ঢাকা ০৪:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
এলএনজি টার্মিনাল সচলে আরও পাঁচ দিন দেশজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র, বাসা-বাড়ি, শিল্প ও যানবাহনে চরম ভোগান্তি পরিবেশের মারাত্মক প্রভাবে হুমকির মুখে সুন্দরবন সশস্ত্র বাহিনীকে দলীয় হাতিয়ার হতে দেওয়া হবে না বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান ভারতের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ তীর্থস্থান সারনাথ স্বামীর নির্যাতন বরিশালে আওয়ামী লীগ নেত্রীর আত্মহত্যা রোববার বঙ্গভবন ছাড়ছেন সদ্যবিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ মেনে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাঁর পদত্যাগপত্রে যা লিখেন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন আপনারা যেমন শুনেছেন, আমিও তেমনই শুনেছি  স্পিকার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন, জোরালো হচ্ছে রাজনৈতিক আলোচনা

মা ইলিশ রক্ষায় ৩৮টি জেলাজুড়ে ২২ দিন ইলিশের আহরণ নিষিদ্ধ

উদয়ন চৌধুরী, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ১০:৩৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ অক্টোবর ২০২১ ৩৩০ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

‘মা ইলিশ সংরক্ষণে বাধা সৃষ্টি করলে কোনো রকম ছাড় দেওয়া হবে না, নৌ-পুলিশ এ বছর নদীতে ভাসমান ফাঁড়ি পরিচালনা করবে এবং সার্বক্ষণিক একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু রাখবে। বিমান বাহিনী আকাশপথে নজরদারি গত বছরের চেয়ে বাড়াবে এবং রাতের বেলা টহল জোরদার করবে। নৌবাহিনী ৯টি জাহাজের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করবে, অভিযানে নামবে নৌবাহিনী ৯টি জাহাজ, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ভারতীয় কোস্টগার্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে অভিযান পরিচালনা করবে’

মা ইলিশ সংরক্ষণে সরকার ৩৮ জেলাজুড়ে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। ৪ থেকে ২৫ অক্টোবর ২২দিন ইলিশ আহরণ, বাজারজাত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে। প্রজনন মৌসুমে যেকোন মূল্যে মা ইলিশ রক্ষায় বিশেষ অভিযান পরিচালিত রতে প্রশাসনের তরফে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

প্রতিটি জেলা-উপজেলা মৎস্য দপ্তর, পুলিশ, র‌্যাব, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী, কোস্টগার্ড, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী সমন্বিতভাবে অভিযানে নামবে।

চাঁদপুরের ইলিশ আড়তের ব্যবসায়ীরা জানান, এখানের মেঘনা-পদ্মা নদীতে নিষিদ্ধকালীনও চোরাইভাবে ইলিশ আহরণে নামে কিছুসংখ্যক মৎস্যজীবী। তারা ইলিশের বংশ নষ্ট করতে তৎপর। যেকোন মূল্যে তাদের রুখতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদের ভাষায়, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশে মৎস্য উৎপাদন বেড়ে চলেছে। বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে। মৎস্য বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতেই ইলিশের সর্বোচ্চ প্রজনন সময় বিবেচনায়

চলতি বছর ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, ইলিশ আহরণ বন্ধ থাকাকালে এ বছর ৫ লাখ ৫৫ হাজার ৯৪৪টি জেলে পরিবারের জন্য ১১ হাজার ১১৮ দশমিক ৮৮ মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ করা হয়েছে।

ইলিশ ধরা বন্ধকালে যাতে পার্শ্ববর্তী দেশের জেলেরা অবৈধ মৎস্য আহরণ করতে না পারে সেজন্য কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। মা ইলিশ সংরক্ষণে বাধা সৃষ্টি করলে কোনো রকম ছাড় দেওয়া হবে না।

মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সফল করতে নৌ-পুলিশ এ বছর নদীতে ভাসমান ফাঁড়ি পরিচালনা করবে এবং সার্বক্ষণিক একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু রাখবে। বিমান বাহিনী আকাশপথে নজরদারি এ বছরের আরও বাড়াবে এবং রাতের বেলা টহল জোরদার করবে। অভিযানে নামবে নৌবাহিনী ৯টি জাহাজ।

বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ভারতীয় কোস্টগার্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে অভিযান পরিচালনা করবে, যাতে ভারতীয় জেলেরা বাংলাদেশের জলসীমায় মাছ ধরতে না পারে। স্থানীয় প্রশাসন মৎস্য বিভাগ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাসহ বরফকল

বন্ধ রাখা, বাজার মনিটরিং এবং স্থানীয় মৎস্যজীবী, রাজনৈতিক নেতা-জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় করে সচেতনতা ও প্রচারণামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। মা ইলিশ সংরক্ষণে বাধা সৃষ্টি করলে কোনো রকম ছাড় দেওয়া হবে না বলেও সভায় জানানো হয়।

২২ দিন ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় দণ্ডনীয় অপরাধ। এ আইন অমান্যকারী ১ থেকে সর্বোচ্চ ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড অথবা পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মা ইলিশ রক্ষায় ৩৮টি জেলাজুড়ে ২২ দিন ইলিশের আহরণ নিষিদ্ধ

আপডেট সময় : ১০:৩৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ অক্টোবর ২০২১

‘মা ইলিশ সংরক্ষণে বাধা সৃষ্টি করলে কোনো রকম ছাড় দেওয়া হবে না, নৌ-পুলিশ এ বছর নদীতে ভাসমান ফাঁড়ি পরিচালনা করবে এবং সার্বক্ষণিক একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু রাখবে। বিমান বাহিনী আকাশপথে নজরদারি গত বছরের চেয়ে বাড়াবে এবং রাতের বেলা টহল জোরদার করবে। নৌবাহিনী ৯টি জাহাজের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করবে, অভিযানে নামবে নৌবাহিনী ৯টি জাহাজ, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ভারতীয় কোস্টগার্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে অভিযান পরিচালনা করবে’

মা ইলিশ সংরক্ষণে সরকার ৩৮ জেলাজুড়ে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে। ৪ থেকে ২৫ অক্টোবর ২২দিন ইলিশ আহরণ, বাজারজাত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করেছে। প্রজনন মৌসুমে যেকোন মূল্যে মা ইলিশ রক্ষায় বিশেষ অভিযান পরিচালিত রতে প্রশাসনের তরফে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

প্রতিটি জেলা-উপজেলা মৎস্য দপ্তর, পুলিশ, র‌্যাব, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী, কোস্টগার্ড, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী সমন্বিতভাবে অভিযানে নামবে।

চাঁদপুরের ইলিশ আড়তের ব্যবসায়ীরা জানান, এখানের মেঘনা-পদ্মা নদীতে নিষিদ্ধকালীনও চোরাইভাবে ইলিশ আহরণে নামে কিছুসংখ্যক মৎস্যজীবী। তারা ইলিশের বংশ নষ্ট করতে তৎপর। যেকোন মূল্যে তাদের রুখতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদের ভাষায়, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশে মৎস্য উৎপাদন বেড়ে চলেছে। বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে। মৎস্য বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতেই ইলিশের সর্বোচ্চ প্রজনন সময় বিবেচনায়

চলতি বছর ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, ইলিশ আহরণ বন্ধ থাকাকালে এ বছর ৫ লাখ ৫৫ হাজার ৯৪৪টি জেলে পরিবারের জন্য ১১ হাজার ১১৮ দশমিক ৮৮ মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ করা হয়েছে।

ইলিশ ধরা বন্ধকালে যাতে পার্শ্ববর্তী দেশের জেলেরা অবৈধ মৎস্য আহরণ করতে না পারে সেজন্য কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। মা ইলিশ সংরক্ষণে বাধা সৃষ্টি করলে কোনো রকম ছাড় দেওয়া হবে না।

মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সফল করতে নৌ-পুলিশ এ বছর নদীতে ভাসমান ফাঁড়ি পরিচালনা করবে এবং সার্বক্ষণিক একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু রাখবে। বিমান বাহিনী আকাশপথে নজরদারি এ বছরের আরও বাড়াবে এবং রাতের বেলা টহল জোরদার করবে। অভিযানে নামবে নৌবাহিনী ৯টি জাহাজ।

বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ভারতীয় কোস্টগার্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে অভিযান পরিচালনা করবে, যাতে ভারতীয় জেলেরা বাংলাদেশের জলসীমায় মাছ ধরতে না পারে। স্থানীয় প্রশাসন মৎস্য বিভাগ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাসহ বরফকল

বন্ধ রাখা, বাজার মনিটরিং এবং স্থানীয় মৎস্যজীবী, রাজনৈতিক নেতা-জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় করে সচেতনতা ও প্রচারণামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। মা ইলিশ সংরক্ষণে বাধা সৃষ্টি করলে কোনো রকম ছাড় দেওয়া হবে না বলেও সভায় জানানো হয়।

২২ দিন ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় দণ্ডনীয় অপরাধ। এ আইন অমান্যকারী ১ থেকে সর্বোচ্চ ২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড অথবা পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।