মওলানা ভাসানীকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্বীকৃতির দিতে প্রধান উপদেষ্টাকে বাংলাদেশ ন্যাপের স্মারকলিপি
- আপডেট সময় : ০৭:০১:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫ ১৮৬ বার পড়া হয়েছে
স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা, মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারম্যান ও মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৯তম মৃত্যুবার্ষিকী রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালনের উদ্যোগ গ্রহণ এবং ১৭ নভেম্বরকে জাতীয় দিবস ঘোষণার দাবিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ।
গত ৪ নভেম্বর দলের চেয়ারম্যান জেবেল হোসেন গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়ার স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিটি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে জমা দেন দলের যুগ্ম মহাসচিব মিতা রহমান, প্রচার সম্পাদক গোলাম মোস্তাকিন ভুইয়া এবং নির্বাহী সদস্য মো. জাহিদুল ইসলাম।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, মওলানা ভাসানীই বাঙালির স্বায়ত্তশাসন থেকে স্বাধীনতার স্বপ্নের বীজ বপন করেছিলেন। স্বাধীনতার ইতিহাস নির্মাণে তার নাম উপেক্ষা করা সত্য বিকৃতি ছাড়া কিছু নয়। দেশের শোষণহীন, সাম্যভিত্তিক ও অসাম্প্রদায়িক সমাজ প্রতিষ্ঠায় আজীবন সংগ্রাম করেও তিনি বারবার রাষ্ট্রীয় মর্যাদা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। দেশের ইতিহাসে দীর্ঘতম সময় ধরে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকা নেতাদের মধ্যে তিনি ব্যতিক্রমী এক নাম।
বাংলাদেশ ন্যাপ অভিযোগ করে বলে, অতীতের সব সরকারই ভাসানীর অবদানকে প্রয়োজনমতো ব্যবহার করলেও তাকে কখনো প্রাপ্য সম্মান দেয়নি। ফলে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তার জন্ম ও মৃত্যুদিন পালন না করার বিষয়টি একটি বড় প্রশ্ন হয়ে রয়ে গেছে। নতুন প্রজন্মের কাছে প্রকৃত ইতিহাস তুলে ধরতে এখনই প্রয়োজন জাতীয়ভাবে তাকে স্মরণ করা।
স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে পাকিস্তানি শাসনবিরোধী লড়াই, ভাষা আন্দোলন, ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনোত্তর গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও ১৯৭৬ সালের ঐতিহাসিক ফারাক্কা লংমার্চ-প্রতিটি সংগ্রামেই ভাসানী ছিলেন নেতৃত্বের প্রথম সারিতে। তাই তার মৃত্যুদিনকে জাতীয় রাজনৈতিক ইতিহাসের স্মরণীয় দিন হিসেবে ঘোষণা করে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালন করা জাতির দায়মুক্তি নিশ্চিত করবে।



















