ঢাকা ১১:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চাউলের দাম বৃদ্ধির খবরে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রথানমন্ত্রীর নির্দেশ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে হাই কোর্টের রুল সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দূতাবাসের ঈদযাত্রা ঘিরে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু, টার্মিনাল ও স্টেশনে ভিড় দুবাই ছাড়তে ধনকুবেরদের হুড়োহুড়ি, প্রাইভেট জেটের ভাড়া কয়েক গুণ বৃদ্ধি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে গতি আনতে একমত ঢাকা-দিল্লি চাঁদাবাজি-ছিনতাই দমনে জিরো টলারেন্স: মাঠ পর্যায়ে কঠোর বার্তা আইজিপির কুয়েতে তিন মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত, কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের ‘নাম্বার ওয়ান প্রায়োরিটি’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি জাহানারা আরজু আর নেই

99 percent duty free in China : চীনে ৯৯ শতাংশ শুল্কমুক্ত রফতানির সুযোগ ঢাকার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫৯:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ অগাস্ট ২০২২ ৩৩১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি বিদেশমন্ত্রকের সৌজন্যে

 

ঢাকা-বেইজিং ৪টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মরক সই হয়

 

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা

চীনের বাজারে ৯৯ শতাংশ পণ্য শুল্কমুক্ত রফতানি সুবিধার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে চীন। ১ সেপ্টেম্বর থেকে তা কার্যকর হবে। ঢাকা সফরকালে দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীর দ্বীপাক্ষিক বৈঠকে ৪টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মরক সই হয়। রবিবার সকাল সাড়ে ৭টায় ঢাকার একটি তারকা হোটেলে চীনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই এবং বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাত চীনা বিদেশমন্ত্রীর

চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকের মধ্যে রয়েছে, পিরোজপুরে অষ্টম বাংলাদেশ-চায়না মৈত্রী সেতুর হস্তান্তর সনদ, দুর্যোগ মোকাবিলা সহায়তার জন্য পাঁচ বছর মেয়াদি সমঝোতা স্মারকের নবায়ন, ২০২২-২৭ মেয়াদে সাংস্কৃতিক সহযোগিতা সমঝোতা স্মারকের নবায়ন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও চীনের ফার্স্ট ইনস্টিটিউট অব ওশেনোগ্রাফির মধ্যে মেরিন সায়েন্স নিয়ে সমঝোতা স্মারক। করোনা মহামারিতে চীন থেকে দেশে এসে বাংলাদেশের অন্তত ৫ হাজার শিক্ষার্থী আটকা পড়েছে।

বাংলাদেশ-চীনা চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই

আগামী কয়েকদিনের মধ্যে তারা চীনে ফিরতে পারবেন। চীনা দূতাবাস ভিসা দিতে শুরু করেছে। দুই বিদেশমন্ত্রীর ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বিষয়ের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক ইস্যু গুরুত্ব পেয়েছে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকেরা। সূত্রের খবর, আন্তর্জাতিক ইস্যুতে বাংলাদেশের সমর্থন চেয়েছে বেইজিং। আর ঢাকা জোর দিয়েছে দ্রুত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন বিষয়ে। সকাল সাড়ে ৯টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক শেষে ঢাকা ত্যাগ করেন চীনা বিদেশমন্ত্রী।

বিমানবন্দরে তাকে বিদায় জানান বিদেশমন্ত্রী ড. কে এ আবদুল মোমেন। শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকায় পৌঁছালে বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক ও বিদেশ সচিব সচিব মাসুদ বিন মোমেন।

বিমান বন্দরে  চীনা বিদেশমন্ত্রীকে বিদায় জানান বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আবদু মোমেন

চীন সর্বপ্রথম ২০১০ সালের ১ জুলাই স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে সে দেশের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার সুবিধার আওতায় বাংলাদেশসহ ৩৩টি স্বল্পোন্নত দেশ চীনের ৬০ শতাংশ শুল্কমুক্ত সুবিধা পায়। ২০২০ সালের ১৬ জুন শর্তহীনভাবে বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ রফতানি পণ্য (৮ হাজার ২৫৬টি পণ্য) দেশটির বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দেয় চীন। এরপর ২০২২ সালের শুরুতে বাংলাদেশ আরও ১ শতাংশ পণ্যকে (৩৮৩টি) শুল্কমুক্ত সুবিধা দেয় দেশটি।

সর্বশেষ নতুন করে ৯৮ শতাংশ শুল্কমুক্ত সুবিধাকে আরও ১ শতাংশ বাড়িয়ে দেশটির বাজারে ৯৯ শতাংশ পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশের সুবিধার ঘোষণা দেয়া হলো। চীনে বাংলাদেশের প্রধান রফতানি পণ্য হচ্ছে ওভেন গার্মেন্টস, নিটওয়্যার, হোম টেক্সটাইল, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাদুকা, পাট ও পাটজাত পণ্য এবং প্লাস্টিক পণ্য।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

99 percent duty free in China : চীনে ৯৯ শতাংশ শুল্কমুক্ত রফতানির সুযোগ ঢাকার

আপডেট সময় : ০১:৫৯:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ অগাস্ট ২০২২

ছবি বিদেশমন্ত্রকের সৌজন্যে

 

ঢাকা-বেইজিং ৪টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মরক সই হয়

 

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা

চীনের বাজারে ৯৯ শতাংশ পণ্য শুল্কমুক্ত রফতানি সুবিধার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে চীন। ১ সেপ্টেম্বর থেকে তা কার্যকর হবে। ঢাকা সফরকালে দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীর দ্বীপাক্ষিক বৈঠকে ৪টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মরক সই হয়। রবিবার সকাল সাড়ে ৭টায় ঢাকার একটি তারকা হোটেলে চীনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই এবং বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাত চীনা বিদেশমন্ত্রীর

চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকের মধ্যে রয়েছে, পিরোজপুরে অষ্টম বাংলাদেশ-চায়না মৈত্রী সেতুর হস্তান্তর সনদ, দুর্যোগ মোকাবিলা সহায়তার জন্য পাঁচ বছর মেয়াদি সমঝোতা স্মারকের নবায়ন, ২০২২-২৭ মেয়াদে সাংস্কৃতিক সহযোগিতা সমঝোতা স্মারকের নবায়ন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও চীনের ফার্স্ট ইনস্টিটিউট অব ওশেনোগ্রাফির মধ্যে মেরিন সায়েন্স নিয়ে সমঝোতা স্মারক। করোনা মহামারিতে চীন থেকে দেশে এসে বাংলাদেশের অন্তত ৫ হাজার শিক্ষার্থী আটকা পড়েছে।

বাংলাদেশ-চীনা চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই

আগামী কয়েকদিনের মধ্যে তারা চীনে ফিরতে পারবেন। চীনা দূতাবাস ভিসা দিতে শুরু করেছে। দুই বিদেশমন্ত্রীর ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বিষয়ের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক ইস্যু গুরুত্ব পেয়েছে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকেরা। সূত্রের খবর, আন্তর্জাতিক ইস্যুতে বাংলাদেশের সমর্থন চেয়েছে বেইজিং। আর ঢাকা জোর দিয়েছে দ্রুত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন বিষয়ে। সকাল সাড়ে ৯টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক শেষে ঢাকা ত্যাগ করেন চীনা বিদেশমন্ত্রী।

বিমানবন্দরে তাকে বিদায় জানান বিদেশমন্ত্রী ড. কে এ আবদুল মোমেন। শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় বিশেষ ফ্লাইটে ঢাকায় পৌঁছালে বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক ও বিদেশ সচিব সচিব মাসুদ বিন মোমেন।

বিমান বন্দরে  চীনা বিদেশমন্ত্রীকে বিদায় জানান বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আবদু মোমেন

চীন সর্বপ্রথম ২০১০ সালের ১ জুলাই স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে সে দেশের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার সুবিধার আওতায় বাংলাদেশসহ ৩৩টি স্বল্পোন্নত দেশ চীনের ৬০ শতাংশ শুল্কমুক্ত সুবিধা পায়। ২০২০ সালের ১৬ জুন শর্তহীনভাবে বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ রফতানি পণ্য (৮ হাজার ২৫৬টি পণ্য) দেশটির বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দেয় চীন। এরপর ২০২২ সালের শুরুতে বাংলাদেশ আরও ১ শতাংশ পণ্যকে (৩৮৩টি) শুল্কমুক্ত সুবিধা দেয় দেশটি।

সর্বশেষ নতুন করে ৯৮ শতাংশ শুল্কমুক্ত সুবিধাকে আরও ১ শতাংশ বাড়িয়ে দেশটির বাজারে ৯৯ শতাংশ পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশের সুবিধার ঘোষণা দেয়া হলো। চীনে বাংলাদেশের প্রধান রফতানি পণ্য হচ্ছে ওভেন গার্মেন্টস, নিটওয়্যার, হোম টেক্সটাইল, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাদুকা, পাট ও পাটজাত পণ্য এবং প্লাস্টিক পণ্য।