ঠিত ‘নাগরিক ইশতেহার ২০২৬ : জাতীয় নির্বাচন ও রূপান্তরের প্রত্যাশা’ শীর্ষক খসড়া ইশতেহার উপস্থাপন সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন। প্রাপ্তি ও সংলাপ সহযোগীর সহায়তায় সিপিডি এই সংলাপের আয়োজন করে।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা ছিল বাংলাদেশের জনগণের জন্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার নিশ্চিত করে একটি সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা। জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ, আত্মত্যাগ এবং বৈষম্যবিরোধী আকাঙ্ক্ষাই ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নির্মাণের নৈতিক ভিত্তি তৈরি করেছে। স্বাধীনতার পর সেই চেতনার ধারাবাহিকতায় একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও অংশগ্রহণমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলাই ছিল জাতির অভীষ্ট লক্ষ্য।

তবে তিনি বলেন, পাঁচ দশকের পথচলায় নানা উত্থান-পতন ও আশা-নিরাশার মধ্য দিয়ে দেশ এগোলেও আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন অনেক ক্ষেত্রে অসম ও ভঙ্গুর থেকে গেছে। বিশেষ করে গত দেড় দশকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত হওয়া, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, ক্ষমতার অতিরিক্ত কেন্দ্রীভবন এবং নাগরিক পরিসর সঙ্কুচিত হওয়ার ফলে গভীর শাসন-সংকট তৈরি হয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি স্বাধীন ও কার্যকর বিচার ব্যবস্থা, নিরপেক্ষ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং দক্ষ ও পেশাদার প্রশাসন গড়ে তোলার ওপর জোর দেন। পাশাপাশি বৈষম্যকে একটি কাঠামোগত সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে তার টেকসই আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সমাধানের আহ্বান জানান। তাঁর মতে, এসব সংস্কার ছাড়া একটি ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠন সম্ভব নয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রাষ্ট্র পরিচালনায় সুশাসন ও জবাবদিহি নিশ্চিতের আহ্বান দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের

আপডেট সময় : ০৭:৪৪:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

রাষ্ট্র পরিচালনায় সুশাসন, স্বচ্ছতা ও গণতান্ত্রিক জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর যে সরকার গঠিত হবে, তাদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হবে রাষ্ট্রকে জবাবদিহিমূলক ও নাগরিকবান্ধব কাঠামোয় রূপান্তর করা।

মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের কার্নিভাল হলে অনুষ্ঠিত ‘নাগরিক ইশতেহার ২০২৬ : জাতীয় নির্বাচন ও রূপান্তরের প্রত্যাশা’ শীর্ষক খসড়া ইশতেহার উপস্থাপন সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন। প্রাপ্তি ও সংলাপ সহযোগীর সহায়তায় সিপিডি এই সংলাপের আয়োজন করে।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা ছিল বাংলাদেশের জনগণের জন্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার নিশ্চিত করে একটি সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা। জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ, আত্মত্যাগ এবং বৈষম্যবিরোধী আকাঙ্ক্ষাই ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নির্মাণের নৈতিক ভিত্তি তৈরি করেছে। স্বাধীনতার পর সেই চেতনার ধারাবাহিকতায় একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও অংশগ্রহণমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলাই ছিল জাতির অভীষ্ট লক্ষ্য।

তবে তিনি বলেন, পাঁচ দশকের পথচলায় নানা উত্থান-পতন ও আশা-নিরাশার মধ্য দিয়ে দেশ এগোলেও আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন অনেক ক্ষেত্রে অসম ও ভঙ্গুর থেকে গেছে। বিশেষ করে গত দেড় দশকে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত হওয়া, প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি, ক্ষমতার অতিরিক্ত কেন্দ্রীভবন এবং নাগরিক পরিসর সঙ্কুচিত হওয়ার ফলে গভীর শাসন-সংকট তৈরি হয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি স্বাধীন ও কার্যকর বিচার ব্যবস্থা, নিরপেক্ষ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং দক্ষ ও পেশাদার প্রশাসন গড়ে তোলার ওপর জোর দেন। পাশাপাশি বৈষম্যকে একটি কাঠামোগত সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে তার টেকসই আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সমাধানের আহ্বান জানান। তাঁর মতে, এসব সংস্কার ছাড়া একটি ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠন সম্ভব নয়।