Chin gang-Abdul Momen meeting : ঢাকায় ছিন গ্যাংক-আবদুল মোমেন বৈঠক
- আপডেট সময় : ০৯:৩৯:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৩ ২৮৯ বার পড়া হয়েছে
বিমানবন্দরের চীনের বিদেশমন্ত্রী ছিন গ্যাংয়কে স্বাগত জানানবিমানবন্দরের চীনের বিদেশমন্ত্রী ছিন গ্যাংয়কে স্বাগত জানান বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন : ছবি বিদেশ মন্ত্রকের সৌজন্যে
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
ঢাকায় বৈঠক করলেন চীনের বিদেশমন্ত্রী ছিন গ্যাংক ও বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের ভিভিআইপি লাউঞ্জে বৈঠককালে চীনের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকারের দেওয়ার কথা থাকলেও দীর্ঘদিনে সেই সুবিধা পাচ্ছে না বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা। এ নিয়ে বেইজিংয়ের ঘোষণা চায় ঢাকা।
পদ্মাসেতুসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে চীনের সহযোগিতা, চীনের প্রেসিডেন্ট সি পিংয়ের বাংলাদেশ সফরের সময় অর্থ সহায়তার বেশ কিছু চুক্তি সই হলে তা বাস্তবায়ন হয়নি, রোহিঙ্গাসহ একাধিক ইস্যু নিয়ে কথা বৈঠকে আলোচনা হয় দুই বিদেশমন্ত্রী। এসময় দুই বিদেশমন্ত্রী ঢাকা-চীন সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়।
ইথিওপিয়াসহ আফ্রিকার পাঁচটি দেশ সফরে যাওয়ার পথে চীনের বিদেশমন্ত্রী মঙ্গলবার ভোররাত দুইটা নাগাদ ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রাবিরতি করেন। চীনের নতুন বিদেশমন্ত্রী ছিন গ্যাংকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

সম্প্রতি চীনের বিদেশমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে চীনের সাবেক রাষ্ট্রদূত ছিন গ্যাং। বৈঠক শেষে রাত ২টা ৫০ মিনিটে আফ্রিকার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন ছিন গ্যাং। বৈঠক শেষে ড. মোমেন সাংবাদিকদের বলেন, আমরা এক চায়নায় বিশ্বাস করি। এটা আমাদের মূলনীতি। এটা আমাদের বিদেশনীতি। আমাদের সবাইকে নিয়েই চলতে হয়। সুতরাং আমরা চীনকে টাইম টু টাইম সাপোর্ট দেবো। ড. মোমেন বলেন, বাংলাদেশকে করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়ায় চীনকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।
এর আগে চীনের সাবেক বিদেশমন্ত্রী ওয়াং উয়ি ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে আফ্রিকা যাওয়ার পথে ঢাকায় কয়েক ঘণ্টার যাত্রাবিরতি করেছিলেন। সেবার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানিয়েছিলেন বাংলাদেশের সাবেক বিদেশসচিব মো. শহীদুল হক।
২০১৬ সালের অক্টোবরে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের ঐতিহাসিক সফরের পর সেবার ঢাকায় যাত্রাবিরতি করেছিলেন চীনের তৎকালীন বিদেশমন্ত্রী। সেসময় চীনের প্রেসিডেন্টের সফরে নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্তের বিষয়ে আলোচনা করেছিলেন।


















