বাংলা নববর্ষের মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রস্তুতি
- আপডেট সময় : ০৫:৩৪:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ এপ্রিল ২০২৩ ২৬৫ বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
করোনার দাপটে দুই বছর উৎসবের রঙ ছিল ফিকে। এবারে সেই শঙ্কা নেই। বসন্ত উৎসব বলে দিয়েছে, মুক্ত পরিবেশে বাঙালি কতটা উৎসব প্রিয়। এবারের বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখে ঢাকার ঐতিহ্যবাহী আয়োজন আগেভাগেই সে কথা জানান দিয়েছে।
আগামী ১৪ এপ্রিল যথারীতি পহেলা বৈশাখ ‘শুভ বাংলা নববর্ষ’। আয়োজনকে সমৃদ্ধ করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউশনের শিক্ষার্থীরা নেমে পড়েছেন মঙ্গল শোভাযাত্রার উপকরণ তৈরিতে।
চারুকলার ছায়াঘেরা পরিবেশে পা রাখতেই চোখে পড়ে তাদের ব্যস্ততা। কেউ লক্ষী সরায় মুখোশ আঁকছেতো কেউ কাগজের মুখোশসহ নানা উপকরণ তৈরীতে ব্যস্ত। ছবি আঁকা, শিল্পকর্ম তৈরিতে ব্যস্ত আয়োজকরা। তার পাশেই চলছে মঙ্গল শোভাযাত্রায় প্রদর্শনীর জন্য বিভিন্ন মুখোশ, পেঁচা, ঘোড়া, মূর্তি, ট্যাপা পুতুল, নকশি পাখি, বিভিন্ন প্রাণীর প্রতিকৃতি।
কবিগুরু ভাষায় ‘বরিষ ধরা-মাঝে শান্তির বারি’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে চলছে মঙ্গল শোভাযাত্রা ১৪৩০ বঙ্গাব্দের প্রস্তুতি। প্রতিবারের মতো এবারও সপ্তাহ দুই হাতে রেখে শুরু হয়েছে মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন।
উৎসবপ্রিয় বাঙালির প্রাণের উৎসব বাংলা বর্ষবরণ। প্রতিবছর বাংলা বছরের প্রথম দিনটিকে বরণ করে নিতে বাঙালিরা মুখিয়ে থাকে। বছরের প্রথম দিন সকালে সারা বছরের মঙ্গল কামনায় মঙ্গল শোভাযাত্রা বের করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলা অনুষদ।
প্রতিবছর শোভাযাত্রার আয়োজনের দায়িত্বে থাকে চারুকলা অনুষদের দুটি ব্যাচ। এ বছর দায়িত্বে আছে অনুষদের ২৪ ও ২৫তম ব্যাচ। এই আয়োজনের জন্য কোনও স্পনসর গ্রহণ করে না কর্তৃপক্ষ। অনুষদের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে কর্মশালায় আঁকা ছবি ও বিভিন্ন শিল্পকর্ম বিক্রি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে আর্থিক অনুদানের আয়োজন করা হয় এই মঙ্গল শোভাযাত্রায়।
চারুকলার শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন নিজেদের ক্লাস, পরীক্ষার ফাঁকে দুপুর আড়াইটা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে এই প্রদর্শনী ও আঁকার কাজ। বাঙালির ইতিহাস স্বীকৃত এই ঐতিহাসিক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পেরে আনন্দিত তারা।



















