ঢাকা ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
নির্বাচনে সরকার কোনো রাজনৈতিক দলকে অতিরিক্ত বা বিশেষ সুবিধা দিচ্ছে না: প্রেস সচিব সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও বান্ধবীর বিরুদ্ধে ২৫ কোটি টাকা চাঁদাবাজির মামলা ঝিলম ত্রিবেদীর কবিতা অপেক্ষা এলপিজির কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি জামায়াতের পরিবেশগত সংকট মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি ম্যানচেস্টার-সিলেট সরাসরি ফ্লাইট স্থগিতের আশঙ্কা: বিমানকে চিঠি ৮ ব্রিটিশ এমপি’র বিনিয়োগ সংকটে অর্থনীতি, এডিপি  বাস্তবায়ন ১০ বছরে সর্বনিম্নে ইন্টারনেট বন্ধের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ছে বিক্ষোভ, উত্তাল ইরানের সব প্রদেশ এলপিজি অটোগ্যাস সংকট: গ্যাস আছে, তবু নেই, কৃত্রিম অরাজকতায় জনজীবন বিপর্যস্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক মৃত্যুর করিডোর,  ১৪ ঘণ্টায়  ঝরলো ৯ প্রাণ,  দায় কার?

সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও বান্ধবীর বিরুদ্ধে ২৫ কোটি টাকা চাঁদাবাজির মামলা

বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৭:৩২:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬ ৩৬ বার পড়া হয়েছে

সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও বান্ধবীর বিরুদ্ধে ২৫ কোটি টাকা চাঁদাবাজির মামলা

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রায় ২৫ কোটি টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও তাঁর বান্ধবী তৌফিকা করিমসহ চারজনের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

রোববার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধিত ২০১৫)-এর ৪(২) ধারায় এ নিয়মিত মামলা দায়ের করে। মামলার অপর দুই আসামি হলেন মো. রাশেদুল কাওসার ভুঞা জীবন ও মো. কামরুজ্জামান।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএসপি) জসীম উদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে—আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে একটি সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্র গড়ে তোলে এবং দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিতভাবে চাঁদাবাজির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ আদায় করে আসছিল।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, চক্রটি ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, গুলশান শাখার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রতি মাসে প্রায় ১০ লাখ টাকা করে নিয়মিত চাঁদা আদায় করত। এভাবে দীর্ঘ সময়ে প্রায় ২৫ কোটি টাকার অবৈধ লেনদেন সংঘটিত হয়েছে বলে সিআইডির প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রতীয়মান হয়েছে।

বর্তমানে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট। অপরাধের পূর্ণাঙ্গ চিত্র উদঘাটন, অজ্ঞাত অন্যান্য সদস্যদের শনাক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে তদন্ত ও অনুসন্ধান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

সিআইডি আরও জানায়, অর্থপাচার ও আর্থিক অপরাধ দমনে তারা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে এবং এ ধরনের অপরাধে জড়িত যে কাউকেই আইনের আওতায় আনতে তাদের অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রম চলমান থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও বান্ধবীর বিরুদ্ধে ২৫ কোটি টাকা চাঁদাবাজির মামলা

আপডেট সময় : ০৭:৩২:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

প্রায় ২৫ কোটি টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও তাঁর বান্ধবী তৌফিকা করিমসহ চারজনের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

রোববার (১১ জানুয়ারি) বিকেলে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধিত ২০১৫)-এর ৪(২) ধারায় এ নিয়মিত মামলা দায়ের করে। মামলার অপর দুই আসামি হলেন মো. রাশেদুল কাওসার ভুঞা জীবন ও মো. কামরুজ্জামান।

সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএসপি) জসীম উদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধানে দেখা গেছে—আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে একটি সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্র গড়ে তোলে এবং দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিতভাবে চাঁদাবাজির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ আদায় করে আসছিল।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, চক্রটি ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, গুলশান শাখার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রতি মাসে প্রায় ১০ লাখ টাকা করে নিয়মিত চাঁদা আদায় করত। এভাবে দীর্ঘ সময়ে প্রায় ২৫ কোটি টাকার অবৈধ লেনদেন সংঘটিত হয়েছে বলে সিআইডির প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রতীয়মান হয়েছে।

বর্তমানে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট। অপরাধের পূর্ণাঙ্গ চিত্র উদঘাটন, অজ্ঞাত অন্যান্য সদস্যদের শনাক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে তদন্ত ও অনুসন্ধান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

সিআইডি আরও জানায়, অর্থপাচার ও আর্থিক অপরাধ দমনে তারা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে এবং এ ধরনের অপরাধে জড়িত যে কাউকেই আইনের আওতায় আনতে তাদের অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রম চলমান থাকবে।