ঢাকা ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ইরান পাল্টা আক্রমণে ইসরায়েল লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করার আহ্বান: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এক বছরে স্বর্ণে জাকাত বেড়েছে ২০ হাজার ৮১৩ টাকা অমর একুশে বইমেলায় পাপেট  শোতে মুখর  শিশুপ্রহর ২২৮ জন তালেবান যোদ্ধা নিহতর দাবি করেছে পাকিস্তান ঋণ মওকুফে কৃষকের স্বস্তি: বিশেষ দোয়ার আয়োজন বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের গণমাধ্যমের সর্বোচ্চ স্বাধীনতা নিশ্চিত করার অঙ্গীকার তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর জেদ্দায় কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার: ওআইসি সম্মেলনের প্রান্তে ৫ দেশের সঙ্গে ফলপ্রসূ বৈঠক শিগগিরই ১০ হাজার নতুন কনস্টেবল নিয়োগ দেবে পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষি ও মৎস্য খাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত

সেনা দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা: সীমান্ত বাহিনী হবে আধুনিক ও সুসংহত

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৪:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে

সেনা দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা: সীমান্ত বাহিনী হবে আধুনিক ও সুসংহত: ছবি বাসস

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে আরও আধুনিক, সুসংহত ও সময়োপযোগী করে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। জাতীয় সেনা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় ও ইফতার অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দীর্ঘ সংগ্রামের পর জনগণের রায়ে নির্বাচিত সরকার দেশ পরিচালনা করছে।

দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার প্রশ্নে সীমান্ত বাহিনীকে যুগোপযোগী করে তুলতে যা যা প্রয়োজন, আমরা তা করব। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পিলখানায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন শহীদকে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, এই দিনটি জাতির ইতিহাসে এক রক্তাক্ত ও বেদনাবিধুর অধ্যায়।

১৭ বছর পরও সেই ক্ষত শুকায়নি। প্রতিটি শহীদের নাম একটি পরিবারের নিভে যাওয়া প্রদীপ, একটি অসমাপ্ত স্বপ্নের গল্প, মন্তব্য করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী জানান, পিলখানার ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণ করা হবে এবং ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারিকে ইতিহাসে যথাযথভাবে চিহ্নিত করতে সেনাবাহিনী ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা সংগ্রামের সূচনালগ্ন থেকে এই বাহিনী সেনাবাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দায়িত্ব পালন করেছে।

পরবর্তীকালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাহিনীকে পুনর্গঠন ও প্রাতিষ্ঠানিক শক্তি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেন। বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতীক আখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা এখন সময়ের দাবি।

একই সঙ্গে শহীদ পরিবারের সদস্যদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সেনা দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা: সীমান্ত বাহিনী হবে আধুনিক ও সুসংহত

আপডেট সময় : ০৮:৪৪:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে আরও আধুনিক, সুসংহত ও সময়োপযোগী করে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। জাতীয় সেনা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় ও ইফতার অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দীর্ঘ সংগ্রামের পর জনগণের রায়ে নির্বাচিত সরকার দেশ পরিচালনা করছে।

দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার প্রশ্নে সীমান্ত বাহিনীকে যুগোপযোগী করে তুলতে যা যা প্রয়োজন, আমরা তা করব। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পিলখানায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন শহীদকে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, এই দিনটি জাতির ইতিহাসে এক রক্তাক্ত ও বেদনাবিধুর অধ্যায়।

১৭ বছর পরও সেই ক্ষত শুকায়নি। প্রতিটি শহীদের নাম একটি পরিবারের নিভে যাওয়া প্রদীপ, একটি অসমাপ্ত স্বপ্নের গল্প, মন্তব্য করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী জানান, পিলখানার ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণ করা হবে এবং ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারিকে ইতিহাসে যথাযথভাবে চিহ্নিত করতে সেনাবাহিনী ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা সংগ্রামের সূচনালগ্ন থেকে এই বাহিনী সেনাবাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দায়িত্ব পালন করেছে।

পরবর্তীকালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাহিনীকে পুনর্গঠন ও প্রাতিষ্ঠানিক শক্তি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেন। বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতীক আখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা এখন সময়ের দাবি।

একই সঙ্গে শহীদ পরিবারের সদস্যদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।