Mongla port : মোংলা থেকে ভারতের প্রথম পণ্যচালান পৌছালো মেঘালয়ে
- আপডেট সময় : ০৬:০৭:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ অগাস্ট ২০২২ ২৬৬ বার পড়া হয়েছে
সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দরে আনুষ্ঠানিকতায় যোগ দেন সিলেটে ভারতের সহকারী হাইকমিশনার ও গৌয়াহাটিতে বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনার
বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা
ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলে পণ্যপরিহনে নবদিগন্তের সূচনা হলো। নানা সমস্যায় পিছিয়ে গেলেও এখন আর সেব বাধা থাকছে না। ভারত থেকে জলপথে মোংলা বন্দরে আসা পণ্য বাংলাদেশের ওপর দিয়ে পদ্ম সেতু হয়ে সহজেই পৌছে যাবে আসাম-মেঘালয় ও অন্যান্য রাজ্যগুলোতে। তাতে করে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য পাবে উত্তরপূর্ব রাজ্যের বাসিন্দারা। তারই সূচনা হলো বুধবার।
মোংলা বন্দর ব্যবহার করে ভারতের প্রথম পণ্যচালান গেল মেঘালয়ে। দুপুরে তামাবিল স্থলবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে পণ্যবোঝাই লরিটি মেঘালয়ের পথে ছেড়ে যায়। এর আগে সোমবার মোংলা বন্দর থেকে কনটেইনারবাহী লরিটি পদ্মাসেতু হয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দরে পৌঁছে। বুধবার সিলেটে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার এন. কে. জয়সওয়াল এবং গুয়াহাটিতে বাংলাদেশ মিশনের সহকারী হাইকমিশনার এস এম তারভীর মনসুর এবং কাস্টমস কমিশনার আকবর হোসেনের উপস্থিতে পণ্যবাহী লরিটি ডাউকি সীমান্ত দিয়ে মেঘালয়ের পথে ছেড়ে যায়।

ক্লিয়ারিং এজেন্ট ‘মহানগর ফরেন এজেন্সি প্রাইভেট লিমিটেডে’র কর্ণধার মো. রফিক সরকার জানান, গুয়াহাটির বাংলাদেশ মিশনের সহকারী হাইকমিশনার এবং সিলেটের ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার তামাবিল স্থলবন্দরে সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে যোগ দেন। অনুষ্ঠানিকতা শেষে মেঘালয় থেকে আসা লরিটি তামাবিল স্থলবন্দরে প্রবেশ করে। পন্যলোডিং লরিটি যাত্রার আগে ‘বিজিবি ডকস্কোয়াড’ দিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। এর মধ্য দিয়ে মোংলা বন্দর দিয়ে সড়ক পথে ভারতের উত্তরপূর্ব রাজ্যগুলোতে পণ্যপরিবহনের দুয়ার উন্মক্ত হলো।
চলতি আগস্ট মাসেই নির্ধারিত ৮টি রুটে ট্রায়ালরান সম্পন্ন করবে ভারত। বাংলাদেশ-ভারত চুক্তি অনুযায়ী চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করে ২০২০ সালে ট্রয়াল রানে পণ্য আনা হয়েছিলো ত্রিপুরা ও আসামে। এরপর কেটে গেছে দুই বছর।

অ্যাগ্রিমেন্ট অন দ্য ইউজ অব চট্টগ্রাম অ্যান্ড মোংলা পোর্ট ফর মুভমেন্ট অব গুডস টু অ্যান্ড ফ্রম ইন্ডিয়া (এসিএমপি) চুক্তির আওতায় উত্তরপূর্ব ভারতে এই ট্রায়াল রান শুরু হলো। চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে পণ্য সরবরাহ করতে দুই দেশের মধ্যে ২০১৮ সালের অক্টোবরে চুক্তি হয়। ভারত-বাংলাদেশ প্রটোকল রুটে অভ্যন্তরীণ নৌপথ ব্যবহার করে ব্যবসায়িক গতি বাড়ানোর লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাতে দুই দেশের অর্থনীতি ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে আরও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।



















