৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ
- আপডেট সময় : ০২:২৩:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬ ৪৫ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণে ধাপে ধাপে প্রায় ২০০ জন পর্যবেক্ষক মোতায়েন করবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। এরই অংশ হিসেবে শনিবার প্রথম ধাপে ৫৬ জন দীর্ঘমেয়াদি নির্বাচন পর্যবেক্ষক মাঠে নামিয়েছেন তারা।
নির্বাচন পর্যবেক্ষণ কার্যক্রমে এখনই কোনো নিরাপত্তা শঙ্কা নেই জানিয়ে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশন বলেছে, এ মুহূর্তে ‘অতি সতর্কতার’ প্রয়োজন দেখছে না তারা।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনের উপ-প্রধান পর্যবেক্ষক ইন্তা লাসে।
তিনি বলেন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে নিয়োজিত পর্যবেক্ষকদের জন্য আলাদা করে নিরাপত্তা সতর্কতা জারির মতো কোনো পরিস্থিতি এখনো তৈরি হয়নি।
নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ইন্তা লাসে বলেন, আমরা প্রত্যাশা করছি না যে আমাদের পর্যবেক্ষকদের জন্য সিকিউরিটি অ্যালার্ট জারি করতে হবে। আমাদের নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থাও রয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত সতর্কতার প্রয়োজন দেখছি না।
তিনি জানান, এরই মধ্যে দেশব্যাপী ৫৬ জন দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষক মোতায়েন করা হয়েছে, যারা নির্বাচন-পূর্ব পরিবেশ, রাজনৈতিক কার্যক্রম, প্রচার, প্রশাসনিক প্রস্তুতি ও গণভোটের প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করবেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পর্যবেক্ষকের সংখ্যা বাড়বে।
ভোটের ঠিক আগে আরও ৯০ জন স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষক বাংলাদেশে এসে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করবেন।
২০০৮ সালের নির্বাচনের পর এবারই প্রথম বাংলাদেশে পূর্ণাঙ্গ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন পাঠাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এই মিশনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি সদস্য রাষ্ট্রের পাশাপাশি কানাডা, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ডের নাগরিকদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পূর্ণ সক্ষমতায় মিশনের মোট সদস্যসংখ্যা হবে প্রায় ২০০ জন।
ইন্তা লাসে আরও জানান, মিশনের কাঠামোর মধ্যে ঢাকাভিত্তিক ১১ জন বিশ্লেষক নিয়ে একটি কোর টিম রয়েছে। এর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে ইইউ সদস্য রাষ্ট্র ও অংশীদার দেশগুলোর কূটনৈতিক মিশনের পর্যবেক্ষকরাও যুক্ত থাকবেন।
ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, এই পর্যবেক্ষণ কার্যক্রমের লক্ষ্য হলো নির্বাচন ও গণভোটের পুরো প্রক্রিয়া নিরপেক্ষভাবে মূল্যায়ন করা এবং নির্বাচন শেষে একটি বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রকাশ করা।


















