হাদি হত্যা: ফয়সাল ভারতে নেই দাবি মেঘালয় পুলিশের
- আপডেট সময় : ০৮:১৬:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ৬৫ বার পড়া হয়েছে
ঢাকার পুলিশ জানিয়েছে, শহীদ হাদি হত্যার প্রধান সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম ও তার সহযোগী আলমগীর শেখ ভারতে পালিয়ে গেছেন এবং তাদের সহায়তায় দেশটিতে দুজন গ্রেপ্তার হয়েছেন। তবে ভারতের মেঘালয় পুলিশ এবং বিএসএফ এই দাবিকে প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা জানিয়েছে, আনুষ্ঠানিক বা অনানুষ্ঠানিক কোনো তথ্য তারা পাননি, এবং অভিযুক্তদের কোনো গ্রেপ্তার বা শনাক্তকরণ হয়নি।
রোববার হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, মেঘালয় পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তা বলেছেন, হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে ফয়সাল ও আলমগীর প্রবেশ করেছে এমন কোনো প্রমাণ নেই। পুত্তি ও সামি নামে যাদের গ্রেপ্তার দাবি করা হয়েছে, তাদেরও মেঘালয়ে পাওয়া যায়নি। বিএসএফের মহাপরিদর্শক ওপি উপাধ্যায়ও বলেছেন, আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রমের কোনো প্রমাণ নেই, এবং বাংলাদেশ পুলিশের দাবি ভিত্তিহীন।
এর আগে রোববার সকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) এস এন নজরুল ইসলাম হাদি হত্যা মামলার অগ্রগতি জানাতে সংবাদ সম্মেলনে বলেন, হত্যাকাণ্ডটি পূর্বপরিকল্পিত। তিনি বলেন, ফয়সাল ও আলমগীর ঢাকা থেকে সিএনজি অটোরিকশায় আমিনবাজারে যান, তারপর গাড়িতে করে মানিকগঞ্জের কালামপুরে এবং ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্তে পৌঁছান। সেখানে ফিলিপ নামের একজন তাদেরকে সীমান্ত পার করেন এবং পুত্তি ও সামির হাতে হস্তান্তর করা হয়।
হাদি হত্যার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ছয়জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। গ্রেপ্তাররা হলেন—ফয়সাল করিম মাসুদের বাবা হুমায়ুন কবির, মা হাসি বেগম, স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু, রেন্ট-এ-কার ব্যবসায়ী মুফতি মো. নুরুজ্জামান নোমানী ওরফে উজ্জ্বল, ফয়সালের সহযোগী মো. কবির এবং ভারত যাওয়ার অভিযোগে সহযোগিতা করা সিবিউন দিউ ও সঞ্জয় চিসিম।
হাদির হত্যাকারীদের ধরতে সরকারের ওপর চাপ বাড়ছে। হত্যার নেপথ্য নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার দাবি জানিয়ে ইনকিলাব মঞ্চ টানা বিভিন্ন দিনের জন্য ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অবরোধ কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে।



















