ঢাকা ০৮:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন প্রত্যেকটি অন্যায়ের বিচার চাইলে গণতান্ত্রিক সরকার অপরিহার্য, তারেক রহমান গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জন’ দেওয়া হয়েছিল: ডা. এফ এম সিদ্দিকীর গুরুতর অভিযোগ কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ: রংপুরে বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় সমাবেশ ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস: ঋণ-বিবাদে নৃশংসভাবে খুন মা ও কিশোরী মেয়ে

হিলি ও চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দর সম্প্রসারণ করবে ভারত : দোরাইস্বামী

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:২৯:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ নভেম্বর ২০২১ ২৯০ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশের পোশাককে স্বাগত জানাতে ভারত খুবই আগ্রহী। এব্যাপারে ভারত ইতিমধ্যে একটি পারস্পরিক ব্যবস্থার প্রস্তাব দিয়েছে যার মাধ্যমে ভারত তুলা, ফাইবার এবং কাপড় ও কাঁচামাল সরবরাহ করবে এবং বাংলাদেশ তৈরি পোশাক ভারতকে সরবরাহ করবে।

বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্যের ওপর ভারতের রাজ্য সরকারগুলোর আরোপিত শুল্ক ও অশুল্ক বাধার কারণে ভারতে বাংলাদেশের পণ্যের কাঙ্খিত রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না জানিয়েছেন বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা। অপর দিকে ব্যবসায়ীরা আমদানী করা পণ্য খালাসের সুবিধার্থে এবং রংপুর বিভাগের স্থলবন্দরগুলোতে ব্যবসার অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে ভারতীয় কাস্টমস অফিস সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন

এসময় ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী ব্যবসায়ী নেতাদের উত্থাপিত সমস্যাগুলিকে জটিল উল্লেখ করে বলেন, ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণকারী দু’দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ব্যবস্থার সামগ্রিক ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা রয়েছে।

দোরাইস্বামী আরও বলেন, বাংলাদেশের পোশাককে স্বাগত জানাতে ভারত খুবই আগ্রহীএব্যাপারে ভারত ইতিমধ্যে একটি পারস্পরিক ব্যবস্থার প্রস্তাব দিয়েছে যার মাধ্যমে ভারত তুলা, ফাইবার এবং কাপড় ও কাঁচামাল সরবরাহ করবে এবং বাংলাদেশ তৈরি পোশাক ভারতকে সরবরাহ করবে। যা ভারতের বাজারে বাংলাদেশের বৃহত্তর প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করবে।

হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ থেকে বিশেষ করে গার্মেন্টস এবং খাদ্যপণ্য আমদানি করতে আমরা খুবই আগ্রহী। পাশাপাশি স্থলবন্দর, রেলপথ এবং নদীপথ ব্যবহার এবং অবকাঠামো সুযোগ-সুবিধা উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বাণিজ্য অনেক সম্প্রসারণ করতে সম্ভব।

হাইকমিশনার আরও বলেন, স্থল বন্দরগুলোতে অপর্যাপ্ত অবকাঠামো এবং সুবিধার কারণে এবং বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণকারী নিয়ন্ত্রক বিধানের কারণে, দুদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এখনও অনেকটা সীমাবদ্ধ। আধুনিক অবকাঠামো, সুবিধা ও গুদাম সমৃদ্ধ বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দরের মাধ্যমে বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অধিকাংশ বাণিজ্য হচ্ছে।

ভারত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়াতে অবকাঠামো, রাস্তা, গুদাম এবং অন্যান্য সুবিধার উন্নয়নের পাশাপাশি হিলি ও চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দর সম্প্রসারণ করতে চায়। যদিও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পরিচালনা ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের একটি কাজ এবং স্থলবন্দরগুলি সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকার গুলি দ্বারা পরিচালিত হয়। আমরা দুটি স্থলবন্দর সম্প্রসারণ করতে চাই। এ দুটি স্থলবন্দর দিয়ে বাণিজ্যকে উৎসাহিত করা হলেও বর্তমানে তা ঘটছে না। আরও স্থলবন্দর খোলার জন্য তিনি বাংলাদেশের সহযোগিতা কামনা করেন।

রংপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (আরসিসিআই) নগরীর আরসিসিআই মিলনায়তনে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বাণিজ্য ইস্যু শীর্ষক সভায় এসব কথা বলেন, ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী। তিনি বলেন, ভারত সহজ এবং আরও সরলীকৃত পদ্ধতির মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে আরও বেশি বাণিজ্য করতে পারলে খুশি হবে।

আরসিসিআই সভাপতি মোস্তফা সোহরাব চৌধুরী টিটুর সভাপতিত্বে অনষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাইকমিশনার সঞ্জীব কুমার ভাটি। অনুষ্ঠানে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ

(এফবিসিসিআই)-এর সিনিয়র সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রতিবন্ধকতা নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

দোরাইস্বামী বলেন, বাংলাদেশ-ভুটান-ভারত-নেপাল মোটর ভেহিক্যালস এগ্রিমেন্ট (বিবিআইএন এমভিএ) ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত হলেও এখনও পর্যন্ত অপারেশন প্রোটোকলটি শেষ করতে করা যায়নি। ভারতের দিক থেকে কোনো সমস্যা নেই। আমরা যদি বিবিআইএন এমভিএ প্রোটোকল শেষ করতে পারি, তাহলে ভারতের চেয়ে বাংলাদেশ অনেক বেশি উপকৃত হবে।

দিনাজপুর চেম্বারের সভাপতি রেজা হুমায়ুন ফারুক চৌধুরী শামীম, বুড়িমারী স্থলবন্দর আমদানিকারক-রপ্তানিকারক সমিতি এবং কাষ্টমস ক্লিয়াারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ সায়েদুজ্জামান এবং সোনাহাট স্থলবন্দর আমদানিকারক-রপ্তানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক দু’দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে নানা প্রতিবন্ধকতা তুলে ধরেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

হিলি ও চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দর সম্প্রসারণ করবে ভারত : দোরাইস্বামী

আপডেট সময় : ০৭:২৯:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ নভেম্বর ২০২১

বাংলাদেশের পোশাককে স্বাগত জানাতে ভারত খুবই আগ্রহী। এব্যাপারে ভারত ইতিমধ্যে একটি পারস্পরিক ব্যবস্থার প্রস্তাব দিয়েছে যার মাধ্যমে ভারত তুলা, ফাইবার এবং কাপড় ও কাঁচামাল সরবরাহ করবে এবং বাংলাদেশ তৈরি পোশাক ভারতকে সরবরাহ করবে।

বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্যের ওপর ভারতের রাজ্য সরকারগুলোর আরোপিত শুল্ক ও অশুল্ক বাধার কারণে ভারতে বাংলাদেশের পণ্যের কাঙ্খিত রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না জানিয়েছেন বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা। অপর দিকে ব্যবসায়ীরা আমদানী করা পণ্য খালাসের সুবিধার্থে এবং রংপুর বিভাগের স্থলবন্দরগুলোতে ব্যবসার অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে ভারতীয় কাস্টমস অফিস সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুরোধ জানিয়েছেন

এসময় ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী ব্যবসায়ী নেতাদের উত্থাপিত সমস্যাগুলিকে জটিল উল্লেখ করে বলেন, ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণকারী দু’দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ব্যবস্থার সামগ্রিক ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা রয়েছে।

দোরাইস্বামী আরও বলেন, বাংলাদেশের পোশাককে স্বাগত জানাতে ভারত খুবই আগ্রহীএব্যাপারে ভারত ইতিমধ্যে একটি পারস্পরিক ব্যবস্থার প্রস্তাব দিয়েছে যার মাধ্যমে ভারত তুলা, ফাইবার এবং কাপড় ও কাঁচামাল সরবরাহ করবে এবং বাংলাদেশ তৈরি পোশাক ভারতকে সরবরাহ করবে। যা ভারতের বাজারে বাংলাদেশের বৃহত্তর প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করবে।

হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ থেকে বিশেষ করে গার্মেন্টস এবং খাদ্যপণ্য আমদানি করতে আমরা খুবই আগ্রহী। পাশাপাশি স্থলবন্দর, রেলপথ এবং নদীপথ ব্যবহার এবং অবকাঠামো সুযোগ-সুবিধা উন্নয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বাণিজ্য অনেক সম্প্রসারণ করতে সম্ভব।

হাইকমিশনার আরও বলেন, স্থল বন্দরগুলোতে অপর্যাপ্ত অবকাঠামো এবং সুবিধার কারণে এবং বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণকারী নিয়ন্ত্রক বিধানের কারণে, দুদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য এখনও অনেকটা সীমাবদ্ধ। আধুনিক অবকাঠামো, সুবিধা ও গুদাম সমৃদ্ধ বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দরের মাধ্যমে বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অধিকাংশ বাণিজ্য হচ্ছে।

ভারত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়াতে অবকাঠামো, রাস্তা, গুদাম এবং অন্যান্য সুবিধার উন্নয়নের পাশাপাশি হিলি ও চ্যাংরাবান্ধা স্থলবন্দর সম্প্রসারণ করতে চায়। যদিও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পরিচালনা ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের একটি কাজ এবং স্থলবন্দরগুলি সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকার গুলি দ্বারা পরিচালিত হয়। আমরা দুটি স্থলবন্দর সম্প্রসারণ করতে চাই। এ দুটি স্থলবন্দর দিয়ে বাণিজ্যকে উৎসাহিত করা হলেও বর্তমানে তা ঘটছে না। আরও স্থলবন্দর খোলার জন্য তিনি বাংলাদেশের সহযোগিতা কামনা করেন।

রংপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (আরসিসিআই) নগরীর আরসিসিআই মিলনায়তনে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বাণিজ্য ইস্যু শীর্ষক সভায় এসব কথা বলেন, ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী। তিনি বলেন, ভারত সহজ এবং আরও সরলীকৃত পদ্ধতির মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে আরও বেশি বাণিজ্য করতে পারলে খুশি হবে।

আরসিসিআই সভাপতি মোস্তফা সোহরাব চৌধুরী টিটুর সভাপতিত্বে অনষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাইকমিশনার সঞ্জীব কুমার ভাটি। অনুষ্ঠানে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ

(এফবিসিসিআই)-এর সিনিয়র সহ-সভাপতি ও বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের সাবেক সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রতিবন্ধকতা নিয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

দোরাইস্বামী বলেন, বাংলাদেশ-ভুটান-ভারত-নেপাল মোটর ভেহিক্যালস এগ্রিমেন্ট (বিবিআইএন এমভিএ) ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত হলেও এখনও পর্যন্ত অপারেশন প্রোটোকলটি শেষ করতে করা যায়নি। ভারতের দিক থেকে কোনো সমস্যা নেই। আমরা যদি বিবিআইএন এমভিএ প্রোটোকল শেষ করতে পারি, তাহলে ভারতের চেয়ে বাংলাদেশ অনেক বেশি উপকৃত হবে।

দিনাজপুর চেম্বারের সভাপতি রেজা হুমায়ুন ফারুক চৌধুরী শামীম, বুড়িমারী স্থলবন্দর আমদানিকারক-রপ্তানিকারক সমিতি এবং কাষ্টমস ক্লিয়াারিং অ্যান্ড ফরোয়ার্ডিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ সায়েদুজ্জামান এবং সোনাহাট স্থলবন্দর আমদানিকারক-রপ্তানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক দু’দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে নানা প্রতিবন্ধকতা তুলে ধরেন।