ঢাকা ১১:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভারতের হাসপাতালে ভয়াবহ আগুন, ৩ নবজাতকের মৃত্যু পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হুমায়ুন কবির ও শামা ওবায়েদের দায়িত্ব বণ্টন ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মার্কিন নিষেধাজ্ঞার হুমকির জবাবে তেল রপ্তানি বন্ধের হুঁশিয়ারি ইরানের জবানবন্দি গ্রহণে গুরুতর ত্রুটি ১৬ বছর পর উচ্চ আদালতের পদক্ষেপ বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মানুষের সঙ্গে সরকারের সম্পর্ক দৃঢ় করাই তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব : তথ্যমন্ত্রী নৌ ও বিমানবাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বুড়িগঙ্গায় বর্ণাঢ্য নৌকা বাইচ ঐতিহ্যের রঙে মুখর রাজধানী

সাত সেপ্টেম্বর ও ‘সোদপুর শ্রুতিচর্চা’

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪২:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ অক্টোবর ২০২৩ ৩৯১ বার পড়া হয়েছে

সোদপুর শ্রুতির্চ্চার বছরপূর্তী আয়োজনে উপস্থিত সংস্কৃতিসেবীদের একাংশ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনিরুদ্ধ

লালনের বছর পেরুলো। সাত সেপ্টেম্বর দিন গাঁথা থাকবে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে। ভাবনাটা সংস্কৃতি লালন ও প্রসারের। বিনা বাক্যে এই বক্তব্যের সঙ্গে এক মত। কারণ, বর্তমান ছুটে চলার দিনে মানুষ নিজেকে রক্ষায় এতোটাই ব্যস্ত, সেখানে সাংস্কৃতিক অঙ্গণে আয়েসী অংশ গ্রহণটা আগের মতো নেই। সময় কেড়ে নিয়েছে। তবে, রাস্তায় ধূলো-ময়লা আর আবর্জনার কমতি নেই, পরিবেশের বালাই নেই, পশ্চাদপদ ভাবনার প্রতিযোগিতার অভাব নেই। এমন পরিস্থিতিতে ডামাঢোল না পিটিয়েও যে সংস্কৃতি চর্চায় আত্ম নিয়োগ করা যায়, তার প্রমাণ ‘সোদপুর শ্রুতিচর্চা’র বছরপূর্তী আয়োজন।

সোদপুর লোকসংস্কৃতি ভবনে সেদিন বেশ ভালোই জমেছিল। প্রতিথযশা সংগীত শিল্পী শ্রীমতি মলি ভৌমিক, বিশিষ্ট বাচিক শিল্পী এবং প্রাচীন কন্ঠের কর্ণধার শ্রীযুক্ত সন্দীপ ঘোষ, আবৃত্তি শিল্পী, নাট্যকর্মী, সাহিত্য প্রেমী এবং বিশিষ্ট অভিনেতা ও নাট্যকর্মী শ্রীযুক্ত পরান বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুযোগ্য ছাত্র শ্রীযুক্ত শিব শংকর চক্রবর্তী, বিশিষ্ট সঞ্চালিকা এবং কবি ও সাহিত্যক শ্রীমতি কৃষ্ণকলি কৃষ্ণার উপস্থিত ‘সোদপুর শ্রুতিচর্চা’র আয়োজন সমৃদ্ধ করেছে।

বিভিন্ন সংস্কৃতিক দলের শিল্পীদের অংশ গ্রহণে প্রাণবন্ত অনুষ্ঠান উভোগ করেন সংস্কৃতিবান্ধব মানুষ।

একটা লম্বা পথ পেরিয়ে আসা একজন মানুষ প্রাণের স্পন্দন দিয়ে ‘সোদপুর শ্রুতিচর্চা’কে বহন করে চলেছেন। উদীয়মান এই নববিক্ষটি একদিন বড় হবে, যার ছায়ায় দু’দন্ড বসে তৃপ্তি নিয়ে যাবেন সাংস্কৃতিক ভুবনের বাসিন্দরা। সেই প্রত্যাশায় অবিরাম ছুটে চলছেন এর প্রতিষ্ঠাতা। সংস্কৃতিক র্চ্চায় হাজারো সংগঠন কাজ করে চলেছে। তাদের কাছ থেকে অনুপ্রেরণায় তাকে শক্তি যোগায়। তবে, তিনি নিজস্ব ভাবনায় শক্তভাবে পা ফেলে এগিয়ে যাচ্ছেন। গতানুগতিক ভাবনায় তিনি নন। ভাবেন সংস্কৃতি চর্চ্চা কঠিন কাজ, চেষ্টা করছি মাত্র। তবে, তিনি যে ভালো কিছু করার এবং সংস্কৃতি বিকাশে নিবেদিত, সে বিষয়ে সন্দেহ নেই।

এমন বক্তব্য উপস্থাপন করে ‘সোদপুর শ্রুতিচর্চা’র প্রতিষ্ঠাতা গীতা চক্রবর্তী বলেন, আমি কাজ করার চেষ্টা করছি মাত্র। আমার ভেতরের প্রবল ইচ্ছে শক্তিটাকে লালন করছি। সেই তাগিদ থেকেই ‘সোদপুর শ্রুতিচর্চা’র জন্ম। যার বছর পূর্তী হয়ে গেলো সাত সেপ্টেম্বর। দিন আবেগের, এই দিন আমার জীবনের একটি প্রত্যাশার স্মারক এবং সেই সঙ্গে নিজেকে সমৃদ্ধ করার প্রচেষ্টা।

গীতি দেবীর ভাষায়, গঠনমূলক সমালোচনাও একটি সংস্কৃতি। দায়িত্বশীল সমালোচনা কিন্তু একটা সংস্কৃতি। তাতে সংস্কৃতি অঙ্গনের বিকাশের পাশাপাশি গ্রহণযোগ্যতা ততটা বাড়বে, সমৃদ্ধ হবে আমাদের সমাজ। গঠনমূলক সমালোচনা অভাবেই সমাজে নানা অঙ্গতি বাড়ে। সুস্থ সমাজ প্রতিষ্ঠায় গঠনমূলক সমালোচনার ক্ষেত্রে অবশ্যই দায়িত্বশীল হতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সাত সেপ্টেম্বর ও ‘সোদপুর শ্রুতিচর্চা’

আপডেট সময় : ০৩:৪২:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ অক্টোবর ২০২৩

অনিরুদ্ধ

লালনের বছর পেরুলো। সাত সেপ্টেম্বর দিন গাঁথা থাকবে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে। ভাবনাটা সংস্কৃতি লালন ও প্রসারের। বিনা বাক্যে এই বক্তব্যের সঙ্গে এক মত। কারণ, বর্তমান ছুটে চলার দিনে মানুষ নিজেকে রক্ষায় এতোটাই ব্যস্ত, সেখানে সাংস্কৃতিক অঙ্গণে আয়েসী অংশ গ্রহণটা আগের মতো নেই। সময় কেড়ে নিয়েছে। তবে, রাস্তায় ধূলো-ময়লা আর আবর্জনার কমতি নেই, পরিবেশের বালাই নেই, পশ্চাদপদ ভাবনার প্রতিযোগিতার অভাব নেই। এমন পরিস্থিতিতে ডামাঢোল না পিটিয়েও যে সংস্কৃতি চর্চায় আত্ম নিয়োগ করা যায়, তার প্রমাণ ‘সোদপুর শ্রুতিচর্চা’র বছরপূর্তী আয়োজন।

সোদপুর লোকসংস্কৃতি ভবনে সেদিন বেশ ভালোই জমেছিল। প্রতিথযশা সংগীত শিল্পী শ্রীমতি মলি ভৌমিক, বিশিষ্ট বাচিক শিল্পী এবং প্রাচীন কন্ঠের কর্ণধার শ্রীযুক্ত সন্দীপ ঘোষ, আবৃত্তি শিল্পী, নাট্যকর্মী, সাহিত্য প্রেমী এবং বিশিষ্ট অভিনেতা ও নাট্যকর্মী শ্রীযুক্ত পরান বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুযোগ্য ছাত্র শ্রীযুক্ত শিব শংকর চক্রবর্তী, বিশিষ্ট সঞ্চালিকা এবং কবি ও সাহিত্যক শ্রীমতি কৃষ্ণকলি কৃষ্ণার উপস্থিত ‘সোদপুর শ্রুতিচর্চা’র আয়োজন সমৃদ্ধ করেছে।

বিভিন্ন সংস্কৃতিক দলের শিল্পীদের অংশ গ্রহণে প্রাণবন্ত অনুষ্ঠান উভোগ করেন সংস্কৃতিবান্ধব মানুষ।

একটা লম্বা পথ পেরিয়ে আসা একজন মানুষ প্রাণের স্পন্দন দিয়ে ‘সোদপুর শ্রুতিচর্চা’কে বহন করে চলেছেন। উদীয়মান এই নববিক্ষটি একদিন বড় হবে, যার ছায়ায় দু’দন্ড বসে তৃপ্তি নিয়ে যাবেন সাংস্কৃতিক ভুবনের বাসিন্দরা। সেই প্রত্যাশায় অবিরাম ছুটে চলছেন এর প্রতিষ্ঠাতা। সংস্কৃতিক র্চ্চায় হাজারো সংগঠন কাজ করে চলেছে। তাদের কাছ থেকে অনুপ্রেরণায় তাকে শক্তি যোগায়। তবে, তিনি নিজস্ব ভাবনায় শক্তভাবে পা ফেলে এগিয়ে যাচ্ছেন। গতানুগতিক ভাবনায় তিনি নন। ভাবেন সংস্কৃতি চর্চ্চা কঠিন কাজ, চেষ্টা করছি মাত্র। তবে, তিনি যে ভালো কিছু করার এবং সংস্কৃতি বিকাশে নিবেদিত, সে বিষয়ে সন্দেহ নেই।

এমন বক্তব্য উপস্থাপন করে ‘সোদপুর শ্রুতিচর্চা’র প্রতিষ্ঠাতা গীতা চক্রবর্তী বলেন, আমি কাজ করার চেষ্টা করছি মাত্র। আমার ভেতরের প্রবল ইচ্ছে শক্তিটাকে লালন করছি। সেই তাগিদ থেকেই ‘সোদপুর শ্রুতিচর্চা’র জন্ম। যার বছর পূর্তী হয়ে গেলো সাত সেপ্টেম্বর। দিন আবেগের, এই দিন আমার জীবনের একটি প্রত্যাশার স্মারক এবং সেই সঙ্গে নিজেকে সমৃদ্ধ করার প্রচেষ্টা।

গীতি দেবীর ভাষায়, গঠনমূলক সমালোচনাও একটি সংস্কৃতি। দায়িত্বশীল সমালোচনা কিন্তু একটা সংস্কৃতি। তাতে সংস্কৃতি অঙ্গনের বিকাশের পাশাপাশি গ্রহণযোগ্যতা ততটা বাড়বে, সমৃদ্ধ হবে আমাদের সমাজ। গঠনমূলক সমালোচনা অভাবেই সমাজে নানা অঙ্গতি বাড়ে। সুস্থ সমাজ প্রতিষ্ঠায় গঠনমূলক সমালোচনার ক্ষেত্রে অবশ্যই দায়িত্বশীল হতে হবে।