ঢাকা ০৩:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ঈদযাত্রায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪০২, দুর্ঘটনার শীর্ষে মোটরসাইকেল মতিঝিলে প্রকাশ্যে ব্যবসায়ীকে গুলি করে ১৭ হাজার ডলার ছিনতাই বাজেট অধিবেশন ৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে, চারদিন দুই বেলা বসবে সংসদ সন্তানহারা পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা: প্রশাসনিক তৎপরতায় দায় স্বীকারে বাধ্য আদ-দ্বীন রামিসা হত্যা মামলার রায়, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রের দৃঢ় অবস্থান বজ্রপাত দেশের বিভিন্ন জেলায় ১১ জনের প্রাণহানি এটি বাংলাদেশের ও গণতন্ত্রের জয় সভাপতি নির্বাচিত হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই, জাতিসংঘের সভাপতি পদে জয়ী হয়ে আশ্বস্ত করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে বক্তব্যের জেরে পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতার বিরুদ্ধে মামলা আদ-দ্বীনে  ৬ নবজাতকের মৃত্যু: হাসপাতালের অবহেলার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি

Helium-3 : পৃথিবীর জ্বালানির যোগানদাতা হিলিয়াম-৩

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:০০:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ জুলাই ২০২২ ৩৬৬ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবিঃ সংগৃহীত

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক 

বিভিন্ন দেশের মহাকাশ গবেষণা সংস্থাগুলো চাঁদে বা অন্যান্য গ্রহ-উপগ্রহে একের পর এক মিশন পরিচালনা করছে। তবে এসব মিশন শুধুই কৌতূহল মেটানোর জন্য নয়। এসবের অভিযানের পেছনে যেমন রয়েছে রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী হওয়ার ইচ্ছা, ঠিক তেমনি অর্থনৈতিক উদ্দেশ্যও। হিলিয়াম-৩ নামক একটি পদার্থটিই ভবিষ্যতের পৃথিবীর জ্বালানির যোগানদাতা? সে জন্য চাঁদ ও হিলিয়াম-৩ নিয়ে বিভিন্ন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার যথেষ্ট আগ্রহ। বলা হচ্ছে, চাঁদের জন্য বিনিয়োগের কারণের মধ্যে এটিই সব থেকে আলোচিত।

মাত্র ২৫ টন ‘হিলিয়াম-৩’ ব্যবহার করে ফিউশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে সমগ্র যুক্তরাষ্ট্রের এক বছরের জ্বালানির চাহিদা পূরণ করা সম্ভব! চাঁদের মাটিতে এই হিলিয়াম-৩ এর রিজার্ভ আছে ২৪ লাখ ৬৯ হাজার টন। এই বিশাল পরিমাণের হিলিয়াম-৩ কে কাজে লাগানো গেলে পৃথিবীর জ্বালানির চাহিদা অনেকাংশেই পূরণ করা সম্ভব। তবে এই মুহূর্তে এমন কোনও প্রযুক্তি নেই যার মাধ্যমে এই জ্বালানি এনে কাজে লাগানো যাবে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা বসেও নেই। ইতোমধ্যে এই বিষয়ে গবেষণা শুরু হয়ে গিয়েছে।

২০১৫ সালের এক গবেষণায় উঠে এসেছে খনিজ তেলের মজুদ ৫০ বছর, প্রাকৃতিক গ্যাসের ৫৩ বছর, আর কয়লার মজুদ ১১৪ বছর। তারপর পুরোপুরি শেষ হয়ে যাবে। উন্নত দেশগুলো স্বাভাবিকভাবেই তখন পারমাণবিক শক্তির মাধ্যমে উৎপাদিত জ্বালানির দিকে ঝুঁকে যাবে। চাঁদের মাটির নিচে বিদ্যমান হিলিয়াম-৩ নামক উপাদান নিউক্লিয়ার ফিউশনের মাধ্যমে শক্তি তৈরিতে বিপ্লব ঘটাতে পারে, এমনটিই ধারণা করা হচ্ছে।

চীন এই বিষয়ের গবেষণায় অনেকখানিই এগিয়ে। চাঁদ থেকে আনা মাটি ও পাথরের স্যাম্পল তারা ১৩টি প্রতিষ্ঠানকে ভাগ করে দিয়েছে বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণার জন্য। আর তাদের এই গবেষণার উদ্দেশ্যই হচ্ছে চাঁদের মাটি থেকে হিলিয়াম-৩ উত্তোলনের সম্ভাব্যতা যাচাই করা। ভারতের চন্দ্রযান-২ মিশনেরও একটা বড় উদ্দেশ্য ছিল হিলিয়াম-৩ এর খোঁজ করা এবং এই নিয়ে গবেষণা করা। কবে পৃথিবী এই নতুন জ্বালানি ব্যবহার শুরু করতে পারবে তা দেখার জন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে আরও কিছু বছর। সূত্র: নাসা

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

Helium-3 : পৃথিবীর জ্বালানির যোগানদাতা হিলিয়াম-৩

আপডেট সময় : ০৯:০০:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ জুলাই ২০২২

ছবিঃ সংগৃহীত

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক 

বিভিন্ন দেশের মহাকাশ গবেষণা সংস্থাগুলো চাঁদে বা অন্যান্য গ্রহ-উপগ্রহে একের পর এক মিশন পরিচালনা করছে। তবে এসব মিশন শুধুই কৌতূহল মেটানোর জন্য নয়। এসবের অভিযানের পেছনে যেমন রয়েছে রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী হওয়ার ইচ্ছা, ঠিক তেমনি অর্থনৈতিক উদ্দেশ্যও। হিলিয়াম-৩ নামক একটি পদার্থটিই ভবিষ্যতের পৃথিবীর জ্বালানির যোগানদাতা? সে জন্য চাঁদ ও হিলিয়াম-৩ নিয়ে বিভিন্ন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার যথেষ্ট আগ্রহ। বলা হচ্ছে, চাঁদের জন্য বিনিয়োগের কারণের মধ্যে এটিই সব থেকে আলোচিত।

মাত্র ২৫ টন ‘হিলিয়াম-৩’ ব্যবহার করে ফিউশন বিক্রিয়ার মাধ্যমে সমগ্র যুক্তরাষ্ট্রের এক বছরের জ্বালানির চাহিদা পূরণ করা সম্ভব! চাঁদের মাটিতে এই হিলিয়াম-৩ এর রিজার্ভ আছে ২৪ লাখ ৬৯ হাজার টন। এই বিশাল পরিমাণের হিলিয়াম-৩ কে কাজে লাগানো গেলে পৃথিবীর জ্বালানির চাহিদা অনেকাংশেই পূরণ করা সম্ভব। তবে এই মুহূর্তে এমন কোনও প্রযুক্তি নেই যার মাধ্যমে এই জ্বালানি এনে কাজে লাগানো যাবে। কিন্তু বিজ্ঞানীরা বসেও নেই। ইতোমধ্যে এই বিষয়ে গবেষণা শুরু হয়ে গিয়েছে।

২০১৫ সালের এক গবেষণায় উঠে এসেছে খনিজ তেলের মজুদ ৫০ বছর, প্রাকৃতিক গ্যাসের ৫৩ বছর, আর কয়লার মজুদ ১১৪ বছর। তারপর পুরোপুরি শেষ হয়ে যাবে। উন্নত দেশগুলো স্বাভাবিকভাবেই তখন পারমাণবিক শক্তির মাধ্যমে উৎপাদিত জ্বালানির দিকে ঝুঁকে যাবে। চাঁদের মাটির নিচে বিদ্যমান হিলিয়াম-৩ নামক উপাদান নিউক্লিয়ার ফিউশনের মাধ্যমে শক্তি তৈরিতে বিপ্লব ঘটাতে পারে, এমনটিই ধারণা করা হচ্ছে।

চীন এই বিষয়ের গবেষণায় অনেকখানিই এগিয়ে। চাঁদ থেকে আনা মাটি ও পাথরের স্যাম্পল তারা ১৩টি প্রতিষ্ঠানকে ভাগ করে দিয়েছে বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণার জন্য। আর তাদের এই গবেষণার উদ্দেশ্যই হচ্ছে চাঁদের মাটি থেকে হিলিয়াম-৩ উত্তোলনের সম্ভাব্যতা যাচাই করা। ভারতের চন্দ্রযান-২ মিশনেরও একটা বড় উদ্দেশ্য ছিল হিলিয়াম-৩ এর খোঁজ করা এবং এই নিয়ে গবেষণা করা। কবে পৃথিবী এই নতুন জ্বালানি ব্যবহার শুরু করতে পারবে তা দেখার জন্য অপেক্ষায় থাকতে হবে আরও কিছু বছর। সূত্র: নাসা