হয়রানিমূলক শ’ শ’ মামলা প্রত্যাহারের উদ্যোগ
- আপডেট সময় : ০৭:৪৭:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে
চব্বিশের ৫ আগস্টের পর রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও হয়রানির উদ্দেশ্যে দায়ের করা শ’ শ’ মামলা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এমনই কঠোর বার্তা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
তবে, হত্যা, মাদক, নারী ও শিশু নির্যাতনসংক্রান্ত মামলা বাদে অন্য মামলাগুলো আমলে নেওয়া হয়েছে। আমার বিরুদ্ধেও বহু হত্যা মামলা রয়েছে। অস্ত্র ও বিস্ফোরক মামলা তো আছেই।
মন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা এমন মামলা আমরা যাচাই-বাছাই করে রাজনৈতিক মামলাগুলো প্রত্যাহারের বিষয়ে আরেকটি উদ্যোগ নিয়েছি।
এটির যাতে অপব্যবহার না হয়, তা যাচাই-বাছাই করে কী করা যায়, তা দেখব। মঙ্গলবার সচিবালয়ে তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর একটি সুবিধাবাদী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অসংখ্য মামলা দায়ের করে হাজার হাজার মানুষকে আসামি করেছে। এসব মামলার অনেকগুলোতেই শত শত, এমনকি হাজার হাজার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা স্পষ্টতই হয়রানির কৌশল। মন্ত্রী অভিযোগ করেন, আইনের অপব্যবহার করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে চাপে রাখা ও সামাজিকভাবে হেয় করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মামলাবাজির মাধ্যমে যদি কারও হয়রানি করা হয়ে থাকে, সেটি বন্ধ করতেই হবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে ভুয়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা চিহ্নিত করে বাতিল করতে হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা মামলাগুলো প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে হত্যা, মাদক, অস্ত্র, বিস্ফোরক এবং নারী ও শিশু নির্যাতনসংক্রান্ত গুরুতর অপরাধের মামলাগুলো এ উদ্যোগের বাইরে থাকবে।
তিনি নিজ উদাহরণ টেনে বলেন, তাঁর বিরুদ্ধেও একাধিক হত্যা, অস্ত্র ও বিস্ফোরক মামলা রয়েছে, যেগুলো তিনি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন। এই প্রক্রিয়া যেন কোনোভাবেই অপব্যবহারের শিকার না হয়, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি থাকবে।
সরকারের এ পদক্ষেপকে তিনি মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন। সরকারের দাবি, প্রকৃত অপরাধীদের রক্ষা নয়, বরং নিরপরাধ মানুষকে মিথ্যা মামলার বোঝা থেকে মুক্ত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।










