ঢাকা ০২:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চাউলের দাম বৃদ্ধির খবরে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রথানমন্ত্রীর নির্দেশ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে হাই কোর্টের রুল সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দূতাবাসের ঈদযাত্রা ঘিরে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু, টার্মিনাল ও স্টেশনে ভিড় দুবাই ছাড়তে ধনকুবেরদের হুড়োহুড়ি, প্রাইভেট জেটের ভাড়া কয়েক গুণ বৃদ্ধি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে গতি আনতে একমত ঢাকা-দিল্লি চাঁদাবাজি-ছিনতাই দমনে জিরো টলারেন্স: মাঠ পর্যায়ে কঠোর বার্তা আইজিপির কুয়েতে তিন মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত, কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের ‘নাম্বার ওয়ান প্রায়োরিটি’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি জাহানারা আরজু আর নেই

হাসিনাসহ আসামিদের শাস্তি না হলে শহীদদের প্রতি অবিচার হবে: অ্যাটর্নি জেনারেল 

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৬:১৪:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫ ১০৫ বার পড়া হয়েছে

হাসিনাসহ আসামিদের শাস্তি না হলে শহীদদের প্রতি অবিচার হবে: অ্যাটর্নি জেনারেল 

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অন্যান্য আসামিদের শাস্তি না হলে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের প্রতি চরম অবিচার হবে বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ জুলাই-আগস্টে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের মামলায় যুক্তিতর্ক ও সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন,  এই হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায়। শেখ হাসিনাসহ আসামিদের শাস্তি না হলে শহীদ-আহতরা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হবেন।

আজকের যুক্তিতর্কের মধ্য দিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও পুলিশের সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিচার কার্যক্রম শেষ হলো।

এর আগে বুধবার রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন যুক্তিতর্কে দাবি করেন, শেখ হাসিনা ও কামালের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন কোনো অভিযোগই প্রমাণ করতে পারেনি। তিনি বলেন,  শেখ হাসিনা আন্দোলন দমনে মারণাস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ দেননি। সাবেক আইজিপি মামুন দায় এড়াতেই রাজসাক্ষী হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা যায়, গত ৩ আগস্ট এ মামলার বিচার শুরু হয়। ২৮ কার্যদিবসে ৫৪ জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ ও ৬ কার্যদিবস ধরে প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়। শেখ হাসিনা ও কামালের পক্ষে তিন দিনের যুক্তিতর্ক শেষ হয় বুধবার।

মামলায় প্রসিকিউশন জানায়, রায়ে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাশা করছে তারা।

গত ১০ জুলাই শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল ও চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল।

প্রসিকিউশনের আনীত অভিযোগে বলা হয়েছে, জুলাই-আগস্টে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞে মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ রয়েছে। আনুষ্ঠানিক অভিযোগের দলিল ৮ হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার—যার মধ্যে তথ্যসূত্র ২ হাজার ১৮ পৃষ্ঠা, জব্দতালিকা ও প্রমাণাদি ৪ হাজার ৫ পৃষ্ঠা এবং শহীদদের তালিকার বিবরণ ২ হাজার ৭২৪ পৃষ্ঠা। মামলায় সাক্ষী করা হয়েছে ৮১ জনকে।

গত ১২ মে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা চিফ প্রসিকিউটরের কাছে মামলার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দেয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

হাসিনাসহ আসামিদের শাস্তি না হলে শহীদদের প্রতি অবিচার হবে: অ্যাটর্নি জেনারেল 

আপডেট সময় : ০৬:১৪:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অন্যান্য আসামিদের শাস্তি না হলে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের প্রতি চরম অবিচার হবে বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ জুলাই-আগস্টে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের মামলায় যুক্তিতর্ক ও সমাপনী বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন,  এই হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায়। শেখ হাসিনাসহ আসামিদের শাস্তি না হলে শহীদ-আহতরা ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হবেন।

আজকের যুক্তিতর্কের মধ্য দিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও পুলিশের সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিচার কার্যক্রম শেষ হলো।

এর আগে বুধবার রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মো. আমির হোসেন যুক্তিতর্কে দাবি করেন, শেখ হাসিনা ও কামালের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন কোনো অভিযোগই প্রমাণ করতে পারেনি। তিনি বলেন,  শেখ হাসিনা আন্দোলন দমনে মারণাস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ দেননি। সাবেক আইজিপি মামুন দায় এড়াতেই রাজসাক্ষী হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা যায়, গত ৩ আগস্ট এ মামলার বিচার শুরু হয়। ২৮ কার্যদিবসে ৫৪ জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ ও ৬ কার্যদিবস ধরে প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়। শেখ হাসিনা ও কামালের পক্ষে তিন দিনের যুক্তিতর্ক শেষ হয় বুধবার।

মামলায় প্রসিকিউশন জানায়, রায়ে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাশা করছে তারা।

গত ১০ জুলাই শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল ও চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল।

প্রসিকিউশনের আনীত অভিযোগে বলা হয়েছে, জুলাই-আগস্টে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞে মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ রয়েছে। আনুষ্ঠানিক অভিযোগের দলিল ৮ হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার—যার মধ্যে তথ্যসূত্র ২ হাজার ১৮ পৃষ্ঠা, জব্দতালিকা ও প্রমাণাদি ৪ হাজার ৫ পৃষ্ঠা এবং শহীদদের তালিকার বিবরণ ২ হাজার ৭২৪ পৃষ্ঠা। মামলায় সাক্ষী করা হয়েছে ৮১ জনকে।

গত ১২ মে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা চিফ প্রসিকিউটরের কাছে মামলার পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দেয়।