Popa fish : এক পোপা মাছ বিক্রি আড়াই লাখ টাকা
- আপডেট সময় : ০৮:৩১:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ ৫৯৯ বার পড়া হয়েছে
এক পোপা মাছ বিক্রি আড়াই লাখ টাকা, পোপা মাছের পেটের ভেতরে থাকা বায়ুথলি (এয়ার ব্লাডার) দিয়ে বিশেষ ধরনের সার্জিক্যাল সুতা তৈরি করা হয় বলে এই মাছের চড়া দাম’
পদ্মায় ২৫ কেজির বিপন্ন বাগাড় মাছ
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
২ লাখ ৬০ হাজারে বিক্রি হয়েছে ৩৩ কেজি ওজনের একটি পোপা মাছ। কক্সবাজারের ফিশারিঘাটের এক মাছ ব্যবসায়ী এটি কিনে নেন। টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের মিস্ত্রিপাড়া ফিশারিঘাটে মাছটির দাম হাঁকা হয়েছিল ১০ লাখ টাকা। এক ব্যবসায়ী তখন পাঁচ লাখ টাকায় কিনতে চাইলেও বেশি দামের ট্রলারমালিক বিক্রি করেননি। কিন্তু মাছটি নারী প্রজাতির হওয়ায় আশানুরূপ দাম পাননি।
মাছটি পুরুষ প্রজাতির হলে কমপক্ষে ৮-১০ লাখ টাকায় বিক্রি সম্ভব হত বলে মন্তব্য টেকনাফ উপজেলার জ্যেষ্ঠ মৎস্য আধিকারিকের। পুরুষ পোপা মাছের বায়ুথলি বেশ মূল্যবান। কিন্তু নারী প্রজাতির বায়ুথলি ছোট ও পাতলা হয়, তাই দাম কম। পোপা মাছের বায়ুথলি দিয়ে বিশেষ ধরনের সার্জিক্যাল সুতা তৈরি করা যায় বলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই মাছের চাহিদা আছে।
পদ্মায় ২৫ কেজির বিপন্ন বাগাড়
প্রতি কেজি ১ হাজার ৩০০ টাকা দরে ৩২ হাজার ৫০০ টাকায় মাছটি কেনেন দৌলতদিয়া ঘাটের এক মাছ ব্যবসায়ী। রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে ২৫ কেজি ওজনের একটি বিপন্ন বাগাড় মাছ ধরা পড়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে মানিকগঞ্জের জাফরগঞ্জ এলাকার জেলে সোনাই হালদারের জালে মাছটি ধরা পড়ে। পরে ৩২ হাজার ৫০০ টাকায় ঘাটের এক ব্যবসায়ীর কাছে মাছটি বিক্রি করেন তিনি।
স্থানীয় মৎস্যজীবীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অন্য জেলেদের মতো আজ সকালে পদ্মা নদীতে নিজের সঙ্গীদের নিয়ে মাছ ধরতে যান সোনাই হালদার। দৌলতদিয়ার ফেরিঘাট এলাকায় জাল ফেলে ভাটির দিকে প্রায় ২০ কিলোমিটার যাওয়ার পর জাল তোলা শুরু করেন তাঁরা। এ সময় জালে টান লাগলে তাঁরা বুঝতে পারেন বড় কোনো মাছ আটকা পড়েছে। পরে তোলার পর ২৫ কেজি ওজনের বাগাড় মাছটি দেখতে পান। মাছটিকে দৌলতদিয়া ঘাটে আনেন জেলেরা। সেখানে মো. চান্দু মোল্লা নামের স্থানীয় এক মাছ ব্যবসায়ী মাছটি কেনেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, ২০২২ সালের জানুয়ারিতে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের তফসিলে বাগাড় মাছকে বিপন্ন প্রাণী হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়। এদিকে বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী বিপন্ন প্রাণী ধরা বা কেনাবেচা দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘের লাল তালিকায় রয়েছে বাগাড় মাছ।

সাড়ে ১৮ কেজি ওজনের কাতলা
ফেনী নদীর চর খোন্দকার জেলেপাড়ায় জালে ধরা পড়ে সাড়ে ১৮ কেজি ওজনের একটি বিশাল কাতলা মাছ। মাছটি বৃহস্পতিবার উপজেলার চর খোন্দকার জেলেপাড়ার আড়ত থেকে ৭৫০ টাকা কেজি দরে ১৩ হাজার ৯৫০ টাকায় কিনে নিয়েছেন স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী মো. সেন্টু।
স্থানীয় আড়তদার মো. পিয়াসের আড়তে মাছটি নিলামে তোলা হলে অন্য ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তিনিও অংশ নেন। একপর্যায়ে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে তিনি ৭৫০ টাকা কেজি দরে কাতলাটি ১৩ হাজার ৯৫০ টাকায় কিনে নেন। মাছটি জেলেপাড়ার জয়নাল আবেদীনের জালে ধরা পড়েছে।
বড় ফেনী নদীর শেষ প্রান্তে বঙ্গোপসাগরের মোহনায় অবস্থান করে নদীতে জাল ফেলেন। দুই দফায় ৩০-৪০ কেজি ইলিশসহ ছোট ছোট কিছু মাছ শিকার করেন বৃহস্পতিবার দুপুর নাগাদ কাতলা মাছটি ধরা পড়ে।



















