গুলির নির্দেশদাতা সেই দুই উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার
- আপডেট সময় : ০৮:২৩:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৫ ২০২ বার পড়া হয়েছে
আন্দোলন দমাতে পুলিশকে সরাসরি গুলি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম
গত বছরের জুলাই মাসে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে উত্তাল হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। এক পর্যায়ে এটি ছাত্র-জনতার আন্দোলনে রূপ নেয়। ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলন দমাতে গুলির নির্দেশ তৎকালীন হাসিনা সরকার।
এরই ধারাবাহিকতায় ২৪’র ১৮ জুলাই ঢাকার পার্শ্ববর্তী জেলা নরসিংদীতে আন্দোলনকারীদের ওপর নির্বিচার গুলি চালায় পুলিশ। গুলিবিদ্ধ হয়ে শিক্ষার্থী তাহমিদ ভুঁইয়া নিহত হয়।
পুলিশের গুলিতে তাহমিদ নিহত হওয়ার পর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে জেলার সাধারণ মানুষ। তারা মরদেহ নিয়ে মিছিল বের করলে ফের গুলি চালায় পুলিশ। সে সময় গুলিতে আরও একজন নিহত হন। জুলাই আন্দোলনে নরসিংদী জেলাতেই নিহত হয়েছেন প্রায় ২০ জন। আর আহতর তালিকায় হাজারেরও বেশি মানুষ।
ছাত্র-জনতার আন্দোলন নরসিংদীতে গুলি চালানোর নির্দেশ দেওয়া সহকারী কমিশনার সাইফুল ইসলাম ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অনির্বাণ চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দু’জনকে আদালতে হাজির করা হয়ে, তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
প্রসিকিউশন সূত্রের খবর, পুলিশকে সরাসরি গুলি করার নির্দেশ দিয়েছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বিষয়ে জানান, গুলির নির্দেশ দেওয়ার সঙ্গে জড়িত কয়েকজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে চিহ্নিত করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জুলাই গণহত্যায় এখন পর্যন্ত ২২ মামলায় ১৪১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এরমধ্যে গ্রেপ্তার হয়েছে মাত্র ৫৪ জন। যাদের অধিকাংশই পুলিশ সদস্য।
চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, তদন্ত রিপোর্টে বিভিন্ন পেশার আসামিদের চিত্র ওঠে আসবে।



















