ঢাকা ১২:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মানুষের সঙ্গে সরকারের সম্পর্ক দৃঢ় করাই তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব : তথ্যমন্ত্রী নৌ ও বিমানবাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বুড়িগঙ্গায় বর্ণাঢ্য নৌকা বাইচ ঐতিহ্যের রঙে মুখর রাজধানী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে ভারতের রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন মন্ত্রিসভায় নতুন পাঁচজন, কে কোন মন্ত্রণালয় পেলেন রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্ত্রিসভায় ৬ নতুন মুখ ৯ মাস পর মধ্যপ্রাচ্য থেকে বিদায় নিল ইরান যুদ্ধে অংশ নেওয়া মার্কিন বিমানবাহী রণতরি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে সংসদে প্রস্তাব গ্রহণ

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:৪২:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ নভেম্বর ২০২১ ৩৪৬ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বুধবার জাতীয় সংসদের বিশেষ আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিএমও

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে দশ ঘণ্টার বেশি সময় ‘বিশেষ আলোচনা’ শেষে প্রস্তাব জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে গ্রহণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রস্তাবটি ভোটে দিলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার জাতীয় সংসদে

বিশেষ আলোচনার জন্য সাধারণ প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। তার আগে সংসদে ‘স্মারক বক্তৃতা’ দেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। কার্যপ্রণালী বিধির ১৪৭ বিধিতে সংসদ নেতা শেখ হাসিনার আনা প্রস্তাবের ওপর স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর বিশেষ আলোচনা শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রীই

আলোচনার সূচনা বক্তব্য রাখেন। দুই দিনের এ আলোচনায় সরকারি ও বিরোধী দলের ৫৯ জন সংসদ সদস্য অংশ নেন। সাধারণ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় সংসদ সদস্যরা বাংলাদেশের ৫০ বছরের অর্জন, স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংগ্রামী জীবনের নানা দিক তুলে ধরেন।

সংসদে পাস হওয়া প্রধানমন্ত্রীর উত্থাপিত প্রস্তাবটি ছিলো অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। সমগ্র বিশ্বে বাংলাদেশ আজ এক ‘উন্নয়ন বিস্ময়’। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৪৮ থেকে ৫২’র ভাষা আন্দোলন, ৬৬’র ছয় দফা, ৬৯’র গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ, ২৫ মার্চ গণহত্যা, ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণা, ১৭ এপ্রিল

মুজিবনগর সরকার গঠন এবং এক রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে ৩০ লাখ মহান শহীদ ও দুই লাখ মা-বোনের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয় স্বাধীনতা। ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১-এ পাক সেনাদের আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়।

সংসদে বিরোধী দল জাতীয় পার্টি, বিএনপি এবং ১৪ দলীয় জোটের শরিক দলের সদস্যরা বর্তমান সরকারের বেশ কিছু কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন। আলোচনায় তারা জাতীয় ঐকমত্যের কথাও বলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে সংসদে প্রস্তাব গ্রহণ

আপডেট সময় : ০৯:৪২:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ নভেম্বর ২০২১

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বুধবার জাতীয় সংসদের বিশেষ আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিএমও

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে দশ ঘণ্টার বেশি সময় ‘বিশেষ আলোচনা’ শেষে প্রস্তাব জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে গ্রহণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রস্তাবটি ভোটে দিলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার জাতীয় সংসদে

বিশেষ আলোচনার জন্য সাধারণ প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। তার আগে সংসদে ‘স্মারক বক্তৃতা’ দেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। কার্যপ্রণালী বিধির ১৪৭ বিধিতে সংসদ নেতা শেখ হাসিনার আনা প্রস্তাবের ওপর স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর বিশেষ আলোচনা শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রীই

আলোচনার সূচনা বক্তব্য রাখেন। দুই দিনের এ আলোচনায় সরকারি ও বিরোধী দলের ৫৯ জন সংসদ সদস্য অংশ নেন। সাধারণ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় সংসদ সদস্যরা বাংলাদেশের ৫০ বছরের অর্জন, স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংগ্রামী জীবনের নানা দিক তুলে ধরেন।

সংসদে পাস হওয়া প্রধানমন্ত্রীর উত্থাপিত প্রস্তাবটি ছিলো অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। সমগ্র বিশ্বে বাংলাদেশ আজ এক ‘উন্নয়ন বিস্ময়’। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৪৮ থেকে ৫২’র ভাষা আন্দোলন, ৬৬’র ছয় দফা, ৬৯’র গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ, ২৫ মার্চ গণহত্যা, ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণা, ১৭ এপ্রিল

মুজিবনগর সরকার গঠন এবং এক রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে ৩০ লাখ মহান শহীদ ও দুই লাখ মা-বোনের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয় স্বাধীনতা। ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১-এ পাক সেনাদের আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়।

সংসদে বিরোধী দল জাতীয় পার্টি, বিএনপি এবং ১৪ দলীয় জোটের শরিক দলের সদস্যরা বর্তমান সরকারের বেশ কিছু কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন। আলোচনায় তারা জাতীয় ঐকমত্যের কথাও বলেন।