ঢাকা ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন প্রত্যেকটি অন্যায়ের বিচার চাইলে গণতান্ত্রিক সরকার অপরিহার্য, তারেক রহমান গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জন’ দেওয়া হয়েছিল: ডা. এফ এম সিদ্দিকীর গুরুতর অভিযোগ কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ: রংপুরে বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় সমাবেশ ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস: ঋণ-বিবাদে নৃশংসভাবে খুন মা ও কিশোরী মেয়ে

টেকসই খাদ্য ব্যবস্থা নিশ্চিতে শেখ হাসিনার ৫ সুপারিশ

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৪:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ ৩২৩ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

টেকসই খাদ্য ব্যবস্থা নিশ্চিতে ৫টি সুপারিশের পাশাপাশি বর্ধিত তহবিলের কথা তুলেধরেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নিউইয়র্কে এক শীর্ষ সম্মেলনে টেকসই খাদ্য ব্যবস্থা অর্জনে

উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্যে বর্ধিত তহবিল প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী।তিনি টেকসই নিরাপত্তা অর্জনে প্রযুক্তি শেয়ারিংসহ জলবায়ুজনিত চরম ইভেন্টগুলোর সঙ্গে অভিযোজনের জন্যে প্রতিশ্রুত তহবিল ছাড়েরও পরামর্শ দেন।

শেখ হাসিনা বিশ্বের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার জন্য অধিক খাদ্য উৎপাদনের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী একটি ‘স্থিতিশীল খাদ্য ব্যবস্থা’ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে ৫ দফা সুপারিশ পেশ করেছেন।

‘জাতিসংঘ ফুড সিস্টেমস সামিট ২০২১’-এ বৃহস্পতিবার ভার্চ্যুয়াল যোগ দিয়ে তিনি একই সঙ্গে একটি বৈশ্বিক জোট ও অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার পাশাপাশি দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতার

মাধ্যমে খাদ্যের অপচয় কমানোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, পর্যাপ্ত খাবার পাওয়ার অধিকার একটি মৌলিক অধিকার, যা সব নাগরিকের কল্যাণ ও স্বাস্থ্যের সঙ্গে যুক্ত এবং বৈশ্বিক ব্যবস্থার সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও পরিবেশগত প্রভাব রয়েছে।

বিশ্বের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাহিদা মেটাতে আরও বেশি খাদ্য উৎপাদনে কঠিন করে তুলেছে জলবায়ু সেই বিষয়টি বিশ্বনেতাদের স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা বলেন, পর্যাপ্ত খাবার পাওয়া মানুষের মৌলিক অধিকার। সকল নাগরিকের কল্যাণ ও সুস্বাস্থ্যর বিষয়টি’র সঙ্গে যুক্ত। বৈশ্বিক যে খাদ্য ব্যবস্থা, তার সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও পরিবেশগত প্রভাব প্রবল।

খাদ্য নিরাপত্তার সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টিও ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের জনসংখ্যা হবে ১০ বিলিয়ন। এই বাড়তি জনসংখ্যার জন্য আমাদের আরও খাদ্য উৎপাদন করতে হবে।

এ সম্মেলনে আয়োজনে নেতৃত্ব দেওয়ার জাতিসংঘ মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, মহামারী পরবর্তী পুরুদ্ধার এবং স্থিতিশীল খাদ্য ব্যবস্থার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনে এ বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনায় প্রণীত বাংলাদেশের সংবিধানে খাদ্য ও পুষ্টিকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। আমরা এজেন্ডা

২০৩০ (এসডিজি) অর্জনে আমাদের জাতীয় নীতিমালা ও কর্মপরিকল্পনায় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়টিকেও অন্তর্ভুক্ত করে নিয়েছি।

সেই আলোকেই অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা, জাতীয় কৃষি নীতি-২০১৮, জাতীয় খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নীতি-২০২০ এবং এর কর্মপরিকল্পনা (২০২১-২০৩০) প্রণয়নের কথা তিনি বৈঠকে তুলে ধরেন।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঘনঘন চরম আবহাওয়া আর দুর্যোগ আমাদের সেই চেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করছে। বাংলাদেশ যে জলবায়ু-সহিষ্ণু কৃষি ও খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে, সে কথাও

তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। খাদ্য নিরাপত্তার পাশাপাশি সবার জন্য মানসম্মত খাবার নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আমরা জোরদার করেছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

টেকসই খাদ্য ব্যবস্থা নিশ্চিতে শেখ হাসিনার ৫ সুপারিশ

আপডেট সময় : ০৩:৪৪:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

টেকসই খাদ্য ব্যবস্থা নিশ্চিতে ৫টি সুপারিশের পাশাপাশি বর্ধিত তহবিলের কথা তুলেধরেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নিউইয়র্কে এক শীর্ষ সম্মেলনে টেকসই খাদ্য ব্যবস্থা অর্জনে

উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্যে বর্ধিত তহবিল প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী।তিনি টেকসই নিরাপত্তা অর্জনে প্রযুক্তি শেয়ারিংসহ জলবায়ুজনিত চরম ইভেন্টগুলোর সঙ্গে অভিযোজনের জন্যে প্রতিশ্রুত তহবিল ছাড়েরও পরামর্শ দেন।

শেখ হাসিনা বিশ্বের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার জন্য অধিক খাদ্য উৎপাদনের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী একটি ‘স্থিতিশীল খাদ্য ব্যবস্থা’ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে ৫ দফা সুপারিশ পেশ করেছেন।

‘জাতিসংঘ ফুড সিস্টেমস সামিট ২০২১’-এ বৃহস্পতিবার ভার্চ্যুয়াল যোগ দিয়ে তিনি একই সঙ্গে একটি বৈশ্বিক জোট ও অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার পাশাপাশি দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতার

মাধ্যমে খাদ্যের অপচয় কমানোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, পর্যাপ্ত খাবার পাওয়ার অধিকার একটি মৌলিক অধিকার, যা সব নাগরিকের কল্যাণ ও স্বাস্থ্যের সঙ্গে যুক্ত এবং বৈশ্বিক ব্যবস্থার সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও পরিবেশগত প্রভাব রয়েছে।

বিশ্বের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাহিদা মেটাতে আরও বেশি খাদ্য উৎপাদনে কঠিন করে তুলেছে জলবায়ু সেই বিষয়টি বিশ্বনেতাদের স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা বলেন, পর্যাপ্ত খাবার পাওয়া মানুষের মৌলিক অধিকার। সকল নাগরিকের কল্যাণ ও সুস্বাস্থ্যর বিষয়টি’র সঙ্গে যুক্ত। বৈশ্বিক যে খাদ্য ব্যবস্থা, তার সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও পরিবেশগত প্রভাব প্রবল।

খাদ্য নিরাপত্তার সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টিও ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের জনসংখ্যা হবে ১০ বিলিয়ন। এই বাড়তি জনসংখ্যার জন্য আমাদের আরও খাদ্য উৎপাদন করতে হবে।

এ সম্মেলনে আয়োজনে নেতৃত্ব দেওয়ার জাতিসংঘ মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, মহামারী পরবর্তী পুরুদ্ধার এবং স্থিতিশীল খাদ্য ব্যবস্থার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনে এ বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনায় প্রণীত বাংলাদেশের সংবিধানে খাদ্য ও পুষ্টিকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। আমরা এজেন্ডা

২০৩০ (এসডিজি) অর্জনে আমাদের জাতীয় নীতিমালা ও কর্মপরিকল্পনায় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়টিকেও অন্তর্ভুক্ত করে নিয়েছি।

সেই আলোকেই অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা, জাতীয় কৃষি নীতি-২০১৮, জাতীয় খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নীতি-২০২০ এবং এর কর্মপরিকল্পনা (২০২১-২০৩০) প্রণয়নের কথা তিনি বৈঠকে তুলে ধরেন।

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঘনঘন চরম আবহাওয়া আর দুর্যোগ আমাদের সেই চেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করছে। বাংলাদেশ যে জলবায়ু-সহিষ্ণু কৃষি ও খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে, সে কথাও

তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। খাদ্য নিরাপত্তার পাশাপাশি সবার জন্য মানসম্মত খাবার নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আমরা জোরদার করেছি।