ব্যতিক্রমী পদযাত্রায় নজির গড়লেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- আপডেট সময় : ০২:২২:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১০৭ বার পড়া হয়েছে
সচিবালয় থেকে পায়ে হেঁটে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন
প্রশাসনের কেন্দ্র থেকে সংস্কৃতির উৎসবমুখর প্রাঙ্গণে এক দিনের যাত্রা
‘রাজধানীর ব্যস্ত প্রশাসনিক হৃদয় থেকে সংস্কৃতির মঞ্চ’ এক ভিন্ন আবহে দিন শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সচিবালয়ের কার্যালয় থেকে পায়ে হেঁটে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে গিয়ে একুশে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি তৈরি করলেন এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল সোয়া ১০টার দিকে সচিবালয়ের এক নম্বর ভবন থেকে ৫ নম্বর গেট দিয়ে বের হন প্রধানমন্ত্রী। পরিবহন পুল ভবনের সামনে দিয়ে ধীর পায়ে এগিয়ে যান তিনি।
গন্তব্য ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন, যেখানে বেলা ১১টায় নির্ধারিত ছিল রাষ্ট্রীয় মর্যাদাপূর্ণ একুশে পদক প্রদান অনুষ্ঠান।
প্রধানমন্ত্রী হেঁটে গেলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ছিল কড়া নজরদারি। তাঁর পেছনে ধীরগতিতে চলছিল গাড়িবহর। আশপাশে দায়িত্ব পালন করছিল এসএসএফ, পিজিআরসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
তবে আনুষ্ঠানিকতার গাম্ভীর্যের মাঝেও এ পদযাত্রা তৈরি করে এক ভিন্ন বার্তা, সরকারপ্রধানের সরলতা ও আত্মবিশ্বাসের প্রতিচ্ছবি।
এর আগে সকাল ৯টা ৪ মিনিটে সচিবালয়ে পৌঁছে মন্ত্রিসভার বৈঠকে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানকার নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে তিনি সরাসরি পদযাত্রায় অংশ নেন, যা উপস্থিত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাধারণ মানুষের মাঝে কৌতূহল ও আলোচনার জন্ম দেয়।
ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী একুশে পদকপ্রাপ্ত গুণীজনদের হাতে সম্মাননা তুলে দেবেন। ভাষা আন্দোলনের চেতনায় প্রবর্তিত এ পদক দেশের জ্ঞান, সাহিত্য, শিল্পকলা ও গবেষণায় অবদান রাখা বিশিষ্টজনদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান করে।
দিনের কর্মসূচি এখানেই শেষ নয়। দুপুর দেড়টায় তিনি যাবেন বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে, যেখানে উদ্বোধন করবেন অমর একুশে বইমেলা। ভাষার মাসে বইয়ের উৎসবের এই উদ্বোধনও যুক্ত করে আরেকটি প্রতীকী মাত্রা, প্রশাসনের কেন্দ্র থেকে সংস্কৃতির উৎসবমুখর প্রাঙ্গণে এক দিনের যাত্রা।
সব মিলিয়ে, এদিনের পদচারণা শুধু পথ অতিক্রম নয়, বরং ছিল রাষ্ট্রনেতার এক প্রতীকী বার্তা, সংস্কৃতি, ভাষা ও জনগণের সঙ্গে সংযোগই নেতৃত্বের আসল শক্তি।










