ঢাকা ১১:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে নতুন মোড় দশকের বৈরিতার পর সমঝোতা নতুন অধ্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পরীমনির সঙ্গে ‘অনৈতিক সম্পর্ক’ অভিযোগে চাকরি হারালেন অতিরিক্ত এসপি গোলাম সাকলায়েন এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত ৪১ শতাংশ বৃদ্ধি আলোচনার মাধ্যমে পুশ ইন সমস্যা সমাধান করা দুই দেশেরই দায়িত্ব: ডুজারিক ঢাকায় যানজটে প্রতিদিন নষ্ট প্রায় ৮২ লাখ কর্মঘণ্টা, আর্থিক ক্ষতি ১৩৯ কোটি টাকা মানবিক সহায়তা-শান্তি প্রতিষ্ঠায় নারী নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের আইনের জালে পুলিশ দম্পতি অসহায় গৃহকর্মীর ওপর নিষ্ঠুর নির্যাতন কৃষিই দেশের অর্থনীতির প্রাণ কৃষিই দেশের অর্থনীতির প্রাণ: কৃষিতে অতীতের তুলনায় সর্ববৃহৎ বাজেটের ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান প্রাথমিক সমঝোতার পর বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম, চাঙা শেয়ারবাজার পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগর গড়তে ডিএসসিসির নতুন পদক্ষেপ, বর্জ্য অপসারণে জোর

অকাল বানে ভাসছে তিস্তা পারের মানুষ

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৩২:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১ ৩৭৯ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ছবি সংগ্রহ

শুষ্ক মৌসুমেও এবারে যৌবন ফিরে পেয়েছে তিস্তা। ভারী বর্ষণের যুক্ত হয়েছে উজানের ঢল।   ফুঁসে ওঠছে তিস্তা। হু হু করে জল বৃদ্ধি পেয়ে তিস্তা বয়ে চলেছে বিপৎসীমার ৬০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে। এর ফলাফল অকাল বন্যা। ভাসছে তিস্তাপারের মানুষ। জলের তোড়ে তিস্তা ব্যারাজের ফ্লাট বাইপাস হুমকির মুখে।

কার্তিকে এমন বন্যা দেখেনি তিস্তাপারের মানুষ। মঙ্গলবার রাত থেকে অচমকা ঘরবাড়িতে হু হু করে জল প্রবেশ করায়  আতঙ্ক দেখা দেয়। বুধবার ভোর থেকে জল বৃদ্ধি পেয়ে তিস্তার পাশ্ববর্তী\

চরাঞ্চলের বাড়িঘরে বানের জল ঢুকে পড়েছে। কোন কোন ঘরে হাটু ভাঙ্গ জল। অনেকে বাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয় চলে গিয়েছেন। তিস্তায় জল বৃদ্ধিতে লালমনিরহাটের তিন উপজেলার এবং তিস্তার চরাঞ্চলে ৫০ হাজার পরিবার জলবন্দি। হাজার হাজার হেক্টর জমির ধানক্ষেত তলিয়ে গিয়েছে। জলের তোড়ে ভাঙ্গছে পথঘাট।

এদিন সকাল পর্যন্ত তিস্তার ডালিয়া পয়েন্টে জল প্রবাহ ছিলো স্বাভাবিকের চেয়ে ১ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার অর্থাৎ ৫৩ দশমিক ২০ সেন্টিমিটার। যা বিপৎসীমার ৬০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

গত আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে যে তিস্তার বুকে মাথা উঁচু করে জানান দিয়েছিলো চর। সেই তিস্তাই হঠাৎ জলে বৃদ্ধি পেয়ে তিস্তা জানান দেয় তার আগ্রাসীরূপ।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সূত্র খবর, মঙ্গলবার রাত থেকে তিস্তার জল বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারাজ পয়েন্টে ৫২ দশমিক ৭০ সেন্টিমিটার। এদিন সকাল ৯ টায় বিপৎসীমার ৬০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তার জল বেড়েই চলেছে।

তিস্তার জল বৃদ্ধি পাওয়ায় পাটগ্রামের দহগ্রাম, হাতীবান্ধার গড্ডিমারী, সিঙ্গামারি, সিন্দুর্না, পাটিকাপাড়া, ডাউয়াবাড়ী, কালীগঞ্জ উপজেলার ভোটমারী, শৈইলমারী, নোহালী, চর বৈরাতি ও

আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের তিস্তা নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে জল প্রবেশ করে ১০ হাজার পরিবার জলবন্দী হয়ে পড়েছেন। এ বিষয়ে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো)

নির্বাহী প্রকৌশলী আসফাউ দৌলা বলেন, উজানের ঢলে ও ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে তিস্তা নদীর জলবৃদ্ধি পেয়েছে।

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মো. আবু জাফর জানান, তিস্তা পারের জলবন্দি মানুষদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ খাদ্য সহায়তা রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা জলবন্দি পরিবারগুলোর সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নিচ্ছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

অকাল বানে ভাসছে তিস্তা পারের মানুষ

আপডেট সময় : ০৪:৩২:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১

ছবি সংগ্রহ

শুষ্ক মৌসুমেও এবারে যৌবন ফিরে পেয়েছে তিস্তা। ভারী বর্ষণের যুক্ত হয়েছে উজানের ঢল।   ফুঁসে ওঠছে তিস্তা। হু হু করে জল বৃদ্ধি পেয়ে তিস্তা বয়ে চলেছে বিপৎসীমার ৬০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে। এর ফলাফল অকাল বন্যা। ভাসছে তিস্তাপারের মানুষ। জলের তোড়ে তিস্তা ব্যারাজের ফ্লাট বাইপাস হুমকির মুখে।

কার্তিকে এমন বন্যা দেখেনি তিস্তাপারের মানুষ। মঙ্গলবার রাত থেকে অচমকা ঘরবাড়িতে হু হু করে জল প্রবেশ করায়  আতঙ্ক দেখা দেয়। বুধবার ভোর থেকে জল বৃদ্ধি পেয়ে তিস্তার পাশ্ববর্তী\

চরাঞ্চলের বাড়িঘরে বানের জল ঢুকে পড়েছে। কোন কোন ঘরে হাটু ভাঙ্গ জল। অনেকে বাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয় চলে গিয়েছেন। তিস্তায় জল বৃদ্ধিতে লালমনিরহাটের তিন উপজেলার এবং তিস্তার চরাঞ্চলে ৫০ হাজার পরিবার জলবন্দি। হাজার হাজার হেক্টর জমির ধানক্ষেত তলিয়ে গিয়েছে। জলের তোড়ে ভাঙ্গছে পথঘাট।

এদিন সকাল পর্যন্ত তিস্তার ডালিয়া পয়েন্টে জল প্রবাহ ছিলো স্বাভাবিকের চেয়ে ১ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার অর্থাৎ ৫৩ দশমিক ২০ সেন্টিমিটার। যা বিপৎসীমার ৬০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

গত আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে যে তিস্তার বুকে মাথা উঁচু করে জানান দিয়েছিলো চর। সেই তিস্তাই হঠাৎ জলে বৃদ্ধি পেয়ে তিস্তা জানান দেয় তার আগ্রাসীরূপ।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সূত্র খবর, মঙ্গলবার রাত থেকে তিস্তার জল বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারাজ পয়েন্টে ৫২ দশমিক ৭০ সেন্টিমিটার। এদিন সকাল ৯ টায় বিপৎসীমার ৬০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তার জল বেড়েই চলেছে।

তিস্তার জল বৃদ্ধি পাওয়ায় পাটগ্রামের দহগ্রাম, হাতীবান্ধার গড্ডিমারী, সিঙ্গামারি, সিন্দুর্না, পাটিকাপাড়া, ডাউয়াবাড়ী, কালীগঞ্জ উপজেলার ভোটমারী, শৈইলমারী, নোহালী, চর বৈরাতি ও

আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা ইউনিয়নের তিস্তা নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে জল প্রবেশ করে ১০ হাজার পরিবার জলবন্দী হয়ে পড়েছেন। এ বিষয়ে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো)

নির্বাহী প্রকৌশলী আসফাউ দৌলা বলেন, উজানের ঢলে ও ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে তিস্তা নদীর জলবৃদ্ধি পেয়েছে।

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মো. আবু জাফর জানান, তিস্তা পারের জলবন্দি মানুষদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ খাদ্য সহায়তা রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা জলবন্দি পরিবারগুলোর সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নিচ্ছেন।