Trial of 195 members of Pakistan Army : পাকিস্তান বাহিনীর ১৯৫ সদস্যের বিচার চেয়ে ১০০ দেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কাছে চিঠি
- আপডেট সময় : ০৯:৪২:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুলাই ২০২৩ ৪৮৪ বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
মুক্তিযুদ্ধকালীন গণহত্যা চালানো পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীর ১৯৫ যুদ্ধাপরাধীর বিচারের চেয়ে, হাজার শিশুর স্বাক্ষরিত চিঠি জাতিসংঘের মহাসচিবসহ ১০০টি দেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কাছে পাঠিয়েছে বাংলাদেশের শিশুরা।
পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের রাজনীতিবিদ, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ও আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের সকল বিচারকের কাছেও এ চিঠি পাঠানো হয়েছে।
শনিবার ঢাকায় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের উন্মুক্ত মঞ্চে ঘাসফুল শিশু-কিশোর সংগঠনের তরফে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো যায়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠতা ও কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি হাসান আব্দুল্লাহ বিপ্লব। তিনি বলেন, ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভুট্টোর মধ্যে সম্পাদিত সিমলা চুক্তির অধীনে পাকিস্তান ১৯৫ জন শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে দায়বদ্ধ।
যদি তারা না করে তবে যেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের মাধ্যমে তা সম্পন্ন করে। চিঠির সাথে ঘাসফুল বাংলাদেশে পাকিস্তান বাহিনীর নৃশংস গণহত্যা, ভয়াবহ নারী নির্যাতন, শিশু মুক্তিযোদ্ধাদের বিরত্বগাঁথা সম্বলিত একটি স্মরণিকাও বিশ্ব নেতৃবৃন্দের কাছে পাঠানো হয়েছে।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সভাপতি, পর্তুগালের রাষ্ট্রপতি, লাটভিয়ার রাষ্ট্রপতিসহ বেশ কয়েকটি দেশের সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে এ বিষয়ে ই-মেইল এসেছে। মেইলে তারা জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও তাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ নিয়ে কাজ করছেন।
আগামী ২৮ জুলাই স্বাক্ষরকারী ২০০ ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র তুলে দেব। কারণ এ দাবি বাস্তবায়নে সরকারকেই উদ্যোগ নিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের পক্ষ থেকে ১৯৫ জন শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করতে পাকিস্তানকে বাধ্য করা, গণহত্যা শুরুর কাল রাত্রি ২৫ মার্চকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা ও পাকিস্তানের কাছ থেকে বাংলাদেশের আর্থিক পাওনা আদায়ের ব্যবস্থা করারও দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সূচনা বক্তব্য রাখেন জুবায়ের আলম। বিশ্ব নেতৃবৃন্দের কাছে পাঠানো চিঠি পড়ে শোনায় শিশু শিক্ষার্থী সালসাবিলা পশতু, রায়াত ও দিব্য। এ ছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আবুল ফারুক গালিব, হাবিবুর রহমান ও চিঠিতে স্বাক্ষরকারী শিশুরা।



















