সেনা দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা: সীমান্ত বাহিনী হবে আধুনিক ও সুসংহত
- আপডেট সময় : ০৮:৪৪:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে আরও আধুনিক, সুসংহত ও সময়োপযোগী করে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। জাতীয় সেনা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় ও ইফতার অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দীর্ঘ সংগ্রামের পর জনগণের রায়ে নির্বাচিত সরকার দেশ পরিচালনা করছে।
দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার প্রশ্নে সীমান্ত বাহিনীকে যুগোপযোগী করে তুলতে যা যা প্রয়োজন, আমরা তা করব। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পিলখানায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন শহীদকে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, এই দিনটি জাতির ইতিহাসে এক রক্তাক্ত ও বেদনাবিধুর অধ্যায়।
১৭ বছর পরও সেই ক্ষত শুকায়নি। প্রতিটি শহীদের নাম একটি পরিবারের নিভে যাওয়া প্রদীপ, একটি অসমাপ্ত স্বপ্নের গল্প, মন্তব্য করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী জানান, পিলখানার ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণ করা হবে এবং ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারিকে ইতিহাসে যথাযথভাবে চিহ্নিত করতে সেনাবাহিনী ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা সংগ্রামের সূচনালগ্ন থেকে এই বাহিনী সেনাবাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দায়িত্ব পালন করেছে।
পরবর্তীকালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাহিনীকে পুনর্গঠন ও প্রাতিষ্ঠানিক শক্তি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেন। বাংলাদেশের সেনাবাহিনীকে দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতীক আখ্যা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা এখন সময়ের দাবি।
একই সঙ্গে শহীদ পরিবারের সদস্যদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।










