ঢাকা ১২:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাংলাদেশ নিয়ম-ভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে সমর্থন করে: তৌহিদ হোসেন প্রত্যেকটি অন্যায়ের বিচার চাইলে গণতান্ত্রিক সরকার অপরিহার্য, তারেক রহমান গোপালগঞ্জ-৩: প্রার্থিতা ফিরে পেলেন হিন্দু মহাজোটের গোবিন্দ প্রামানিক কাঁদছে জলহারা প্রমত্তা ব্রহ্মপুত্র, বুকে তার ধু ধু বালুচর ৫৬ পর্যবেক্ষক মোতায়েন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে  এখনই অতি সতর্কতার প্রয়োজন নেই: ইইউ ইরান ভেনেজুয়েলা নয়: ট্রাম্পের জন্য সহজ নয় জয়ের পথ গুমের শিকার পরিবারগুলোর পাশে তারেক রহমান, মানবিক আবেগে ভরা মতবিনিময় সভা খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জন’ দেওয়া হয়েছিল: ডা. এফ এম সিদ্দিকীর গুরুতর অভিযোগ কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ: রংপুরে বাংলাদেশ কৃষক ঐক্য ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় সমাবেশ ২১ দিন লাশের সঙ্গে বসবাস: ঋণ-বিবাদে নৃশংসভাবে খুন মা ও কিশোরী মেয়ে

মোকা আতঙ্কে সাতক্ষীরার আম চাষীরা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩০:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ মে ২০২৩ ২১৭ বার পড়া হয়েছে

ঘূর্ণিঝড় মোকা আতঙ্কে সাতক্ষীরার আমচাষীরা : ছবি সংগ্রহ

ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিনিধি

পীলে চমকানো আতঙ্ক গ্রাস করেছে সাতক্ষীরার আমচাষীদের। ঘূর্ণিঝড় মোকা প্রভাবে গাছের আম পড়ে গিয়ে নষ্ট হতে পারে, এমন আতঙ্ক থেকে গাছের আম পেড়ে কম দামে বিক্রি করছেন চাষীরা।

আমচাষিদের বক্তব্য মোখা আঘাত হানলে আম পড়ে যাবে এবং তা বিক্রি করা যাবে না। মোকার কবল থেকে আম রক্ষায় আগাম পেড়ে বিক্রি করছেন। তাতে দাম অনেক কমে গিয়েছে।

কৃষি বিভাগ বলছে, যদিও শুক্রবার পর্যন্ত সাতক্ষীরা জেলায় মোকার আঘাত হানতে এমন কোন শঙ্কা নেই বলে তারা প্রচার চালিয়েছেন। কিন্তু তাতে চাষীদের আম পাড়া বন্ধ করতে পারেননি।

গত মৌসুমে আম চাষে লাভের মুখ দেখতে পারেননি। চলতি মৌসুমে আমের ফলন ভাল হওয়ায় গত মৌসুমের লোকসান কাটিয়ে উঠার আশা দেখেন চাষীরা। কিন্তু গেল এপ্রিলের শেষের দিকে ঝড়ে অনেক আম পড়ে যায়। এখন ঘূর্ণিঝড় মোকা আতঙ্ক। এ কারণে চাষিরা আম পেড়ে বাজারে তুলে অর্ধেক দাম পাচ্ছেন।

সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রের খবর, সাতক্ষীরার ৭টি উপজেলায় ৪ হাজার ১১৫ হেক্টর জমিতে আমবাগানের সংখ্যা ৫ হাজার ২৯৯টি। জেলায় আমচাষির সংখ্যা ১৩ হাজার ১০০। এবারে আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৫ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন।

প্রথম ধাপে ৫ মে থেকে গোবিন্দভোগ ও গোপালভোগ পাড়া শুরু হয়। দ্বিতীয় ধাপে ১২ মে থেকে হিমসাগর আম পাড়া, তৃতীয় ধাপে ১৮ মে ল্যাংড়া ও চতুর্থ ধাপে ২৮ মে আম্রপালি আম সংগ্রহ শুরু করার কথা।

ঘূর্ণিঝড় মোখার আতঙ্কে দুই দিন ধরে আম পেড়ে বাজারজাত করার চেষ্টা করছেন চাষীরা। কিন্তু বাজারে বিপুল পরিমাণ আম ওঠায় দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে। দুই দিন আগে যে আম দুই হাজার টাকা মণ দরে বিক্রি হয়েছে শুক্রবার তা নেমে আসে এক হাজার টাকায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মোকা আতঙ্কে সাতক্ষীরার আম চাষীরা

আপডেট সময় : ০৯:৩০:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ মে ২০২৩

নিজস্ব প্রতিনিধি

পীলে চমকানো আতঙ্ক গ্রাস করেছে সাতক্ষীরার আমচাষীদের। ঘূর্ণিঝড় মোকা প্রভাবে গাছের আম পড়ে গিয়ে নষ্ট হতে পারে, এমন আতঙ্ক থেকে গাছের আম পেড়ে কম দামে বিক্রি করছেন চাষীরা।

আমচাষিদের বক্তব্য মোখা আঘাত হানলে আম পড়ে যাবে এবং তা বিক্রি করা যাবে না। মোকার কবল থেকে আম রক্ষায় আগাম পেড়ে বিক্রি করছেন। তাতে দাম অনেক কমে গিয়েছে।

কৃষি বিভাগ বলছে, যদিও শুক্রবার পর্যন্ত সাতক্ষীরা জেলায় মোকার আঘাত হানতে এমন কোন শঙ্কা নেই বলে তারা প্রচার চালিয়েছেন। কিন্তু তাতে চাষীদের আম পাড়া বন্ধ করতে পারেননি।

গত মৌসুমে আম চাষে লাভের মুখ দেখতে পারেননি। চলতি মৌসুমে আমের ফলন ভাল হওয়ায় গত মৌসুমের লোকসান কাটিয়ে উঠার আশা দেখেন চাষীরা। কিন্তু গেল এপ্রিলের শেষের দিকে ঝড়ে অনেক আম পড়ে যায়। এখন ঘূর্ণিঝড় মোকা আতঙ্ক। এ কারণে চাষিরা আম পেড়ে বাজারে তুলে অর্ধেক দাম পাচ্ছেন।

সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রের খবর, সাতক্ষীরার ৭টি উপজেলায় ৪ হাজার ১১৫ হেক্টর জমিতে আমবাগানের সংখ্যা ৫ হাজার ২৯৯টি। জেলায় আমচাষির সংখ্যা ১৩ হাজার ১০০। এবারে আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৫ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন।

প্রথম ধাপে ৫ মে থেকে গোবিন্দভোগ ও গোপালভোগ পাড়া শুরু হয়। দ্বিতীয় ধাপে ১২ মে থেকে হিমসাগর আম পাড়া, তৃতীয় ধাপে ১৮ মে ল্যাংড়া ও চতুর্থ ধাপে ২৮ মে আম্রপালি আম সংগ্রহ শুরু করার কথা।

ঘূর্ণিঝড় মোখার আতঙ্কে দুই দিন ধরে আম পেড়ে বাজারজাত করার চেষ্টা করছেন চাষীরা। কিন্তু বাজারে বিপুল পরিমাণ আম ওঠায় দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে। দুই দিন আগে যে আম দুই হাজার টাকা মণ দরে বিক্রি হয়েছে শুক্রবার তা নেমে আসে এক হাজার টাকায়।