ভারতে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় গভীর উদ্বেগ জানাল বাংলাদেশ
- আপডেট সময় : ০৬:৫২:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ ৭৬ বার পড়া হয়েছে
ভারতে মুসলিম, খ্রিস্টানসহ বিভিন্ন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যদের বিরুদ্ধে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড, গণপিটুনি, নির্বিচারে আটক এবং ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে বাধার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকার। এসব ঘটনাকে বাংলাদেশ ঘৃণাজনিত অপরাধ ও লক্ষ্যভিত্তিক সহিংসতা হিসেবে দেখছে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের। একই সঙ্গে দুদিন আগে শুক্রবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের দেওয়া বক্তব্যও প্রত্যাখ্যান করে বাংলাদেশ।
মুখপাত্র এস এম মাহবুবুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, চলতি মাসে ভারতের উড়িষ্যায় মুসলিম যুবক জুয়েল রানার নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। একইভাবে বিহারে আতহার হুসেইনের হত্যাকাণ্ড এবং কেরালায় বাংলাদেশি সন্দেহে এক নিরীহ ব্যক্তির নিহত হওয়ার ঘটনাও গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
এ ছাড়া ভারতের বিভিন্ন স্থানে মুসলিম ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সদস্যদের ওপর গণপিটুনি ও সহিংসতার একাধিক ঘটনার তথ্য পাওয়া গেছে। মুখপাত্র বলেন, বিশেষ করে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ক্রিসমাস উদযাপন উপলক্ষে গত সপ্তাহে ভারতের বিভিন্ন এলাকায় যে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, তা বাংলাদেশ গভীরভাবে উদ্বেগের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে।
এসব কর্মকাণ্ডকে বাংলাদেশ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করে এবং ঘৃণাজনিত অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে। বাংলাদেশের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ভারতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এসব ঘটনার নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত পরিচালনা করবে এবং দোষীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনবে। পাশাপাশি তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, প্রতিটি রাষ্ট্রেরই দায়িত্ব নিজ নিজ দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা, যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার নীতির সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।
এ সময় ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের দুই অভিযুক্তের ভারতে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, বিষয়টি সরকারের নজরে এসেছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের পর সংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়া অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।



















