ঢাকা ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে বড় সাফল্য বাংলাদেশে ৯.২১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহ ১১ চীনা প্রতিষ্ঠানের জামালপুর জিরো লাইনে ভারতীয়দের মাটি কাটার চেষ্টা, বাংলাদেশিদের বাধা মাদক পাচারে বদির জায়গা কে নিয়েছে? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে গয়েশ্বর রায়ের প্রশ্ন ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্প ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা হাজারো স্বপ্ন, উদ্ধার ১,৪৩০ মরদেহ সফল দেশের স্বীকৃতি ফল উৎপাদনে নতুন উচ্চতায় বাংলাদেশ, বিশ্বে গড়ছে দৃষ্টান্ত দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেইজিং থেকে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুমের শিকার পরিবারের ভাতা বরাদ্দ এই বাজেটেই প্রতিশ্রুতি মির্জা ফখরুলের হামে মৃত্যু ৭০০ ছাড়াল, বাড়ছে উদ্বেগ তিস্তা প্রকল্প বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস চীনের: মাহদী আমিন

‘চলতে হবে বিশ্বপথে সবার সাথে সমান তালে’ : শেখ হাসিনা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৪:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৪ ২৬০ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলার অন্তর্গত ঊনশিয়া গ্রামে। এটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নির্বাচনি প্রচারণার শেষ দিনে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন শেখ হাসিনা।

এসময় প্রগতিশীল চেতনার কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘উদয়াচল আহবান’ ‘চলতে হবে বিশ্বপথে সবার সাথে সমান তালে’ কবিতার কিছু অংশ

আবৃত্তি করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০১৮ সালে একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিপুলভোটে বিজয়ী হয়ে আওয়ামী লীগ ’৭৫-পরবর্তী সময়ে চতুর্থবারের মতো

সরকার গঠন করে অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে বর্তমান সংসদ মেয়াদ শেষ করতে যাচ্ছে।

এসময় শেখ হাসিনা বলেন, চলার পথে যদি কোন ভুল-ভ্রান্তি করে থাকি, তাহলে আপনারা ক্ষমাসুন্দর চোখে দেখবেন এটাই আমার

আবেদন। আবার সরকার গঠন করতে পারলে, ভুলগুলি শোধরাবার সুযোগ পাব। ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে ‘নৌকা’ মার্কায় ভোট দিয়ে আপনাদের

সেবা করার সুযোগ চান শেখ হাসিনা।

সাধারণ মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে আপনাদের সেবা করার সুযোগ

দিয়েছেন। দীর্ঘ চলার পথে যতটুকু অর্জন, তার সবটুকুই আপনাদের অবদান। আপনাদের সহযোগিতা ছাড়া এ অর্জন করা সম্ভব হতো না।

৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। গণতন্ত্র ও আইনের শাসনে বিশ্বাসী রাজনৈতিক দলসমূহ এবং প্রতিষ্ঠানের প্রতি অনুরোধ,

সাংবিধানিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হয় এমন কোনো উদ্ভট ধারণাকে প্রশ্রয় দেবেন না এবং ইন্ধন যোগাবেন না। আমরা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ

নির্বাচন প্রত্যাশা করছি।

২০০৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত টানা তার সরকারের অগ্রগতি চিত্রটা তুলে ধরেন শেখ হাসিনা।

প্রবৃদ্ধি ৭.২৫ শতাংশ, মাথাপিছু আয় ৫ গুণ বৃদ্ধি। বাজেটের আকার ১২ গুণ বৃদ্ধি। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ১৩ গুণ বৃদ্ধি। জিডিপির আকার ১২ গুণ বৃদ্ধি। বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ ৩৬ গুণ বৃদ্ধি। রফতানি আয় ৫ গুণ বৃদ্ধি। বার্ষিক রেমিট্যান্স ৬ গুণ বৃদ্ধি। বৈদেশিক বিনিয়োগ এফডিআই ৫ গুণ বৃদ্ধি।

বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৮ গুণ বৃদ্ধি। বিদ্যুৎ সুবিধা ভোগের হার ২৮ শতাংশ থেকে ১০০ শতাংশ বৃদ্ধি। সাক্ষরতার হার ৭৬.৮ শতাংশ বৃদ্ধি। কারিগরি শিক্ষা ২২ গুণ বৃদ্ধি। দানাদার শস্য উৎপাদন ৪ গুণ বৃদ্ধি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

‘চলতে হবে বিশ্বপথে সবার সাথে সমান তালে’ : শেখ হাসিনা

আপডেট সময় : ০৯:৪৪:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৪

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা

সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈতৃক বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলার অন্তর্গত ঊনশিয়া গ্রামে। এটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নির্বাচনি প্রচারণার শেষ দিনে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন শেখ হাসিনা।

এসময় প্রগতিশীল চেতনার কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘উদয়াচল আহবান’ ‘চলতে হবে বিশ্বপথে সবার সাথে সমান তালে’ কবিতার কিছু অংশ

আবৃত্তি করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০১৮ সালে একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিপুলভোটে বিজয়ী হয়ে আওয়ামী লীগ ’৭৫-পরবর্তী সময়ে চতুর্থবারের মতো

সরকার গঠন করে অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে বর্তমান সংসদ মেয়াদ শেষ করতে যাচ্ছে।

এসময় শেখ হাসিনা বলেন, চলার পথে যদি কোন ভুল-ভ্রান্তি করে থাকি, তাহলে আপনারা ক্ষমাসুন্দর চোখে দেখবেন এটাই আমার

আবেদন। আবার সরকার গঠন করতে পারলে, ভুলগুলি শোধরাবার সুযোগ পাব। ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে ‘নৌকা’ মার্কায় ভোট দিয়ে আপনাদের

সেবা করার সুযোগ চান শেখ হাসিনা।

সাধারণ মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে আওয়ামী লীগকে আপনাদের সেবা করার সুযোগ

দিয়েছেন। দীর্ঘ চলার পথে যতটুকু অর্জন, তার সবটুকুই আপনাদের অবদান। আপনাদের সহযোগিতা ছাড়া এ অর্জন করা সম্ভব হতো না।

৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। গণতন্ত্র ও আইনের শাসনে বিশ্বাসী রাজনৈতিক দলসমূহ এবং প্রতিষ্ঠানের প্রতি অনুরোধ,

সাংবিধানিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হয় এমন কোনো উদ্ভট ধারণাকে প্রশ্রয় দেবেন না এবং ইন্ধন যোগাবেন না। আমরা একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ

নির্বাচন প্রত্যাশা করছি।

২০০৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত টানা তার সরকারের অগ্রগতি চিত্রটা তুলে ধরেন শেখ হাসিনা।

প্রবৃদ্ধি ৭.২৫ শতাংশ, মাথাপিছু আয় ৫ গুণ বৃদ্ধি। বাজেটের আকার ১২ গুণ বৃদ্ধি। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ১৩ গুণ বৃদ্ধি। জিডিপির আকার ১২ গুণ বৃদ্ধি। বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ ৩৬ গুণ বৃদ্ধি। রফতানি আয় ৫ গুণ বৃদ্ধি। বার্ষিক রেমিট্যান্স ৬ গুণ বৃদ্ধি। বৈদেশিক বিনিয়োগ এফডিআই ৫ গুণ বৃদ্ধি।

বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৮ গুণ বৃদ্ধি। বিদ্যুৎ সুবিধা ভোগের হার ২৮ শতাংশ থেকে ১০০ শতাংশ বৃদ্ধি। সাক্ষরতার হার ৭৬.৮ শতাংশ বৃদ্ধি। কারিগরি শিক্ষা ২২ গুণ বৃদ্ধি। দানাদার শস্য উৎপাদন ৪ গুণ বৃদ্ধি।