রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ একেবারেই রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত
- আপডেট সময় : ০৫:৩৩:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৪ ১৯২ বার পড়া হয়েছে
বঙ্গভবনের সামনে বিক্ষোভ আন্দোলনের প্রয়োজন নেই
অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম বলেছেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ একেবারেই রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। এটি সাংবিধানিক প্রশ্ন নয়। রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে রাজনৈতিক আলোচনা, সমঝোতা ও জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বিষয়টি এই মুহূর্তে বাংলাদেশে আইনি বা সাংবিধানিক প্রশ্ন নয়, এটি একেবারেই রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, একটি গণঅভ্যুত্থানে জনগণের সমর্থনে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে। রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার স্বার্থে বিদ্যমান সংবিধান ও রাষ্ট্রপতিকে রেখেই আমরা সরকার গঠন করেছিলাম। কিন্তু আমাদের যদি মনে হয়, এই সেটআপে অন্তর্বতী সরকারের রাষ্ট্র পরিচালনার কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং জনগণ এই সরকারে অসন্তুষ্ট, তাহলে বিষয়টি নিয়ে আমরা ভাববো এবং পুনর্মূল্যায়ন করছি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, দেশি বিদেশি চক্রান্ত চলছে। দেশে যেন এমন কোন পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, যা থেকে সুবিধাভোগী গোষ্ঠী সুবিধা নিতে পারে, সেই বিষয়ে সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান ।
কোনো ধরনের সুবিধাভোগী গোষ্ঠী বা নানা ধরনের দেশি বিদেশি চক্রান্ত চলছে। দেশে যেন এমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি না হয়, যাতে তারা সুবিধা নিতে পারে, সেই বিষয়ে সাধারণ মানুষকে একইসঙ্গে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান নাহিদ ইসলাম ।
তথ্য উপদেষ্টা মনে করেন, এটা রাজনৈতিক আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তিনি সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান এবং অন্তর্বর্তী সরকার এ বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। জনগণের যেকোনো যৌক্তিক দাবির প্রতি আমাদের সংহতি ও সংবেদনশীলতা রয়েছে। সবার কাছে আহ্বান থাকবে যাতে বিষয়টি নিয়ে কোনো ধরনের অরাজকতার পরিস্থিতি তৈরি না হয় এবং বঙ্গভবনের সামনে বিক্ষোভ আন্দোলনের প্রয়োজন নেই।
তাঁর মতে, রাষ্ট্রপতি থাকবেন কি থাকবেন না, সেটি বাংলাদেশে আইনি বা সাংবিধানিক প্রশ্ন নয়, এটি একেবারেই রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। রাজনৈতিক সমঝোতা ও জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে এই বিষয়ে একটা সিদ্ধান্তে আসা যেতে পারে। অন্তর্বর্তী সরকারের তরফে বিভিন্ন অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে। আলোচনার মাধ্যমে একটি সিদ্ধান্ত হয়তো আসবে। তবে এই সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে আমরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা এবং শৃঙ্খলাকে।
জনগণের মেসেজটি আমরা সবাই পেয়েছি এবং সে বিষয়ে সবাই আলোচনা করছি। আলোচনার মাধ্যমেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তাই সবাইকে শান্ত থাকার এবং সচেতন থাকার আহ্বান থাকবে।




















