ঢাকা ০৫:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রফতানি ও এপার-ওপার যাতায়তে আয় জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি এখনও তাজা, শহীদ ও আহতরা শুধু সংখ্যার অংশ নয় পোস্টাল ব্যালট নিয়ে পক্ষপাতের অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের সামনে ছাত্রদলের অবস্থান বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন সন্তান হারা মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ যেন হাজারো গুমের শিকার পরিবারের নীরব চিৎকার গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা

শ্রদ্ধা ভালোবাসায় স্মরণ শহীদ বুদ্ধিজীবীদের

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
  • আপডেট সময় : ০৭:৩০:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৭০ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

বাংলাদেশে জাতীয়ভাবে শ্রদ্ধা ভালোবাসায় স্মরণ করা হলো বাংলাদেশে একাত্তরের শহীদ বুদ্ধিজীবীদের। দিবসটি উপলক্ষে শনিবার প্রচন্ড শীত উপেক্ষা ভোর থেকে ঢাকার মিরপুর ও রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে মানুষের ঢল নামে। ১৯৭১ সালে পাকিনস্তানী বাহিনী ও তাদের দোসরদের হাতে নির্মমভাবে নিহত জাতির সূর্যসন্তানদের শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকা মিরপুর ও রায়ের শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে মানুষের ঢল নামে।

দিনের শুরুতে বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শহীদদের স্মৃতিতে শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। পরে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য স্মৃতিসৌধ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। শনিবার জাতীয় বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে শ্রদ্ধা জানাতে নানা বয়সী, নানা পেশার হাজারো মানুষ ছুটে আসেন আসেন স্মৃতিসৌধে।

একাত্তর সালের এই দিনটিতে এ দেশীয় রাজাকার, আল বদর, আল শামসদের সহায়তায় পাক সেনাদের হাতে নির্মমভাবে খুন হন দেশের বরেণ্য শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, শিল্পীসহ জাতির মেধাবী সন্তানেরা।

পরে তাদেও মরদেহ ঢাকার রায়েরবাজার ও মিরপুরসহ কয়েকটি বধ্যভূমিতে ফেলে দেওয়া হয়। পরাজয় আসন্ন বুঝতে করতে পেরে পাকিস্তানি বাহিনী এবং তাদের দেশীয় দোসররা দেশকে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে পঙ্গু করার লক্ষ্যে এই গণহত্যা চালায়। সেই স্মৃতিকে অমর করে রাখতেই প্রতিবছর উদযাপিত হয় দিবসটি।

শ্রদ্ধা জানাতে আসা অনেকেই মনে করেন, সে সময়ে দেশের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা ছিল একটা সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা। জাতিকে মেধাশূন্য করার এক গভীর চক্রান্ত ছিল এই হত্যাকাণ্ড। সেই নির্মম ঘটনার স্মৃতি ধরে রাখতেই আজ এখানে ছুটে আসা। এদিন সকল মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

শ্রদ্ধা ভালোবাসায় স্মরণ শহীদ বুদ্ধিজীবীদের

আপডেট সময় : ০৭:৩০:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪

 

বাংলাদেশে জাতীয়ভাবে শ্রদ্ধা ভালোবাসায় স্মরণ করা হলো বাংলাদেশে একাত্তরের শহীদ বুদ্ধিজীবীদের। দিবসটি উপলক্ষে শনিবার প্রচন্ড শীত উপেক্ষা ভোর থেকে ঢাকার মিরপুর ও রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে মানুষের ঢল নামে। ১৯৭১ সালে পাকিনস্তানী বাহিনী ও তাদের দোসরদের হাতে নির্মমভাবে নিহত জাতির সূর্যসন্তানদের শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকা মিরপুর ও রায়ের শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে মানুষের ঢল নামে।

দিনের শুরুতে বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শহীদদের স্মৃতিতে শ্রদ্ধা জানান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। পরে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য স্মৃতিসৌধ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। শনিবার জাতীয় বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে শ্রদ্ধা জানাতে নানা বয়সী, নানা পেশার হাজারো মানুষ ছুটে আসেন আসেন স্মৃতিসৌধে।

একাত্তর সালের এই দিনটিতে এ দেশীয় রাজাকার, আল বদর, আল শামসদের সহায়তায় পাক সেনাদের হাতে নির্মমভাবে খুন হন দেশের বরেণ্য শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, শিল্পীসহ জাতির মেধাবী সন্তানেরা।

পরে তাদেও মরদেহ ঢাকার রায়েরবাজার ও মিরপুরসহ কয়েকটি বধ্যভূমিতে ফেলে দেওয়া হয়। পরাজয় আসন্ন বুঝতে করতে পেরে পাকিস্তানি বাহিনী এবং তাদের দেশীয় দোসররা দেশকে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে পঙ্গু করার লক্ষ্যে এই গণহত্যা চালায়। সেই স্মৃতিকে অমর করে রাখতেই প্রতিবছর উদযাপিত হয় দিবসটি।

শ্রদ্ধা জানাতে আসা অনেকেই মনে করেন, সে সময়ে দেশের বুদ্ধিজীবীদের হত্যা ছিল একটা সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা। জাতিকে মেধাশূন্য করার এক গভীর চক্রান্ত ছিল এই হত্যাকাণ্ড। সেই নির্মম ঘটনার স্মৃতি ধরে রাখতেই আজ এখানে ছুটে আসা। এদিন সকল মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়।