রাজশাহীতে মৌসুমের সর্বনিম্ন ৭ ডিগ্রি, ১০ জেলায় শৈত্যপ্রবাহে জবুথবু জনজীবন
- আপডেট সময় : ১২:৩৩:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬ ৫৭ বার পড়া হয়েছে
ঘন কুয়াশায় পথঘাট আড়াল হয়ে গেছে, তীব্র শীতে আগুন জ্বালিয়ে উষ্ণতা নিচ্ছেন গ্রামীণ জনপদের মানুষ : ছবি সংগ্রহ
উত্তরাঞ্চলের রাজশাহীতে চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। এর মধ্য দিয়ে দেশে শীতের তীব্রতা আরও এক ধাপ বেড়েছে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদেরা।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, এর আগে গত ৩১ ডিসেম্বর গোপালগঞ্জে মৌসুমের সর্বনিম্ন ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল। মঙ্গলবার সেই রেকর্ড ভেঙে রাজশাহীতে তাপমাত্রা আরও কমে ৭ ডিগ্রিতে নেমে আসে। বর্তমানে রাজশাহীসহ দেশের ১০টি জেলার ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
শৈত্যপ্রবাহ কবলিত জেলাগুলো হলো, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, দিনাজপুর, নীলফামারী, পঞ্চগড়, রাঙামাটি, যশোর, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গা। এসব অঞ্চলে ভোর ও রাতের দিকে তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। ঘন কুয়াশার কারণে অনেক জায়গায় সকাল পর্যন্ত সূর্যের দেখা মিলছে না।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক জানান, রাজশাহীতে রেকর্ড হওয়া ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন। তিনি বলেন, আগামী তিন থেকে চার দিন তাপমাত্রা কিছুটা ওঠানামা করতে পারে। তবে চলতি মাসের ১০ বা ১১ তারিখের দিকে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া বিজ্ঞানের ভাষায়, কোনো এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ১ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। ৬ দশমিক ১ থেকে ৮ ডিগ্রি হলে সেটি মাঝারি এবং ৪ দশমিক ১ থেকে ৬ ডিগ্রি হলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে ধরা হয়। তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রির নিচে নামলে তাকে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর চলতি মাসের শুরুতে দেওয়া দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে জানিয়েছিল, জানুয়ারিতে অন্তত পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে, যার মধ্যে একটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রবল শীতে বয়স্ক ও শিশুরা বিশেষভাবে ঝুঁকিতে থাকেন। শীতজনিত রোগ যেমন নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও আমাশয়ের প্রকোপ এ সময় বাড়তে পারে বলে চিকিৎসকেরা সতর্ক করেছেন।


















