শনিবার বাংলাদেশ-ভারতে ঈদুল ফিতর
- আপডেট সময় : ০৮:৪৯:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ এপ্রিল ২০২৩ ১৯৩ বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা
শুক্রবার সৌদী আরব ও ইউরোপের বহু দেশে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে। বাংলাদেশ ও ভারতের আকাশে শুক্রবার সন্ধ্যায় সাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়। শনিবার পবিত্র ঈদুল ফিতর পালন করবেন বাংলাদেশ ও ভারতের মুসলমানগণ।
ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও দেশের জনগণকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
ঢাকায় ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাদে। ঢাকার প্রাণ কেন্দ্র হাইকোর্ট চত্বরের লাগোয়া জাতীয় ঈদগাহে সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় ঈদগাহে দেশের প্রধান ঈদ জামাতে রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, কূটনৈতিকসহ অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি অংশষ গ্রহণ করে থাকেন। ২৫ হাজার ৪০০ বর্গমিটার আয়তনের জাতীয় ঈদগাহ প্যান্ডেলে একসঙ্গে ৩৫ হাজার মুসল্লি (নারী-পুরুষ) ঈদের জামাদে অংশ নিতে পারবেন।
প্যান্ডেল ছাড়াও বাইরে চারপাশের রাস্তাগুলোতে অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ ঈদ জামাতে অংশগ্রহণ করে থাকেন। জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত ঘিরে চারস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ব্যবস্থাপনায় প্রতি বছর দুই ঈদে জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। পাশাপাশি প্রতিবছরের ন্যায় এবারে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে ৫টি জামায়াত অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সার্বিক প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম সরেজমিন পরিদর্শন করেন ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস।

এসময় তিনি বলেন, ভিআইপিসহ ঢাকাবাসীকে সাদরে অভ্যর্থনা জানাতে পরিপূর্ণভাবে প্রস্তুত রয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। তাপস বলেন, আমরা আশা করছি রাষ্ট্রপতি আমাদের সাথে ঈদের জামাতে অংশ নেবেন। পাশাপাশি মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, সচিব, কূটনৈতিকসহ ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিবর্গ অংশ নেবেন। ঢাকাবাসী ও সাধারণ মুসল্লি সকলের জন্য সুষ্ঠু আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। মহিলাদের জন্য আলাদা পথ রাখা হয়েছে।
গরমে কেউ যেন কষ্ট না পায়, তার জন্য পর্যাপ্ত খাবার পানির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সব দিক বিবেচনা করে হঠাৎ করে ঝড়বৃষ্টি হলে যাতে পানি জমতে না পারে বা বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত না হতে পারে, সে জন্য পুরোটাই আমরা ত্রিপল দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে এবং পর্যাপ্ত পাখা ও চিকিৎসা সহযোগিতার ব্যবস্থাও রেখেছি। গতবারের তুলনায় এবার স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে অধিক সংখ্যক চিকিৎসক থাকবে। তীব্র দাবদাহ চলছে তাতে কেউ অসুস্থ হলে যেন সঙ্গে সঙ্গে সেবা দিতে সিভিল সার্জন অফিসসহ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন আলাদা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের ব্যবস্থা করেছে।
মেয়র জানান, ‘যেহেতু রাষ্ট্রপতি আসবেন, তাই এসএসএফসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী নিñিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকবে। একটি সুন্দর-সুষ্ঠু পরিবেশে ব্যাপক মুসল্লির অংশগ্রহণে ঈদের মূল জামাত আয়োজন করা সম্ভব হবে। ঈদগাহ পরিদর্শনকালে অন্যদের মধ্যে ইসলামিক ফাউন্ডেশন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর, গণপূর্ত অধিদপ্তর, পুলিশ ও র্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।



















