ঢাকা ০১:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
উপসাগরে নতুন উত্তেজনা, ক্ষেপণাস্ত্র হামলা নিয়ে মুখোমুখি ইরান-আমিরাত বাংলাদেশ-কাতার জ্বালানি ও অর্থখাতে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনে সম্মতি কলকাতার হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, শিশুসহ ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু পদত্যাগ করছেন পিএসসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোবাশ্বের ভাগ্যবদলের স্বপ্নে ঘরছাড়া ভূমধ্যসাগরে সলিল সমাধি উদ্যোগ পরিবর্তনের এপ্রিল-মার্চ হচ্ছে নতুন অর্থবছর সমঝোতার মেয়াদ শেষ ইরানকে ‘সাদা পতাকা তুলে আত্মসমর্পণ’ করতে বললেন ট্রাম্প ঘুরে দাঁড়ানোর ছয় মাস “ধ্বংসস্তূপ সামলে অর্থনীতি ও রাষ্ট্রযন্ত্র পুনর্গঠনের পথে সরকার” মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানি করে বছরে ৬ হাজার কোটি টাকার বেশি আয়: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে  ফেরনোর প্রক্রিয়া ভারতের সিদ্ধান্ত : চিফ প্রসিকিউটর

গণভোটের মাধ্যমে হলেও জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দিতে হবে

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:০৯:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৫ ৩০৩ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জুলাই ঘোষণাপত্র ও জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি এবং এর আলোকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর। জামায়াতে ইসলামীর দাবি, গণভোটের মাধ্যমে হলেও জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দিতে হবে।

দেশের মানুষ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দেখতে অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছে। কিন্তু পরিকল্পিত ডিজাইনে ভোটাধিকার হরণের ষড়যন্ত্র হচ্ছে। যারা সংস্কার নিয়ে ধূম্রজাল তৈরি করছে তারাই নির্বাচন নিয়ে টালবাহানা করছে।

দেশের অধিকাংশ মানুষ পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চায় জানিয়ে এই নেতা বলেন, একটি দল পিআর সম্পর্কে জেনেও না জানার ভান করছে। সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত না হলে জামায়াত আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে না বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন নেতারা।

বুধবার ঢাকা মহানগর জামায়াত (উত্তর ও দক্ষিণ) আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের।

তাহের বলেন, এদেশের মানুষ গত ৫৪ বছর কোনো নির্বাচন দেখে নাই। এবার মানুষ আশা করে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। আমরা ইলেকশন চাই, সিলেকশন চাই না।

তিনি বলেন, আমরা বলেছি, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সংস্কার জরুরি। প্রধান উপদেষ্টাও বলেছেন। মাসের পর মাস, সংস্কার কমিশন করে আমাদের প্রচুর সময় নিয়েছেন, ব্রেইন স্টর্মিং হয়েছে। সবকিছুতে ঐকমত্য হওয়ার পর তারা বলছেন? এটার কোনো আইনি ভিত্তি নাই। আইনি ভিত্তি যদি না থাকে তাহলে সংস্কার কী হয়েছে?

জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, ঈমানের তিন স্তর। ঐকমত্য পোষণ, আইনি মর্যাদা প্রদান ও কার্যকরকরণ! সরকার মুখেই মানছে, বাকি দুটিতে মানে নাই। তাহলে কি ঈমান আনছে? সংস্কার হইছে? হয় নাই। অথচ সংস্কার জরুরি এটা তো সরকারই বলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

গণভোটের মাধ্যমে হলেও জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দিতে হবে

আপডেট সময় : ০৮:০৯:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৫

জুলাই ঘোষণাপত্র ও জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি এবং এর আলোকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর। জামায়াতে ইসলামীর দাবি, গণভোটের মাধ্যমে হলেও জুলাই সনদকে আইনি ভিত্তি দিতে হবে।

দেশের মানুষ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দেখতে অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছে। কিন্তু পরিকল্পিত ডিজাইনে ভোটাধিকার হরণের ষড়যন্ত্র হচ্ছে। যারা সংস্কার নিয়ে ধূম্রজাল তৈরি করছে তারাই নির্বাচন নিয়ে টালবাহানা করছে।

দেশের অধিকাংশ মানুষ পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চায় জানিয়ে এই নেতা বলেন, একটি দল পিআর সম্পর্কে জেনেও না জানার ভান করছে। সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত না হলে জামায়াত আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে না বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন নেতারা।

বুধবার ঢাকা মহানগর জামায়াত (উত্তর ও দক্ষিণ) আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের।

তাহের বলেন, এদেশের মানুষ গত ৫৪ বছর কোনো নির্বাচন দেখে নাই। এবার মানুষ আশা করে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। আমরা ইলেকশন চাই, সিলেকশন চাই না।

তিনি বলেন, আমরা বলেছি, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সংস্কার জরুরি। প্রধান উপদেষ্টাও বলেছেন। মাসের পর মাস, সংস্কার কমিশন করে আমাদের প্রচুর সময় নিয়েছেন, ব্রেইন স্টর্মিং হয়েছে। সবকিছুতে ঐকমত্য হওয়ার পর তারা বলছেন? এটার কোনো আইনি ভিত্তি নাই। আইনি ভিত্তি যদি না থাকে তাহলে সংস্কার কী হয়েছে?

জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, ঈমানের তিন স্তর। ঐকমত্য পোষণ, আইনি মর্যাদা প্রদান ও কার্যকরকরণ! সরকার মুখেই মানছে, বাকি দুটিতে মানে নাই। তাহলে কি ঈমান আনছে? সংস্কার হইছে? হয় নাই। অথচ সংস্কার জরুরি এটা তো সরকারই বলছে।