বুদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপনের মহাআয়োজন ঢাকায়
- আপডেট সময় : ০৮:২০:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ মে ২০২৩ ২৭৩ বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
‘জগতের সকল প্রাণী সুখী হোক’ এ অহিংস বাণীর প্রচারক গৌতম বুদ্ধের আবির্ভাব, বোধিপ্রাপ্তি আর মহাপরিনির্বাণের স্মৃতি বিজড়িত দিনটিকে বুদ্ধ পূর্ণিমা হিসাবে পালন করে আসছেন বুদ্ধভক্তরা।
বৃহস্পতিবার বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা দেশব্যাপী ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দিনটি উৎযাপন করবেন।
বৌদ্ধ ধর্ম মতে, আজ থেকে প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে এ দিনে মহামতি গৌতম বুদ্ধ আবির্ভূত হয়েছিলেন।
তার জন্ম, বোধিলাভ ও মহাপ্রয়াণ বৈশাখী পূর্ণিমার দিনে হয়েছিল বলে নাম দেওয়া হয় ‘বুদ্ধ পূর্ণিমা’।
অতিমারির কারণে দুই বছর দিনটি উৎসবের মধ্যদিয়ে উদযাপন করা সম্ভব হয়নি। এবার মুক্ত পরিবেশে বৌদ্ধ সম্প্রদায় তাদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বুদ্ধ পূর্ণিমা সাড়ম্বরে উদযাপন করবেন। দিনটি উপলক্ষ্যে দেশজুড়ে বিভিন্ন বৌদ্ধবিহারে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
ঢাকার বাসাবো ধর্মরাজিক বৌদ্ধ মহাবিহারে পৌছেই দেখা গেল মহাআয়োজন চলছে। বুদ্ধপূজা ও শীলগ্রহণ, পিণ্ড দান, ভিক্ষু সংঘের প্রাতরাশসহ বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে দিনটি পালন করা হবে।
বৈশাখের পূর্ণিমা তিথিতে এই পূণ্যোৎসবে বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারীরা স্নান করেন, শুচিবস্ত্র পরিধান করে মন্দিরে মন্দিরে বুদ্ধের বন্দনায় রত থাকেন। অর্চনার পাশাপাশি তারা পঞ্চশীল, অষ্টশীল, সূত্রপাঠ, সূত্রশ্রবণ, সমবেত প্রার্থনা করেন। এদিন সরকারি ছুটি।
প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তারা বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের মৈত্রীময় শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
প্রেসিডেন্ট মো. সাহাবুদ্দিন বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ‘বুদ্ধ পূর্ণিমা’ উপলক্ষে এদিন বিকেলে বঙ্গভবনের ক্রিডেনশিয়াল হলে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সদস্যদের জন্য এক সংবর্ধনার আয়োজন করেছেন।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈ সিং, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান এবং বঙ্গভবনের সংশ্লিষ্ট সচিবগণ এ সময় উপস্থিত থাকবেন। এই আয়োজনে আট শতাধিক আমন্ত্রিত অতিথিসহ প্রায় ১ হাজার ৬০০ অধিক লোক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।
যেখানে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ, বিদেশী কূটনীতিক এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত বিদেশী মিশনের প্রধানগণ ও উপস্থিত থাকবেন।



















