গ্রাম পর্যায়ে টেলিটকের নেটওয়ার্ক উন্নয়নে ২২০৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে
- আপডেট সময় : ১০:২৫:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ অগাস্ট ২০২১ ২৫৮ বার পড়া হয়েছে
ছবি: সংগৃহীত
‘গ্রাম পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়া হবে টেলিটকের সেবা। নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে ৫জি সেবা প্রদানের অঙ্গিকার নিয়ে আধুনিকায়ন প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে’
রাষ্ট্রায়াত্ব মোবাইল অপারেটর হয়েও অন্যান্য বেসরকারী মোবাইল অপারেটরদের সঙ্গে প্রতিযোগিতার দৌড়ে পিছিয়ে থাকে টেলিটক। এর নেপথ্যের কারণ নিয়ে বহু গবেষণা কথা বার্তা হয়েছে। তারপর সবকিছু থেমে গিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টেলিটক সরকারী প্রতিষ্ঠান হলেও
বিনিয়োগের দিক থেকে পিছিয়ে রয়েছে। যে কারণে বাজার প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে থাকতে হয়েছে।
এবারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে নেটওয়ার্কের আধুনিকায়নে সরকারের তরফে ২ হাজার ২০৪ কোটি টাকা বিনিয়োগ পেতে যাচ্ছে রাষ্ট্রায়াত্ব টেলিকম প্রতিষ্ঠানটি।
মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে ‘গ্রাম পর্যায়ে টেলিটকের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ ও ৫জি সেবা প্রদানে নেটওয়ার্কের আধুনিকায়ন প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
এই প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় পুরো অর্থই জোগান দেয়া হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে। প্রকল্পটির জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ১৪৪ কোটি টাকা। সরকারের তরফে দেওয়া হবে ২ হাজার ২০৪
কোটি টাকা। আর মাত্র ৬০ কোটি ৩৩ লাখ টাকার যোগান দেবে টেলিটক। চলতি বছরে শুরু হয়ে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এর বাস্তবায়ন কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
জানা যায়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের উদ্যোগে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে প্রতিষ্ঠাকাল থেকে লস গুনতে থাকা এই টেলিকম অপারেটর। নেটওয়ার্কের আধুনিকায়নের এই প্রকল্পের আওতায় নতুন তিন হাজার বিটিএস সাইট তৈরি, রুম, টাওয়ার, লক ইত্যাদি নির্মাণ করা হবে।
এছাড়াও টেলিটকের নিজস্ব ৫০০ টাওয়ার ও দুই হাজার ৫০০ টাওয়ার শেয়ারিং সাইট প্রস্তুত করা হবে। আর সেবা সক্ষমতা বাড়াতে থ্রিজি ও ফোরজির বিদ্যমান ২ হাজার সাইটের যন্ত্রপাতির ধারণক্ষমতা বাড়ানো হবে। ফিক্সড ওয়্যারলেস এক্সেস (এফডব্লিউএ) প্রযুক্তি স্থাপনের মাধ্যমে
ঢাকার বাইরে হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি অফিস-আদালতে ইন্টারনেট সেবা বাড়াতে পাঁচ হাজার এফডব্লিউএ ডিভাইস স্থাপন করা হবে।
সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের ব্যাপারে টেলিটকের এক কর্মকর্তা বলেন, এই প্রকল্পে আমাদের বিদ্যমান যে অবকাঠামো রয়েছে, সেই টুজি, থ্রিজির উন্নয়নে কিছু কাজ করা হবে। সামনে যেহেতু ফাইভজিতে যাওয়ার টার্গেট রয়েছে। ফাইভজির প্রস্তুতি হিসেবে কিছু ইকুইপমেন্ট বসাতে হবে।
ঢাকার ২০০ জায়গায় ফাইভজি চালু করার জন্য ভিন্ন প্রকল্প প্রস্তাব পেয়েছে। প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে মিলবে ফাইভজির অনুমোদন।



















