ঢাকা ১২:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন প্রত্যেকটি অন্যায়ের বিচার চাইলে গণতান্ত্রিক সরকার অপরিহার্য, তারেক রহমান গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জন’ দেওয়া হয়েছিল: ডা. এফ এম সিদ্দিকীর গুরুতর অভিযোগ কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ: রংপুরে বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় সমাবেশ ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস: ঋণ-বিবাদে নৃশংসভাবে খুন মা ও কিশোরী মেয়ে

হাদির হত্যাকাণ্ড: ফয়সালসহ সংশ্লিষ্টদের ব্যাংক হিসাবের ১২৭ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন শনাক্ত

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৩:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ ১২৯ বার পড়া হয়েছে

শরিফ ওসমান হাদি অটোরিকশায় যাওয়ার সময় দুইজন মোটরসাইকেলে এসে তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে/ফাইল ছবি

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্টদের ব্যাংক হিসাব বিশ্লেষণে ১২৭ কোটি টাকার বেশি অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পেয়েছে সিআইডি। বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা ও গোয়েন্দা সংস্থা থেকে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে প্রাথমিকভাবে এই তথ্য উঠে এসেছে। এ ঘটনায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় অর্থ পাচার সংক্রান্ত অনুসন্ধান কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।

সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) আবু তালেব রোববার (২১ ডিসেম্বর) জানান, মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ এখনো গ্রেফতার না হলেও তার পরিবারের সদস্যসহ একাধিক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানের সময় উদ্ধার বিভিন্ন ব্যাংকের চেকবই পর্যালোচনার মাধ্যমে দেখা গেছে, অভিযুক্ত ও তার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের চেকবইয়ে উল্লেখিত চূড়ান্ত লেনদেনের মোট মূল্য প্রায় ২১৮ কোটি টাকা। তবে প্রাথমিক বিশ্লেষণে এর মধ্যে ১২৭ কোটি টাকার বেশি লেনদেন অস্বাভাবিক এবং এটি মানিলন্ডারিং, সংঘবদ্ধ অপরাধ ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের অর্থায়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারে।

তিনি আরও জানান, সিআইডি ইতিমধ্যেই মানি লন্ডারিং সংক্রান্ত পৃথক অনুসন্ধান শুরু করেছে এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে থাকা প্রায় ৬৫ লাখ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে। একই সঙ্গে, অর্থ সরবরাহকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পেছনে পরিকল্পনা, অর্থায়ন ও অস্ত্র সরবরাহে কোনো সংঘবদ্ধ নেটওয়ার্ক সক্রিয় ছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সিআইডি নিশ্চিত করেছে, মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা এবং পুরো অপরাধচক্র উন্মোচনে সংস্থার অভিযান ও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

হাদির হত্যাকাণ্ড: ফয়সালসহ সংশ্লিষ্টদের ব্যাংক হিসাবের ১২৭ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন শনাক্ত

আপডেট সময় : ০৮:৩৩:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৫

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্টদের ব্যাংক হিসাব বিশ্লেষণে ১২৭ কোটি টাকার বেশি অস্বাভাবিক লেনদেনের তথ্য পেয়েছে সিআইডি। বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা ও গোয়েন্দা সংস্থা থেকে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে প্রাথমিকভাবে এই তথ্য উঠে এসেছে। এ ঘটনায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় অর্থ পাচার সংক্রান্ত অনুসন্ধান কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।

সিআইডির অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) আবু তালেব রোববার (২১ ডিসেম্বর) জানান, মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ এখনো গ্রেফতার না হলেও তার পরিবারের সদস্যসহ একাধিক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানের সময় উদ্ধার বিভিন্ন ব্যাংকের চেকবই পর্যালোচনার মাধ্যমে দেখা গেছে, অভিযুক্ত ও তার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের চেকবইয়ে উল্লেখিত চূড়ান্ত লেনদেনের মোট মূল্য প্রায় ২১৮ কোটি টাকা। তবে প্রাথমিক বিশ্লেষণে এর মধ্যে ১২৭ কোটি টাকার বেশি লেনদেন অস্বাভাবিক এবং এটি মানিলন্ডারিং, সংঘবদ্ধ অপরাধ ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের অর্থায়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারে।

তিনি আরও জানান, সিআইডি ইতিমধ্যেই মানি লন্ডারিং সংক্রান্ত পৃথক অনুসন্ধান শুরু করেছে এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে থাকা প্রায় ৬৫ লাখ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে। একই সঙ্গে, অর্থ সরবরাহকারী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের পেছনে পরিকল্পনা, অর্থায়ন ও অস্ত্র সরবরাহে কোনো সংঘবদ্ধ নেটওয়ার্ক সক্রিয় ছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সিআইডি নিশ্চিত করেছে, মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা এবং পুরো অপরাধচক্র উন্মোচনে সংস্থার অভিযান ও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।