ঢাকা ০৫:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যুদ্ধ থামিয়ে ইসরায়েলকে গাজা পুনর্গঠনে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র! অভিযোগ অরুণাচলের আদিবাসীদের ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী, দখলে নিয়েছে বিস্তৃত এলাকা বিটাকের প্রশিক্ষণে বিনিয়োগের সুফল বেশি নারীদের শতভাগ কর্মসংস্থান ইতিবাচক শিল্পমন্ত্রী জাতীয় সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি  টাকার বাজেট পাস ভারতের উদ্বেগকে গুরুত্ব দিচ্ছে না চীন তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস সমাপনী বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী ঋণনির্ভর নয়, বাংলাদেশ বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতির পথে আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, এমপি হিসেবে শপথ নেওয়ার পথ বন্ধ বিটিভিতে সরাসরি সম্প্রচার: ইনুর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় দুপুরে জাপানিজ রক্ষণের দুর্ভেদ্য দেয়াল ভেঙে ব্রাজিলের জয়ের হাসি নকআউটের আগে আর্জেন্টিনার স্বস্তির খবর

তিব্বত সফরে পার্টিকে অনুসরণ করার নির্দেশ দিলেন শি

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:১৩:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অগাস্ট ২০২১ ২৭৭ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সম্প্রতি তিব্বত সফর করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। সেখানকার বাসিন্দাদের তিনি দেশটির ক্ষমতাসীন চীনা কমিউনিস্ট পার্টিকে অনুসরণ করার নির্দেশনা দিয়েছেন। এসময় তিনি

জাতিগত সম্প্রীতি প্রচার এবং তিব্বতের বৌদ্ধধর্মকে সক্রিয়ভাবে একটি সমাজতান্ত্রিক সমাজের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার নির্দেশনাও দিয়েছেন।

তিব্বতের প্রাদেশিক কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে শি বলেন, তিব্বতের পরিচিতি বৃদ্ধি করতে হবে। তবে তা হবে চীনের মূল ভূখণ্ড ও নীতির সঙ্গে সামজঞ্জস্যপূর্ণ। সেইসঙ্গে চীনের সংস্কৃতি, চীনা

কমিউনিস্ট পার্টি ও সমাজতান্ত্রিক সমাজের সঙ্গে খাপ খাইয়ে তিব্বতকে উন্নত করতে হবে। সেই লক্ষ্য সফল হলে নবজীবন পাবে চীন।

গত তিন দশকে এই প্রথম কোনো চীনা প্রেসিডেন্ট তিব্বত সফর করল। বিশেষ করে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনাদের সরিয়ে নেওয়ায় নতুন করে নিরাপত্তা ঝুকিতে পড়েছে চীন। যার কারণে বেশ গুরুত্ব দিয়েই তিব্বতে গিয়েছেন শি বলে মনে করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

তাদের মতে, ভারতের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধিতা চলে আসছে চীনের। তার সীমান্তে নিরাপত্তা এখন শি জিনপিংয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তিব্বত সফর মূলত ভারতের প্রতি একটি বার্তা পৌছানো।

তাছাড়া চীনের সীমান্ত এলাকায় ছড়িয়ে থাকা উপজাতি ও সংখ্যালঘু মানুষদের একত্রে করার চেষ্টা করছে চীনা সরকার। যাতে তারা ভেদাভেদ ভুলে চীনা জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী হয়ে উঠে।

জানা যায়, গত ২১ ও ২২ জুলাই তিব্বত সফর করেছেন শি। জাতিগত সম্প্রীতি সৃষ্টির লক্ষ্যে তার নেওয়া পদক্ষেপগুলোর নানাভাবে সমালোচনা করে আসছে পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলো। বিশেষ করে

উইঘুরদের মুসলিমদের প্রতি তার সিদ্ধান্তগুলো সবচেয়ে বেশি নজরে এসেছে বিশ্বনেতাদের। সূত্র: সাউথ চাইনা মর্নিং পোস্ট।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

তিব্বত সফরে পার্টিকে অনুসরণ করার নির্দেশ দিলেন শি

আপডেট সময় : ০৫:১৩:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ অগাস্ট ২০২১

সম্প্রতি তিব্বত সফর করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। সেখানকার বাসিন্দাদের তিনি দেশটির ক্ষমতাসীন চীনা কমিউনিস্ট পার্টিকে অনুসরণ করার নির্দেশনা দিয়েছেন। এসময় তিনি

জাতিগত সম্প্রীতি প্রচার এবং তিব্বতের বৌদ্ধধর্মকে সক্রিয়ভাবে একটি সমাজতান্ত্রিক সমাজের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার নির্দেশনাও দিয়েছেন।

তিব্বতের প্রাদেশিক কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে শি বলেন, তিব্বতের পরিচিতি বৃদ্ধি করতে হবে। তবে তা হবে চীনের মূল ভূখণ্ড ও নীতির সঙ্গে সামজঞ্জস্যপূর্ণ। সেইসঙ্গে চীনের সংস্কৃতি, চীনা

কমিউনিস্ট পার্টি ও সমাজতান্ত্রিক সমাজের সঙ্গে খাপ খাইয়ে তিব্বতকে উন্নত করতে হবে। সেই লক্ষ্য সফল হলে নবজীবন পাবে চীন।

গত তিন দশকে এই প্রথম কোনো চীনা প্রেসিডেন্ট তিব্বত সফর করল। বিশেষ করে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনাদের সরিয়ে নেওয়ায় নতুন করে নিরাপত্তা ঝুকিতে পড়েছে চীন। যার কারণে বেশ গুরুত্ব দিয়েই তিব্বতে গিয়েছেন শি বলে মনে করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

তাদের মতে, ভারতের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধিতা চলে আসছে চীনের। তার সীমান্তে নিরাপত্তা এখন শি জিনপিংয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তিব্বত সফর মূলত ভারতের প্রতি একটি বার্তা পৌছানো।

তাছাড়া চীনের সীমান্ত এলাকায় ছড়িয়ে থাকা উপজাতি ও সংখ্যালঘু মানুষদের একত্রে করার চেষ্টা করছে চীনা সরকার। যাতে তারা ভেদাভেদ ভুলে চীনা জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী হয়ে উঠে।

জানা যায়, গত ২১ ও ২২ জুলাই তিব্বত সফর করেছেন শি। জাতিগত সম্প্রীতি সৃষ্টির লক্ষ্যে তার নেওয়া পদক্ষেপগুলোর নানাভাবে সমালোচনা করে আসছে পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলো। বিশেষ করে

উইঘুরদের মুসলিমদের প্রতি তার সিদ্ধান্তগুলো সবচেয়ে বেশি নজরে এসেছে বিশ্বনেতাদের। সূত্র: সাউথ চাইনা মর্নিং পোস্ট।