ঢাকা ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন প্রত্যেকটি অন্যায়ের বিচার চাইলে গণতান্ত্রিক সরকার অপরিহার্য, তারেক রহমান গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জন’ দেওয়া হয়েছিল: ডা. এফ এম সিদ্দিকীর গুরুতর অভিযোগ কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ: রংপুরে বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় সমাবেশ ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস: ঋণ-বিবাদে নৃশংসভাবে খুন মা ও কিশোরী মেয়ে

Rice smuggling : সোয়া কোটি টাকার চাল পাচারের ঘটনায় কর্মকর্তা গ্রেফতার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৮:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২২ ২৬৭ বার পড়া হয়েছে

সরকারী গুদামে চাল : িফাইল ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অনলাইন ডেস্ক

মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার আড়পাড়া সরকারি খাদ্য গুদাম থেকে প্রায় সোয়া কোটি টাকা মূল্যের ১৩০ মেট্রিক টন চাল পাচারের অভিযোগে শফিকুর রহমান নামে এক কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গুদামের চাল পাচার বিক্রি করে ফেলতেন তিনি।

অবশেষে শুক্রবার তাকে গ্রেফতারের পর ৫৪ ধারায় আদালতে তোলা হয়। শালিখা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সালমা চৌধুরী বাদী হয়ে শফিকুরের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এ ঘটনা তদন্ত করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

জানা গিয়েছে, গত নভেম্বরের শেষ দিকে আড়পাড়া সরকারি খাদ্য গুদাম থেকে সরকারি চাল পাচারের শঙ্কা দেখা দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে মাগুরা জেলা ভারপ্রাপ্ত খাদ্য নিয়ন্ত্রক মনোতোষ কুমার মজুমদার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তদন্ত চলাকালে প্রাথমিকভাবে কমপক্ষে ১৩০ মেট্রিক টন চাল পাচারের বিষয়টি নিশ্চিত হন তিনি।

খাদ্য বিভাগ সূত্রের খবর, শালিখা খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা শফিকুর রহমান উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সালমা চৌধুরী যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরেই সরকারি চাল পাচার করে খোলা বাজারে বিক্রি করে আসছিলেন। বিষয়গুলো ধামাচাপা দিতেন সালমা চৌধুরী।

প্রতি ১৫ দিন পর পর গুদাম পরিদর্শন করার নিয়ম থাকলেও উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক গুদাম পরিদর্শন না করেই স্টক রেজিস্ট্রারে সই করে দিতেন। গত ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত খাদ্যের মজুদ ঠিক রয়েছে বলেও সই করেন।

এসব ঘটনা এক পর্যায়ে উর্ধতন কর্তাদের কানে এলে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গুদামটি সিলগালা করে দেন। মাগুরা জেলা প্রশাসনের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, কুষ্টিয়ার জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, ঝিনাইদহ সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, খুলনা আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের একজন রসায়নবিদকে সদস্য করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন হয়।

এ বিষয়ে মাগুরা জেলার ভারপ্রাপ্ত খাদ্য নিয়ন্ত্রক মনোতোষ কুমার মজুমদার সংবাদমাধ্যমকে জানান, তদন্তে জড়িতরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

Rice smuggling : সোয়া কোটি টাকার চাল পাচারের ঘটনায় কর্মকর্তা গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৯:৪৮:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২২

অনলাইন ডেস্ক

মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার আড়পাড়া সরকারি খাদ্য গুদাম থেকে প্রায় সোয়া কোটি টাকা মূল্যের ১৩০ মেট্রিক টন চাল পাচারের অভিযোগে শফিকুর রহমান নামে এক কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গুদামের চাল পাচার বিক্রি করে ফেলতেন তিনি।

অবশেষে শুক্রবার তাকে গ্রেফতারের পর ৫৪ ধারায় আদালতে তোলা হয়। শালিখা উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সালমা চৌধুরী বাদী হয়ে শফিকুরের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। এ ঘটনা তদন্ত করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

জানা গিয়েছে, গত নভেম্বরের শেষ দিকে আড়পাড়া সরকারি খাদ্য গুদাম থেকে সরকারি চাল পাচারের শঙ্কা দেখা দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে মাগুরা জেলা ভারপ্রাপ্ত খাদ্য নিয়ন্ত্রক মনোতোষ কুমার মজুমদার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তদন্ত চলাকালে প্রাথমিকভাবে কমপক্ষে ১৩০ মেট্রিক টন চাল পাচারের বিষয়টি নিশ্চিত হন তিনি।

খাদ্য বিভাগ সূত্রের খবর, শালিখা খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা শফিকুর রহমান উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সালমা চৌধুরী যোগসাজশে দীর্ঘদিন ধরেই সরকারি চাল পাচার করে খোলা বাজারে বিক্রি করে আসছিলেন। বিষয়গুলো ধামাচাপা দিতেন সালমা চৌধুরী।

প্রতি ১৫ দিন পর পর গুদাম পরিদর্শন করার নিয়ম থাকলেও উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক গুদাম পরিদর্শন না করেই স্টক রেজিস্ট্রারে সই করে দিতেন। গত ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত খাদ্যের মজুদ ঠিক রয়েছে বলেও সই করেন।

এসব ঘটনা এক পর্যায়ে উর্ধতন কর্তাদের কানে এলে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গুদামটি সিলগালা করে দেন। মাগুরা জেলা প্রশাসনের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, কুষ্টিয়ার জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, ঝিনাইদহ সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, খুলনা আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের একজন রসায়নবিদকে সদস্য করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন হয়।

এ বিষয়ে মাগুরা জেলার ভারপ্রাপ্ত খাদ্য নিয়ন্ত্রক মনোতোষ কুমার মজুমদার সংবাদমাধ্যমকে জানান, তদন্তে জড়িতরা দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পাবে।