ঢাকা ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কাগজে নদীর সংখ্যা বাড়ছে নদী রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় সংকট সাশ্রয়ী আবাসন অর্থায়নে বাংলাদেশকে ১০ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি শেরপুর সীমান্তে ভারতীয় সাবান-মদ জব্দ বিজিবির গরু আটক নিয়ে চাঞ্চল্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের সমাধান কেবল কূটনীতিতেই: ইরান চুরির অভিযোগে খুঁটিতে বাঁধা বাবা, চা-রুটি খাইয়ে দিচ্ছিল ৯ বছরের মেয়ে জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী বিরাজলক্ষী ঘোষের কবিতা ‘ঈশ্বরের সাথে মেঘের মাঝে’ সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী আয়ুর্বেদে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ  গবেষণা কেন্দ্র গঠনের প্রস্তাব এখনও ডিজেলে লোকসান লিটারে ৭০ টাকা : রিজভী

সঞ্জয় দেওয়ানের কবিতা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০৭:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ জুন ২০২৪ ৪৩২ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

গুপ্ত দেহবাঁক

তোমার জলরঙা আবরণের গহীনে গুপ্ত দেহবাঁকে নিঃসঙ্গ পথিক

পথ হারায়; ভুলে যায় আনাজপাতি, দেহকলা কিংবা গার্হস্থ্য স্তবক।

তোমার জলধোয়া দেহের দহলিজে সন্ধ্যাদীপ জ্বলে ওঠে; কালের

পথিক খোল পাল্টায় সংরাগে; গিলে ফেলে গন্ধম এক কোষ জলে!

তোমার দেহফুলের জহরে জড়ভরত বিভ্রমে ডুবে যায় ইঁদারার জলে;

বিচ্ছেদের কামলিপি মূর্ত হয় সময়ের শিথানে।

 

উয়ারী বটেশ্বর

খুঁড়ো নগর কিংবা নারী

খুঁজে পাবে সীমান্তের গোপন সুড়ঙ্গ

খুঁজে পাবে বিষ্ণুপট্ট,ধাবমান অশ্ব

নদী কিংবা নারীর প্রণয় মাপো

রৌপ্যমুদ্রার বাটখারায়!

পাথরের শিলে আঁকো বিলুপ্ত নদীর চোরাস্রোতের কোলাজ!

বল্লম,বাটালি কিংবা লৌহকুঠারাঘাতে

ফিরিয়ে আনো বিচূর্ণ সময়।

নদী কিংবা নারীর তলদেশে ডুব দাও

পেতে পারো ত্রিরত্ন, রেলিক কাসকিট কিংবা বিরহী পোড়ামাটির কিন্নর।

নারী কিংবা নগরীর পিছনে ছুটো

থেমো না শরীরের অববাহিকায়।

তোমার স্বপ্ন বিকিয়ে দিও না আশি টাকা সের দরে উয়ারী বটেশ্বরে!

 

সঞ্জয় দেওয়ান

(কবিতা লেখকের মতিষ্কের প্রশান্তি। কবিতার চাষাবাস একটা কঠিন তপস্যার কাজ। ধ্যানমগ্ন জগতের বাসিন্দার মতোই কবিতাকে মনেপ্রাণে লালন করে পথ চলার ব্যতিক্রম তো রয়েছেই। ইচ্ছে করলেই তো আর কবিতা লেখা যায় না। এর জন্য চাই সঠিক ভাবনার স্বাধীনতা।

সঞ্জয় বাবু তথা সঞ্জয় দেওয়ানকে প্রথমবার যেদিন দেখলাম, সেদিনই মনে হয়েছিলো ভদ্রলোক কথার ফাঁকে ফাঁকে কি যেন ভাবেন। একবার ভাবছিলাম জিজ্ঞেস করবো। কিন্তু পরিচয়ের দু’দিনের মাথায় মানুসিক সায় মেলেনি বলে জিজ্ঞেস করিনি।

আরও দু’দিন পর আলাপ-চারিতায় কাছাকাছি হতেই আমরা ভাবনা পরিষ্কার, তিনি লেখেন এবং সমৃদ্ধ লেখা। লেখার জন্য নিজেকে সময় দিয়ে থাকেন। হুট হাট করেই লিখে ফেলেন না। ভাবনা-চিন্তার পর লিখেন। সঞ্জয় বাবুর সবচেয়ে বড় গুণ হচ্ছে, তিনি অভিঙ্গবাদী।

যতদূর জানা যায়, কবিতাকে মেমোরেবল স্পিচ বলেছেন ইংরেজ কবি অডেন। আর কবি জীবনানন্দ দাশ কবিতাকে কল্পনাপ্রতিভার মহত্তম অভিব্যক্তি অখ্যায়িত করেছেন। আর স্যান্ডবার্গ-এর মতে কবিতা হচ্ছে প্রতিধ্বনি।)

 

 

 

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :