সুস্থ সাংস্কৃতি চর্চ্চার বিকাশে কাজ করে চলেছেন ‘সাহানারা’
- আপডেট সময় : ০৮:০২:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ জুলাই ২০২৩ ৪৭৯ বার পড়া হয়েছে
সংস্কৃতি সাধারণত চারপাশের সৌন্দর্যকে চিত্রিত করে। ভাষার এই নানামুখী ব্যবহার সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছে
অনিরুদ্ধ
উদার প্রকৃতির মমতায় গ্রামীণ পরিবেশে বেড়ে ওঠা তার। পারিবারিক গঠনমূলক জীবনযাত্রায় মুক্ত চিন্তা এবং মেধাকে কাজে লাগিয়ে সুস্থ সংস্কৃতির র্চ্চায় এগিয়েছে জীবন। শৈশব থেকেই শিক্ষা পেয়েছে ‘গুণগতমাণ’ (কোয়ান্টিটি নয়, কোয়ালিটি) সঠিক রেখে কাজ করার।
সঙ্গীত, বক্তৃতা, উপস্থাপনা এবং বাচিক তথা আবৃত্তি হচ্ছে সংস্কৃতির একটি অপরিহার্য উপাদান। সংস্কৃতির বহুমাত্রিক ব্যবহার অঞ্চল ভেদে মানুষের জীবনযাত্রার একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ দিয়ে থাকে। সংস্কৃতি সাধারণত চারপাশের সৌন্দর্যকে চিত্রিত করে। ভাষার এই নানামুখী ব্যবহার সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছে।
একাধারে তিনি একজন শিক্ষক, সমাজ ও পরিবেশকর্মী, সংগঠক, সফল বাচিক শিল্পী এবং সংস্কৃতি ভূবনের বাসিন্দা। শৈশব থেকেই সংস্কৃতির প্রতি দারুন মোহ। তার ইচ্ছে শক্তি প্রবল। সন্তানের এমন অবস্থায় বাবা-মা সহায়তা করেছেন। যে কাজটিই করবে, তা যেন হয় সুন্দর, গ্রহণযোগ্য এবং গুণগতমানের। মানুষের ভালোবাসা সস্তা কোন বস্তু নয়। এটি অর্জন করতে হয়।
সুস্থ সমাজ ও সংস্কৃতি চর্চ্চা এবং বাবা-মায়ের আদর্শকে সঙ্গী করে এতোটা পথ এগিয়েছেন ডায়মন্ড হারবার মহাকুমার সরিষা গ্রামের স্কুল শিক্ষিকা ও আবৃত্তি শিল্পী সাহানারা খাতুন।

শ্রুতিনাটক, আবৃত্তি, গান, রান্না, বই পড়া ইত্যাদির পাশাপাশি কাজ করে চলেছেন বাচিক শিল্পের সাধনায়। ব্যস্ত সময়ের মধ্যেও ছাত্রছাত্রীদের সাথে সময় দেওয়াটা দায়িত্ব মনে করেন। তার পরম নিত্যানন্দ রবীন্দ্রনাথ আর যেকোনো সমস্যার সমাধান নজরুল।
তার সাধনার ফসল ‘স্মার্ট কিডস’ স্কুল এবং ‘সৃজনী’ আবৃত্তি দল। তার স্বপ্নের আকাশ বিশাল। আবৃত্তি শিল্পকে বহুদূর এগিয়ে নেবার ভাবনা নিয়ে কাজ করছেন সাহানারা। বর্তমানে সোনারতরী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সহ সম্পাদিকা। যুক্ত রয়েছেন, এন আর বি ওয়ার্ল্ড নামের প্রবাসী বাঙালীদের চ্যানেলের সঙ্গে। তিনি এটির ভারতীয় আবাসিক সম্পাদক। কাজ করেন নীরবে-নিভৃতে। অনেকটা প্রচারবিমুখ এই শিক্ষক-আবৃত্তি শিল্পী ভালো কিছু করার তাগিদ অনুভব করেন ভেতর থেকে।

পথ শিশুদের কষ্ট তাকে ব্যথিত করে। তার সাধ্যানুযায়ী সহযোগিতা করেন। এই ঠিকাবিহীন মানব সন্তানদের নিয়ে তার ভাবনাকে সম্মান জানাতে হয়। সাহানারা খাতুনদের এমনি ভাবনা যতটা বাড়বে, সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষগুলো ততটাই উপকৃত হবে। তারাও তো এই সমাজেরই বাসিন্দা। বিচ্ছিন্ন কোন জনগোষ্ঠী নয়।
আগামীর পরিকল্পনায় দেশ-বিদেশে সুস্থ সাংস্কৃতি চর্চ্চার বিকাশ, বিশেষ করে আবৃত্তি শিল্পকে নিয়ে কাজ করার ইচ্ছে রয়েছে শিক্ষক ও আবৃত্তি শিল্পী সাহানারা খাতুনের।



















