ঢাকা ০৪:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যুদ্ধ থামিয়ে ইসরায়েলকে গাজা পুনর্গঠনে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র! অভিযোগ অরুণাচলের আদিবাসীদের ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী, দখলে নিয়েছে বিস্তৃত এলাকা বিটাকের প্রশিক্ষণে বিনিয়োগের সুফল বেশি নারীদের শতভাগ কর্মসংস্থান ইতিবাচক শিল্পমন্ত্রী জাতীয় সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি  টাকার বাজেট পাস ভারতের উদ্বেগকে গুরুত্ব দিচ্ছে না চীন তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস সমাপনী বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী ঋণনির্ভর নয়, বাংলাদেশ বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতির পথে আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল, এমপি হিসেবে শপথ নেওয়ার পথ বন্ধ বিটিভিতে সরাসরি সম্প্রচার: ইনুর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় দুপুরে জাপানিজ রক্ষণের দুর্ভেদ্য দেয়াল ভেঙে ব্রাজিলের জয়ের হাসি নকআউটের আগে আর্জেন্টিনার স্বস্তির খবর

ভারতের নতুন শিল্প নীতি বিশ্বের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে জম্মু ও কাশ্মীর

ভয়েস ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৯:২৬:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ অগাস্ট ২০২১ ৩২১ বার পড়া হয়েছে
ভয়েস একাত্তর অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভারতের নতুন শিল্প নীতি বিশ্বের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ। ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখের বিশেষ মর্যাদা বাতিল হওয়ার পরে এই সম্ভাবনা তৈরি হয়।

সৌদি গেজেট জানিয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীর সরকার এ বছরের এপ্রিলের শুরুতে উন্মোচিত ‘নতুন শিল্প নীতি ২০২১-৩০’ এই খাতকে আরও গতি দিয়েছে, যা এই অঞ্চলকে বিশ্বের জন্য উন্মুক্ত করেছে।

জম্মু ও কাশ্মীরে ‘নতুন শিল্প নীতি ২০২১-৩০’ কার্যকর হওয়ার পরপরই কাশ্মীরি ব্যবসায়ীরা তাকে স্বাগত জানায়। ফেডারেশন চেম্বার অফ ইন্ডাস্ট্রিজ কাশ্মীর (এফসিআইকে) উপত্যকার

শীর্ষস্থানীয় শিল্পপতিদের একটি জোট, নতুন নীতিকে স্বাগত জানিয়ে বলেছে, এটি উদ্যোক্তাদের মধ্যে আশা সঞ্চার করেছে।

এফসিআইকে সভাপতি শহীদ কামিলি বলেন, নতুন শিল্প নীতিতে বিভিন্ন নতুন খাতকে ইতিবাচক তালিকা এবং ফোকাস খাতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে সম্প্রসারিত হয়েছে পর্যটন, আতিথেয়তা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ইত্যাদি খাত।

এফসিআইকে সভাপতি বিভিন্ন স্তরে মামলার অনুমোদনের সময়সীমা নির্ধারণের জন্য সরকারের প্রশংসা করেন। নতুন শিল্প নীতি ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হয়েছে। এদিন বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসা সমস্ত শিল্প ইউনিট এবং সেইসাথে বিদ্যমান ইউনিটগুলি যথেষ্ট ভালো করছে।

নতুন নীতিতে আগামী ১৫ বছরের জন্য জম্মু ও কাশ্মীরের শিল্প উন্নয়নে ২৮ হাজার ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, যা আজ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় প্রণোদনা। এই নীতিতে বিশেষভাবে জম্মু ও

কাশ্মীরের মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য এই অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের যুগের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। বহিরাগতদের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসে বিনিয়োগ করতে কোনো বাধা নেই।

সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যেদিন থেকে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করা হয়েছে, সেদিন থেকে ৪০টিরও বেশি কোম্পানি বিনিয়োগ প্রস্তাব নিয়ে এগিয়ে এসেছে এবং সরকার ১৫০০ কোটি টাকা (১৫ বিলিয়ন টাকা) পর্যন্ত ৩০টিরও বেশি প্রস্তাব গ্রহণ করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভারতের নতুন শিল্প নীতি বিশ্বের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে জম্মু ও কাশ্মীর

আপডেট সময় : ০৯:২৬:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ অগাস্ট ২০২১

ভারতের নতুন শিল্প নীতি বিশ্বের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ। ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখের বিশেষ মর্যাদা বাতিল হওয়ার পরে এই সম্ভাবনা তৈরি হয়।

সৌদি গেজেট জানিয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীর সরকার এ বছরের এপ্রিলের শুরুতে উন্মোচিত ‘নতুন শিল্প নীতি ২০২১-৩০’ এই খাতকে আরও গতি দিয়েছে, যা এই অঞ্চলকে বিশ্বের জন্য উন্মুক্ত করেছে।

জম্মু ও কাশ্মীরে ‘নতুন শিল্প নীতি ২০২১-৩০’ কার্যকর হওয়ার পরপরই কাশ্মীরি ব্যবসায়ীরা তাকে স্বাগত জানায়। ফেডারেশন চেম্বার অফ ইন্ডাস্ট্রিজ কাশ্মীর (এফসিআইকে) উপত্যকার

শীর্ষস্থানীয় শিল্পপতিদের একটি জোট, নতুন নীতিকে স্বাগত জানিয়ে বলেছে, এটি উদ্যোক্তাদের মধ্যে আশা সঞ্চার করেছে।

এফসিআইকে সভাপতি শহীদ কামিলি বলেন, নতুন শিল্প নীতিতে বিভিন্ন নতুন খাতকে ইতিবাচক তালিকা এবং ফোকাস খাতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে সম্প্রসারিত হয়েছে পর্যটন, আতিথেয়তা, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ইত্যাদি খাত।

এফসিআইকে সভাপতি বিভিন্ন স্তরে মামলার অনুমোদনের সময়সীমা নির্ধারণের জন্য সরকারের প্রশংসা করেন। নতুন শিল্প নীতি ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হয়েছে। এদিন বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসা সমস্ত শিল্প ইউনিট এবং সেইসাথে বিদ্যমান ইউনিটগুলি যথেষ্ট ভালো করছে।

নতুন নীতিতে আগামী ১৫ বছরের জন্য জম্মু ও কাশ্মীরের শিল্প উন্নয়নে ২৮ হাজার ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, যা আজ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় প্রণোদনা। এই নীতিতে বিশেষভাবে জম্মু ও

কাশ্মীরের মানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য এই অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের যুগের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। বহিরাগতদের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসে বিনিয়োগ করতে কোনো বাধা নেই।

সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যেদিন থেকে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করা হয়েছে, সেদিন থেকে ৪০টিরও বেশি কোম্পানি বিনিয়োগ প্রস্তাব নিয়ে এগিয়ে এসেছে এবং সরকার ১৫০০ কোটি টাকা (১৫ বিলিয়ন টাকা) পর্যন্ত ৩০টিরও বেশি প্রস্তাব গ্রহণ করেছে।