ঢাকা ০৫:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চাউলের দাম বৃদ্ধির খবরে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রথানমন্ত্রীর নির্দেশ জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে হাই কোর্টের রুল সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দূতাবাসের ঈদযাত্রা ঘিরে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু, টার্মিনাল ও স্টেশনে ভিড় দুবাই ছাড়তে ধনকুবেরদের হুড়োহুড়ি, প্রাইভেট জেটের ভাড়া কয়েক গুণ বৃদ্ধি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে গতি আনতে একমত ঢাকা-দিল্লি চাঁদাবাজি-ছিনতাই দমনে জিরো টলারেন্স: মাঠ পর্যায়ে কঠোর বার্তা আইজিপির কুয়েতে তিন মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত, কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের ‘নাম্বার ওয়ান প্রায়োরিটি’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি জাহানারা আরজু আর নেই

ভিডিও গেমস যেন সহিংসতার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র!

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:২১:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুন ২০২১ ২৭৮ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 অশ্নীলতা ছড়াচ্ছে টিকটক লাইকি বিগো লাইভ

‘সন্ত্রাস-সহিংসতার গেম ফ্রি ফায়ারও পিছিয়ে নেই। ফ্রি ফায়ার প্রতিদিন খেলছে প্রায় ৫০ কোটি মানুষ। প্রতিদিন ডাউনলোড হচ্ছে ৮ কোটি গেম। ফ্রি ফায়ারের বাজার আকার প্রায় ৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার’

একাধিক সমীক্ষা অনুযায়ী পৃথিবীতে বর্তমানে প্রতিদিন ৮৭ কোটি মানুষ পাবজি-ফ্রি ফায়ার খেলছে। গুগল প্লে স্টোর ও আই স্টোর থেকে প্রতিদিন ডাউনলোড হচ্ছে প্রায় ১০ কোটি। বাংলাদেশেও প্রতিদিন ১ কোটির বেশি গেম খেলার পরিসংখ্যান পাওয়া যাচ্ছে, একাধিক অনলাইন সমীক্ষা থেকে।

জনপ্রিয় অনলাইন ভিডিও গেমগুলো শিশু-কিশোরদের জন্য হয়ে উঠছে সন্ত্রাস, সহিংসতার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। আগে যেখানে স্কুলের পড়া শেষে শিক্ষার্থীরা একটি ভালো গল্পের বই খুঁজত, সংগীত কিংবা

ছবি আঁকার ক্লাসে ঢুকত, দেয়াল পত্রিকা কিংবা বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নিত, সেখানে এখন শিক্ষার্থীরা স্কুলের ক্লাস ভুলে ব্যস্ত হয়ে পড়ছে পাবজি, ফ্রি ফায়ার কিংবা গ্র্যান্ড থেফট অটো খেলায়।

শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞরা হিংস্রতা ও যৌনতাযুক্ত এই খেলাগুলো নিষিদ্ধ করার পক্ষে অভিমত দেন, যা অনেক দেশে হচ্ছে। অনলাইনে ভালো কনটেন্ট, খেলা দেওয়ার পরামর্শ তাদের।

অন্যদিকে সন্ত্রাস-সহিংসতার গেম ফ্রি ফায়ারও পিছিয়ে নেই। ফ্রি ফায়ার প্রতিদিন খেলছে প্রায় ৫০ কোটি মানুষ। প্রতিদিন ডাউনলোড হচ্ছে ৮ কোটি গেম। ফ্রি ফায়ারের বাজারের আকার প্রায় ৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বিশ্বখ্যাত বাজার পর্যবেক্ষণ প্রতিষ্ঠান স্ট্যাটিসটার তথ্য অনুযায়ী, শুধু পাবজির বিশ্ববাজারের আকার বর্তমানে ১১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সমীক্ষা অনুযায়ী যত মানুষ প্রতিদিন এই গেম খেলছে তার ৫৮ শতাংশই খেলছে স্মার্টফোনে। বাকিরা খেলছে ল্যাপটপ কিংবা ডেস্কটপ কম্পিউটারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভিডিও গেমস যেন সহিংসতার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র!

আপডেট সময় : ০৯:২১:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ জুন ২০২১

 অশ্নীলতা ছড়াচ্ছে টিকটক লাইকি বিগো লাইভ

‘সন্ত্রাস-সহিংসতার গেম ফ্রি ফায়ারও পিছিয়ে নেই। ফ্রি ফায়ার প্রতিদিন খেলছে প্রায় ৫০ কোটি মানুষ। প্রতিদিন ডাউনলোড হচ্ছে ৮ কোটি গেম। ফ্রি ফায়ারের বাজার আকার প্রায় ৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার’

একাধিক সমীক্ষা অনুযায়ী পৃথিবীতে বর্তমানে প্রতিদিন ৮৭ কোটি মানুষ পাবজি-ফ্রি ফায়ার খেলছে। গুগল প্লে স্টোর ও আই স্টোর থেকে প্রতিদিন ডাউনলোড হচ্ছে প্রায় ১০ কোটি। বাংলাদেশেও প্রতিদিন ১ কোটির বেশি গেম খেলার পরিসংখ্যান পাওয়া যাচ্ছে, একাধিক অনলাইন সমীক্ষা থেকে।

জনপ্রিয় অনলাইন ভিডিও গেমগুলো শিশু-কিশোরদের জন্য হয়ে উঠছে সন্ত্রাস, সহিংসতার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। আগে যেখানে স্কুলের পড়া শেষে শিক্ষার্থীরা একটি ভালো গল্পের বই খুঁজত, সংগীত কিংবা

ছবি আঁকার ক্লাসে ঢুকত, দেয়াল পত্রিকা কিংবা বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নিত, সেখানে এখন শিক্ষার্থীরা স্কুলের ক্লাস ভুলে ব্যস্ত হয়ে পড়ছে পাবজি, ফ্রি ফায়ার কিংবা গ্র্যান্ড থেফট অটো খেলায়।

শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞরা হিংস্রতা ও যৌনতাযুক্ত এই খেলাগুলো নিষিদ্ধ করার পক্ষে অভিমত দেন, যা অনেক দেশে হচ্ছে। অনলাইনে ভালো কনটেন্ট, খেলা দেওয়ার পরামর্শ তাদের।

অন্যদিকে সন্ত্রাস-সহিংসতার গেম ফ্রি ফায়ারও পিছিয়ে নেই। ফ্রি ফায়ার প্রতিদিন খেলছে প্রায় ৫০ কোটি মানুষ। প্রতিদিন ডাউনলোড হচ্ছে ৮ কোটি গেম। ফ্রি ফায়ারের বাজারের আকার প্রায় ৭৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বিশ্বখ্যাত বাজার পর্যবেক্ষণ প্রতিষ্ঠান স্ট্যাটিসটার তথ্য অনুযায়ী, শুধু পাবজির বিশ্ববাজারের আকার বর্তমানে ১১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। সমীক্ষা অনুযায়ী যত মানুষ প্রতিদিন এই গেম খেলছে তার ৫৮ শতাংশই খেলছে স্মার্টফোনে। বাকিরা খেলছে ল্যাপটপ কিংবা ডেস্কটপ কম্পিউটারে।